ধর্মীয় উত্সব/উপলক্ষ

ঈদ-উল-আযহা’র দিনে হাফ রোযা?

রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদুল ফিতরের দিন কিছু খেজুর না খেয়ে বের হতেন না। আনাস (রাঃ) বলেন সেটা ছিল বেজোড় সংখ্যক। [সহীহ বুখারী]

অন্যদিকে ঈদুল আদহার দিন তিনি কিছু না খেয়েই ঈদগাহতে যেতেন। ঈদের সলাত এবং খুতবা শেষে ফিরে এসে কুরবানি করতেন এবং কুরবানির মাংস খেতেন।

আবদুল্লাহ ইবনু বুরাইদা (রাঃ) হতে তাঁর পিতা থেকে বর্ণিতঃ

তিনি (বুরাইদা) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘ঈদুল ফিতরের দিন কিছু না খাওয়া পর্যন্ত নামাযে বের হতেন না এবং ‘ঈদুল আদহার দিন নামায না আদায় করা পর্যন্ত কিছু খেতেন না। [সহীহ্‌ ইবনু মাজাহ]

ঈদুল আদহার দিনে কুরবানি পর্যন্ত না খেয়ে থাকার নাম রোযা নয়। ঈদের দিনে রোযা রাখা হারাম।

আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুই দিন রোযা থাকতে নিষেধ করেছেন – ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আদহার দিন। [সহীহ বুখারী ও মুসলিম]

তাই এই ঈদে যাদের পক্ষে সম্ভব তারা অপেক্ষা করবেন এবং কুরবানি করার পরে সেটার গোশত দিয়ে খেতে পারেন – এটা একটা সুন্নাহ পালন হবে।

তবে যারা অন্যদের কুরবানির দায়িত্ব দিচ্ছেন বা যাদের কুরবানির মাংস এসে পৌঁছাতে দেরি হবে, অথবা যারা কুরবানি দিচ্ছেন না – তারা সবাই ঈদের সলাতের পরেই যে কোনো খাবার খেতে পারেন।

– সরোবর

এ সম্পর্কিত আরও পোস্ট

মন্তব্য করুন

Back to top button