পাঠকের পাতা

করোনা ভাইরাস থেকে স্বাস্থ্য সুরক্ষা বনাম কুপ্রবৃত্তি থেকে সিয়াম সুরক্ষা

যে ভাবে সামাজিক দুরত্ব (Social Distance) মেন্টেইন করে নিজেকে করোনা ভাইরাস, ভিবিন্ন ব্যাধি থেকে রক্ষা করার চেষ্টা করছি। নিজেদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা করার চেষ্টা করছি। একই ভাবে রমজানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (Social Media Distance) মেন্টেইন করে ভিবিন্ন প্রবৃত্তির ভাইরাস থেকে রক্ষার চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।  স্বাস্থ্য সুরক্ষার মতো রমজানের রোজাকে সুরক্ষার চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।  কারন নবী করিম (সা.) বলেছেন, “রোজা হচ্ছে ঢালস্বরূপ। যতক্ষণ না রোজাদার নিজেই তা ফাটিয়ে ফেলে।” ভিবিন্ন কুপ্রবৃত্তি, অশ্লীল দৃশ্য দেখা বা শুনার দ্বারা এই ঢাল ফেটে যায়।

কাজেই রমজানে সোশাল ডিসটেন্সের সাথে সোশাল মিডিয়া ডিসটেন্সও যেন আমরা মেন্টেইন করি। তাহলে রোজাকে হেফাজত করতে পারবো।

এমনি ভাবে মুখে মাস্ক ও হাতে গ্লাভস ব্যবহার করে যেমন ভিতরে ভাইরাস ঢুকা প্রতিরোধ করি। নিজেদের শারীরিক সুস্থতার হেফাজত করি। টিক একই ভাবে শরীরে প্রতিটি অঙ্গে-প্রত্যঙ্গে সাওমের আবরণ লাগিয়ে রামজানের রোজাকে হেফাজত করতে হবে। তাহলে এই রোজা হবে তাক্বওয়া অর্জনের মাধ্যম। হবে নাজাতের ওয়াসীলা। এর মাধ্যমে অর্জন হতে পারে আল্লাহ তা’আলার সন্তুষ্টি।

এই জন্য আল্লাহ তা’আলা বলেন

“হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর রোজা ফরয করা হয়েছে, যেরূপ ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর, যেন তোমরা পরহেযগারী অর্জন করতে পার।” (আল কোরআন ২/১৮৩)

তোমাদের উপর রোজা ফরজ করা হয়েছে দ্বারা মুফাসসিরীনে কেরাম বলেন, তোমাদের প্রতিটি অঙ্গে-প্রত্যঙ্গে উপর তথা চোখের দৃষ্টি শক্তি, কানের শ্রবন শক্তি, মুখের বলার শক্তি, হাত পায়ের কর্ম শক্তির উপর রোজাকে ফরজ করা হয়েছে। অর্থাৎ রোজা রেখে এসব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ যেন অপাত্রে ব্যবহার না করি।

আল্লাহ তা’আলা সব মুসলমানকে রমজানের রোজাকে প্রবৃত্তি থেকে সুরক্ষা করে, পুরাপুরি সওয়াব আর আজরের হক্বদ্বার বনিয়ে দেন। আমিন

– আব্দুল কাদির আল মাহদি , বার্সেলোনা, স্পেন থেকে।

আরও দেখুন:  বাংলাদেশে ইসলামি ব্যাংকিং ব্যবস্থার নিরপেক্ষ মূল্যায়ন

এ সম্পর্কিত আরও পোস্ট

মন্তব্য করুন

Back to top button