পাঠকের পাতা

কেয়ামতের একটি বৈজ্ঞানিক প্রমাণ হলো ভূমিকম্প!

মহান গ্রন্থ আল-কোরআন, যা সত্য চিরন্তন । আজ পর্যন্ত কোরআনের কোনো ভূল প্রমাণিত হয়নি বরং ভূলতো দূরের কথা কোনো সন্দেহও ভবিষ্যতে হবে না । কারণ আল্লাহ সুবহানাহু তা’আলা সূরা আল বাকারার দ্বিতীয় আয়াতে অর্থাৎ কোরআন মাজিদের প্রারম্ভিকেই নির্ভুলতার কথা বলে দিয়েছেন:

“এই সেই কিতাব যাতে কোনই সন্দেহ নেই”।( সূরা আল বাকারা, আয়াত -০২)।

পৃথিবী একদিন তার অস্তিত্ব হারাবে- এর বহু বৈজ্ঞানিক প্রমাণ ইতিমধ্যে বের হয়েছে । আর মুসলিমরা তাদের ঈমানের দাবি হিসেবে কেয়ামতককে অর্থাৎ পৃথিবী একদিন ধ্বংস হবে তা বিশ্বাস করে। কেননা ঈমানের সাতটি  মৌলিক বিষয় মধ্যে কেয়ামত দিবসের প্রতি বিশ্বাসও একটি । যাইহোক, আমাদের লক্ষ্য হলো ভূমিকম্পের আলোকে কেয়ামতকে  বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমান করা ও কেয়ামত সংঘটনের সময়কে ব্যাখ্যা করা । কোরআনে আল্লাহ তা’আলা কেয়ামতের সাথে ভূমিকম্পকে গেঁথে দিয়েছেন কারণ কেয়ামতের শুরুটা ভূমিকম্প দিয়েই হবে। ভূমিকম্প কখন সংঘটিত হবে তা মানুষ জানে না, তেমনি কেয়ামত কবে/কখন সংঘটিত হবে তাও মানুষ জানে না। এসব দিক বিবেচনা করে  ভূমিকম্পকে আমরা কেয়ামতের প্রমাণ হিসেবে অভিহিত করতে পারি।

ভূমিকম্প একটি অতি পরিচিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ । ভূমিকম্প কি এবং কি কারণে সংগঠিত হয়, তা আমার লিখিত “কোরআনে ভূমিকম্পের সংজ্ঞা” প্রবন্ধে ব্যাখ্যা করা হয়েছে । উল্লেখিত প্রবন্ধটি ‘ইসলামিক অনলাইন মিডিয়া’ থেকেও প্রকাশিত হয়েছে। এখানে আমরা ভূমিকম্পের সংঘটন সময়কাল সম্পর্কে আলোচনা করব ইন্শাআল্লাহ ।

আমরা জানি একমাত্র পূর্বাভাসবিহীন প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলো ভূমিকম্প । এটি অকস্মাৎ আঘাত হানে এবং কখনো কখনো তার ধ্বংসলীলা দেখায় । সহজ কথায়, ভূমিকম্পের সংঘটন সময়কাল সম্পর্কে এখনোও কোনো কার্যকর পদ্ধতি আবিস্কার হয় নি।

তবে ভূমিকম্পের পূর্বাভাস পেতে যে সকল পন্থা অবলম্বন করা হয়েছিল তাঁর মধ্যে রয়েছে:

দৈনিক ইনকিলাবের একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়,

ভূপৃষ্ঠের উচ্চাবচতার হঠাৎ পরিবর্তন,ভিন্ন গ্রহের মাধ্যাকর্ষণ বল,ভূমিকম্পের ঐতিহাসিক পর্যায় সারণি থেকে পূর্বাভাস,ভূমিকম্পের প্রাথমিক তরঙ্গের বেগের পরিবর্তন থেকে পূর্বাভাস,ভূস্তরে রেডন গ্যাসের উদগীরণ থেকে পূর্বাভাস,শিলার বৈদ্যুতিক পরিবর্তন থেকে পূর্বাভাস,প্রাক-ভূমিকম্পের ও উত্তর-ভূমিকম্পের মাত্রার পরিবর্তন থেকে পূর্বাভাস ইত্যাদি।এ থেকে বলা যায়, ভূমিকম্পের পূর্বাভাস দানের চেষ্টা বহু বছর থেকে চলছে কিন্তু নির্ভরযোগ্য ও অবিসংবাদি কোনো পদ্ধতি এখনো আবিস্কৃত হয়নি। অনেকে জীবজন্তুর আচরণের পরিবর্তন থেকে ভূমিকম্পের পূর্বাভাস পাওয়া যায় বলে দাবি করেছেন। এ ব্যাপারে কোন সর্বজনস্বীকৃত সিদ্ধান্তে যথেষ্ট তথ্য নেই।

পূর্বাভাস তত্বের প্রাথমিক শর্তগুলো হলো:

১. যে সময়কালে ভূমিকম্প ঘটবে তার নির্দেশ, ২. কোথায় সেটি ঘটবে তার স্পষ্টিকরণ, ৩. ভূমিকম্পের মান (ম্যাগনিচ্যুড) নির্ধারণ এবং ৪. ভূমিকম্পে যে ক্ষয়ক্ষতি ঘটবে তার মূল্যায়ন।

এগুলো পূর্ণ করতে না পারলে আমরা কোনো পূর্বাভাসকে স্বীকৃতি জানাতে পারব না ।তবে, সিসমোমিটার, সিসমোগ্রাফ, রিখটার স্কেল, ইত্যাদি দিয়ে ভূমিকম্পের তীব্রতা পরিমাপযোগ্য হলেও তা পূর্বাভাসে পড়ে না । সুতরাং, আমরা ভূমিকম্পকে পূর্বাভাস বিহীন দুর্যোগ হিসেবে অভিহিত করতে পারি। এ থেকে প্রমাণিত হলো, ভূমিকম্প সংঘটনের সময়কাল সম্পর্কে মানুষ বলতে পারে না।

আরও দেখুন:  করোনা মহামারিতে দান-সাদাকাহ: ইসলামের নির্দেশনা
রিখটার স্কেল
সিসমোগ্রাফ

এবার কেয়ামত দিবসের আলোচনায় আসা যাক!

উইকিপিডিয়া যেভাবে কেয়ামত দিবসকে বর্ণনা করে তা হলোঃ

কিয়ামত শব্দের অর্থ উঠে দাঁড়ানো। এটি আরবি শব্দ কিয়াম থেকে আগত যার অর্থ উঠা (ক্রিয়া হিসেবে ব্যবহৃত)। ইসলামী আকীদা অনুসারে, ইসরাফীল (আ.) শিঙ্গায় ফুৎকার দিলে কিয়ামত হবে, অর্থাৎ বিশ্বজগৎ ধ্বংস হবে। প্রথম ফুৎকার দেওয়ার সাথে সাথেই আল্লাহ যা জীবিত রাখবেন তাছাড়া সকল সৃষ্টজীব মারা যাবে। দ্বিতীয় ফুৎকার দেওয়ার সাথে সাথেই পৃথিবী সৃষ্টি থেকে কিয়ামত পর্যন্ত যত সৃষ্টজীবের আর্বিভাব হয়েছিল, তারা সকলেই জীবিত হয়ে উঠে দাঁড়াবে।

কেয়ামত সংঘটন নিয়ে কালের কন্ঠের এক প্রতিবেদনে সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করেছেন, মো. আবদুল মজিদ মোল্লা, সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট, ঢাকা । তাঁর কিছু অংশ নিচে  দেয়া হলোঃ

কিয়ামতের সঠিক সময় আল্লাহ তা’আলাই ভালো জানেন। কোরআনের ভাষ্য অনুযায়ী কিয়ামত খুব বেশি দূরে নয়। কেননা কোরআনে কিয়ামতের সময়কাল বোঝাতে ‘নৈকট্যবাচক’ শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে কিয়ামত সম্পর্কে জানতে চাইলে আল্লাহ ওহি নাজিল করেন। ইরশাদ হয়,

“মানুষের হিসাব-নিকাশের সময় আসন্ন, কিন্তু তারা উদাসীনতায় মুখ ফিরিয়ে আছে”। (সুরা: আম্বিয়া, আয়াত: ১)

আল্লাহ আরো বলেন,

“কিয়ামত নিকটবর্তী হয়েছে এবং চাঁদ বিদীর্ণ হয়েছে” । (সুরা কামার, আয়াত: ১)

অপর আয়াতে ইরশাদ হয়েছে,

“তারা আপনার কাছে কিয়ামত কখন হবে জিজ্ঞাসা করছে? তার আলোচনার সঙ্গে তোমার কি সম্পর্ক! তার পরম জ্ঞান আছে তোমার প্রতিপালকের কাছে”। (সুরা আন-নাযিআত, আয়াত : ৪২-৪৪)

আল্লামা ইবনে কাসির (রহ.) এই আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেন,

‘আপনার কাছে তার কোনো জ্ঞান নেই এবং নেই কোনো সৃষ্টির কাছেও। বরং এর উদ্দেশ্য ও প্রত্যাবর্তন আল্লাহর দিকে। তিনিই তা সংঘটিত হওয়ার নির্ধারিত সময় জানেন।’ (তাফসিরে ইবনে কাসির : ৮/৩১৮)।

আল্লাহ তা’আলা আল-কোরআনে একাধিক আয়াতে বলেই দিয়েছেন যে, কেয়ামতের জ্ঞান শুধুমাত্র তার কাছে আছে আর অন্য কারো কাছে নেই।এ থেকে প্রমাণিত হলো, কেয়ামত  সংঘটনের সময়কাল সম্পর্কে ও মানুষ বলতে পারে না।

একদল আল-কোরআন প্রেমিক, জ্ঞানপিপাসু, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তাদের প্রাথমিক  অনুসন্ধানে আল-কোরআনের ৪৩ টি সূরায় কেয়ামতের উল্লেখ পেয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি সূরায় আল্লাহ তা’আলা কেয়ামতের সাথে ভূমিকম্পের কথা বিশেষভাবে বলেছেন । আশ্চর্যের বিষয় হলো আরো নানা দুর্যোগ যেমন, খরা, ঘূর্ণিঝড়, এসিড বৃষ্টি, মহামারী, দুর্ভিক্ষ ইত্যাদি থাকলেও আল্লাহ তা’আলা শুধুমাত্র ভূমিকম্পের কথাই কিয়ামতের সাথে বলেছেন । উদাহরণস্বরুপ: সূরা যিলযালে আল্লাহ তা’আলা বলেছেন,

আরও দেখুন:  আদম ও হাওয়া (আঃ) -এর তাওবাহ-ইস্তিগফার : আমাদের শিক্ষা

পৃথিবী যখন আপন কম্পনে প্রবলভাবে প্রকম্পিত হবে(১)। এবং পৃথিবী যখন তার ভারসমূহ বের করে দেবে”(২)। (সূরা যিলযাল, আয়াত ১-২)

উল্লেখিত আয়াতদ্বয়ের ব্যাখ্যায় তাফসীরে আহসানুল বায়ান হতে জানা যায়,

(১) অর্থাৎ, এর অর্থ হল ভূমিকম্পের কারণে সারা পৃথিবী কেঁপে উঠবে। আর সমস্ত বস্তু চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যাবে। এই অবস্থা তখন হবে, যখন শিঙ্গায় প্রথমবার ফুৎকার করা হবে।

(২) মাটির নিচে যত লোক দাফন আছে, তাদেরকে পৃথিবীর ভার বা বোঝা বলা হয়েছে। মাটি তাদেরকে কিয়ামতের দিন বের করে উপরে ফেলবে। অর্থাৎ, আল্লাহর হুকুমে সকলে জীবিত হয়ে বাইরে বেরিয়ে আসবে। আর এরূপ হবে শিঙ্গায় দ্বিতীয় ফুৎকারের পর। অনুরূপভাবে যাবতীয় খনিজ পদার্থ ও গুপ্ত ধনসমূহও বাহির হয়ে পড়বে।

ভূমিকম্পের ফলে ক্ষয়ক্ষতি

কোনো সন্দেহ নেই যে ভূমিকম্পের মাধ্যমে কেয়ামত দিবস শুরু হবে। এছাড়া ও রয়েছে,

 “যেদিন পৃথিবী ও পর্বতমালা প্রকম্পিত হবে এবং পর্বতসমূহ বহমান বালুকারাশিতে পরিণত হবে”।(সূরা আল মুযযাম্মিল, আয়াত-১৪)

উল্লেখিত আয়াতের ব্যাখ্যায় তাফসীরে আহসানুল বায়ান হতে জানা যায়,

অর্থাৎ, এই আযাব সেই দিন হবে যেদিন যমীন এবং পাহাড় ভূমিকম্পে উলট-পালট হয়ে যাবে। আর অতীব বিশাল ভয়ঙ্কর পাহাড়-পর্বত সেদিন অসার বালুর স্তূপে পরিণত হবে। كَثِيْبٌ বালির ঢিপি। مَهِيْلًا অর্থ বহমান (ভুরভুরে) বালি, যা পায়ের নিচে থেকে সরে যায়।

আর ও কয়েকটি সূরায় আল্লাহ তা’আলা বলেন,

 যেদিন প্রকম্পনের একটি ঝটিকা একেবারে নাড়িয়ে দেবে এবং এরপর আসবে দ্বিতীয় ঝট্‌কা । সেদিন অন্তর কাঁপতে থাকবে এবং দৃষ্টি ভীতবিহ্বল হবে।” (সূরা আন-নাযিআত ৫–৯) 

 যে দিন পৃথিবীকে মারাত্মকভাবে ঝাঁকিয়ে দেয়া হবে এবং পাহাড় গুড়ো হয়ে ধূলির মতো উড়তে থাকবে।” (সূরা আল ওয়াকি আহ, ৪–৬)

হে মানবমন্ডলী! তোমরা ভয় কর তোমাদের প্রতিপালককে; (আর জেনে রেখো যে,) নিঃসন্দেহে কিয়ামতের প্রকম্পন এক ভয়ানক ব্যাপার (সূরা আল– হাজ্জ, আয়াত-১ )

প্রবন্ধটি অত্যাধিক বড় হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় সব আয়াতের তাফসীর দেওয়া হলো না ।

আল্লাহ তা’আলার হেকমত থেকে স্পষ্টত প্রতীয়মান হচ্ছে যে, ভূমিকম্প মহান বিচার দিবস অর্থাৎ  কেয়ামতকে ইঙ্গিত করছে।

আরও দেখুন:  বাংলাদেশে ইসলামি ব্যাংকিং ব্যবস্থার নিরপেক্ষ মূল্যায়ন

উপরিউক্ত আলোচনা হতে বলা যায়, কেয়ামত ও ভূমিকম্প একইসূত্রে গাঁথা । আল্লাহ তা’আলার অন্যান্য আজাবের চেয়ে ভূমিকম্পের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন যা থেকে প্রমাণিত হয় ভূমিকম্প কেয়ামতের একটি প্রমাণ স্বরূপ । সেই হিসেবে ভূমিকম্প যেমন অকাট্য সত্য তেমনি কেয়ামতও অকাট্য সত্য । একই সাথে সংঘটন কাল বিবেচনায় ভূমিকম্প ঠিক কখন সংঘটিত হবে তা কোন মানুষ জানে না, তেমনি কেয়ামত ঠিক কখন /কোনদিন সংঘটিত হবে তা কোন মানুষ জানেন না, এটাও অকাট্য সত্য । এ থেকে আমরা বলতে পারি, কেয়ামত ও ভূমিকম্প উভয়ের সাথে সম্পর্কিত ।

সাধারণ জ্ঞানে ভূমিকম্প শব্দটি দ্বারা যে কোন প্রকার ভূকম্পন জনিত ঘটনাকে বুঝায় । ভূমিকম্প কেয়ামতের সংঘটন কালের সত্যতা প্রমাণিত করে, যা মানুষের অজানা। সৃষ্টির সবকিছুর জ্ঞান থাকা মানুষের পক্ষে সম্ভব নয় যদি না আল্লাহ তা’আলা তাদের দান করেন। কেয়ামত দিবস সম্পর্কে মানুষ জানে না, স্বয়ং হযরত মোহাম্মদ(সাঃ) ও তা জানতেন না ।কারণ আল্লাহ তালা নিজেই বলেছেন,

“তারা আপনার কাছে কিয়ামত কখন হবে জিজ্ঞাসা করছে? তার আলোচনার সঙ্গে তোমার কি সম্পর্ক! তার পরম জ্ঞান আছে তোমার প্রতিপালকের কাছে”। (সুরা নাযিয়াত, আয়াত : ৪২-৪৪)।

তেমনি ভূমিকম্পের সংঘটন কাল সম্পর্কে ও মানুষ জানে না ।সুতরাং, ভূমিকম্প কেয়ামতের একটি বাস্তব নির্দেশক! ভূমিকম্পে বিশ্বাসী সবাই কেয়ামতকে বিশ্বাস করবে ।

কেয়ামতের আরও অনেক বৈজ্ঞানিক প্রমাণ ইতিমধ্যে আধুনিক বিজ্ঞানে বের হয়েছে। পরিশেষে, আল্লাহ তা’আলার কোরআনের আয়াতে কেয়ামতের সাথে সাথে বারবার ভূমিকম্পের উল্লেখ এবং সংঘটন কালের দিক দিয়ে কেয়ামত ও ভূমিকম্পের অভিন্নতার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যায়, আমরা বলতে পারি, কেয়ামতের একটি বৈজ্ঞানিক প্রমাণ হলো ভূমিকম্প!নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা মহাকৌশলী এবং হেকমতওয়ালা!

কোরআনের আয়াতের ব্যাখ্যায় সম্মতি ও প্রশংসা করেছেন, হাফেজ মাওলানা মুফতি মাকসুদুর রহমান সাহেব (দাঃবা),সিনিয়র মুহাদ্দিস,জামিয়াতুস্ সুন্নাহ্ মুযাহিরুল উলূম মাদ্রাসা, শিকারীকান্দা, ময়মনসিংহ এবং মুহতাতিম,দারুস সূফ্ফা মাদ্রাসা, পোল্ট্রিফার্ম সংলগ্ন, কেওয়াটখালী, ময়মনসিংহ । উল্লিখিত প্রবন্ধটিতে আমাকে সহায়তা করেছেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স এন্ড ইন্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী ,মিমতাজ আফসানা মীম,তামান্না  ইয়াছমিন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের মোঃ আব্দুল কাইয়ুম। তাঁদের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা স্বীকার করছি ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। আল্লাহ সুবহানাহু তা’আলা তাঁদের কোরআন গবেষণায় আরও আগ্রহী করে তুলুন ও সফলতা দান করুন। আমীন।

 

এস.এ.এম গাজী  হাসান,
শিক্ষার্থী, ডিপার্টমেন্ট অফ এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স  এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং,
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয, ত্রিশাল, ময়মনসিংহ।
ইমেইল: [email protected]

এ সম্পর্কিত আরও পোস্ট

২টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

Back to top button