পরিবার ও দাম্পত্য

পিতা-মাতার অনুমতি ছাড়া মেয়ের বিয়ে

একজন সম্মানিত ব্লগার ভাই বার্তায় নিম্নের প্রশ্নটি করেছেন। অন্যদেরও উপকারে আসবে ভেবে পোস্ট আকারে জবাব দেয়ার চেষ্টা করছি।

প্রশ্ন: আসসালাম… আমার এক আত্মীয়ের একটা ব্যাপার নিয়ে খুব ঝামেলায় আছি, আপনার পরামর্শ (ও সাহায্য) দরকার মনে করছি! ঘটনাটি সংক্ষেপে এমন:- ক্লাশ এইট বা নাইনে পড়ুয়া গ্রাম্য মেয়ে, বাপ-মায়ের একমাত্র সন্তান (তার কোন ভাই/বোন নেই) বয়স ১৮/১৯, বাড়ি থেকে ৮/৫ কিলোমিটার দূরের স্কুলে হেঁটে যাওয়া ছাড়া উপায় নেই, ফসলের ক্ষেতের আইলের মেঠো পথে কখনো ছেলে-মেয়ে দল বেঁধে কখনো একাকী পথ চলতে হয়, কখনো শুধুমাত্র একজনছেলে সংগী হয়ে পড়ে। এতে এক সিনিয়র ক্লাশের ছেলের সাথে প্রেমের জালে আটকা পড়ে যায়। লোকমুখে একথা শুনে মেয়ের বাপ-মা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে অস্বীকার করে। কিন্তু ক’দিন পরেই মেয়ের প্রতিবেশী/দুর সম্পর্কের আত্মীয় চাচা এবং ছেলেপক্ষের দু-চারজন মধ্যবয়সী আত্মীয়ের ইন্ধনে রাতের আঁধারে সে ঘর ছেড়ে চলে যায় এবং ঐ ছেলের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়ে শ্বশুর বাড়িতে আশ্রয় নেয়। যারা এ বিবাহের আয়োজন ও সহযোগিতা করেছে তরাদের ধারণা ছিল যে শুরুতে না মানলেও কিছুদিন পরেই সব স্বাভাবিক হয়ে যাবে। কিন্তু মেয়ের বাপ “কট্টর আহলেহাদীসপন্থী” (দুঃখিত, বাস্তবতা বোঝানোর জন্য এ শব্দটি ব্যবহার করতে হলো), সকম আত্মীয়স্বজন চেষ্টা করেছেন, কিন্তু তিনি কিছুতেই নরম হননি। তাঁর বক্তব্য- “”যেহেতু অভিভাবকের অমতে বিয়ে করেছে সেহেতু শরীয়ামতে এ বিয়ে-ই হয়নি, তাই “মেনে নেয়া”-রও কোনো প্রশ্নই ওঠেনা। সে মেয়ে জ্বিনা করেছে, তওবা করে ফিরে এলে আসতে পারে, তবে তাকে দোররা নিতে হবে (দোররা-র ব্যাপারটা হয়তো শিথিল করা যাবে- যেভাবে আল্লাহতায়ালা আইউব আঃ করতে বলেছিলেন), আমরা মাফ করে দিবো””। এভাবেই তিন বছর প্রায় হয়ে গেল, সেই মেয়ের কোলে পুত্র সন্তানের বয়স প্রায় দু-বছর। এবারে ঐ মেয়ের পিতা-মাতা হজ্জ্বে যাবেন, সম্ভবতঃ ৬/৭ তারিখে ফ্লাইট, কিন্তু মেয়ের ব্যাপারে তাঁর মত একটুও পাল্টায়নি! আমাদের সকল প্রচেষ্টা ব্যর্থ! সরবশেষ তিনি যা বললেন- আমার আখেরাত আমাকে দেখতে হবে, মেয়ের মহব্বতে আমি আল্লাহর হুকুমের বাইরে যেতে পারবোনা! আমি উলামাদের সাথে কথা বলেছি, এ বিয়ে অবৈধ- শরীয়াতে এর কোন স্বীকৃতি বা গ্রহনযোগ্যতা নেই; কাজেই এখানে আমার তো কিছু করার নেই! আমার প্রশ্ন:- (১) বিবাহ বৈধ হয়নি এবং শরীয়াতে এর কোন স্বীকৃতি বা গ্রহনযোগ্যতা নেই- একথা কি অকাট্য? -যদি অকাট্য হয়, তবে তার দলিল কি এবং সেক্ষেত্রে ঐ মেয়ের সাথে তার পিতামাতার পারস্পরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য কি কি অবশিষ্ট আছে? ইত্যাদি ইত্যাদি… -যদি অকাট্য না হয় তবে তার দলিল কি এবং সেক্ষেত্রে ঐ মেয়ের সাথে তার পিতামাতার পারস্পরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য পূনস্থাপনের জন্য কি কি করণীয় আছে? ইত্যাদি ইত্যাদি… মেয়ের বক্তব্য: “”আমি জ্বেনা করিনি, বরং নিজের পছন্দে বিয়ে করেছি মাত্র! আব্বা-আম্মা এ বিয়েতে রাজী হতেন না এটা আমি জানি- কারণ ঐ পরিবারের ব্যাপারে তাঁদের এলার্জি আছে পূর্বপুরুষের শত্রুতার কারণে- যদিও এখন কোন কিছু নিয়ে কোনো শত্রুতা নেল। এমন কি ঐ ছেলে প্রতিদিন আমাদের বাড়িতে যাতায়াত করেছে, আমাকে বিয়ে করবে বলে আব্বা-আম্মার সামনেই কৌতুক/ হাসিমস্করা করেছে, এভাবেই আমাদের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে তাঁদের সামনেই! এখন আমি স্বামী সংসার সন্তান ছেড়ে পিতামাতার কাছে যেতে চাইনা- কিন্তু আমি তাঁদের হক আদায় করতে চাই, তাঁদের খেদমতের সুযোগ চাই!”” ** আমি তিন বছর ধরে আমার সকল যোগ্যতা প্রয়োগ করেও কিছু হয়নি। আপনার পরামর্শের অপেক্ষায়… ফী আমানিল্লাহ মাআসসালাম

আরও দেখুন:  ইসলামে প্রতিবেশীর অধিকার

উত্তরঃ

অভিভাবকের অনুমতি ব্যতীত কোন মেয়ের বিবাহ সম্পর্কে আল্লামা বিন বায বলেনঃ

এ ধরণের বিবাহ সহীহ নয়। অভিভাবক ছাড়া কোন বিবাহের চুক্তি সম্পাদিত হবে না। নবী (সাঃ) সহীহ হাদীছে বলেনঃ

(لا نكاح إلا بولي)

অভিভাবক ব্যতীত বিবাহ হবে না। সুতরাং কোন মহিলা নিজের বিয়ে নিজেই সম্পাদন করতে পারবে না। সে অন্য কোন মহিলার বিয়েও সম্পাদন করতে পারবে না। বিবাহতে অভিভাবকের অনুমতি জরুরী। মহিলার পিতা হচ্ছে তার অভিভাবক। পিতার অবর্তমানে তার দাদা। অতঃপর তার ছেলে। অতঃপর তার ভাই…..।

সুতরাং আমাদের সমাজের প্রথা অনুযায়ী অভিভাবকের অনুমতি ব্যতীত সংঘটিত হয়ে যাওয় বিয়ে বৈধ নয়। অধিকাংশ আলেমের মতে তা বাতিল। এরই উপর রাসূল (সাঃ) থেকে সহীহ দলীল রয়েছে। তিনি বলেনঃ

১) لا نكاح إلا بولي)

অভিভাবক ব্যতীত বিবাহ হবে না। (তিরমিজী, আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ)

২) (لا تزوج المرأة المرأة، ولا تزوج المرأة نفسها)

কোন মহিলা অপর মহিলাকে বিবাহ দিতে পারবে না। সে নিজেও নিজের বিবাহ দিতে পারবে না। (মিশকাত, ইবনে মাজাহ)

আল্লাহ আপনাদেরকে উত্তম বিনিময় দান করুন।

বিন বাযের ফতোয়ার লিংক এখানেঃ http:/www.binbaz.org.sa/mat/19599

বিন বায (রঃ) অপর এক ফতোয়ায় বলেনঃ

অভিভাবক ছাড়া কোন বিয়ে হয়ে গেলে এমন কি সন্তান হয়ে গেলেও যা করণীয়ঃ

ক) পুরুষ এবং মহিলা উভয়েই আল্লাহর নির্ধারিত সীমা লংঘন করার কারণে তাওবা করবে।

খ) মহিলাকে তার অভিভাবকের কাছে ফেরত দিবে। মহিলাও ফেরত আসবে।

গ) ফেরত আসার পর অভিভাবক ইচ্ছা করলে সেই পুরুষের সাথেই অথবা অন্য কোথাও বিয়ে দিতে পারবে।

ঘ) সন্তান উক্ত পুরুষের পরিচয়ে পরিচিত হবে।

বিন বাযের ফতোয়া এখানেই শেষ।

আমার নিজস্ব সংযুক্তিঃ

প্রশ্নকারী প্রশ্নের এক পর্যায়ে বলেছেন, এমন কি ঐ ছেলে প্রতিদিন আমাদের বাড়িতে যাতায়াত করেছে, আমাকে বিয়ে করবে বলে আব্বা-আম্মার সামনেই কৌতুক/ হাসিমস্করা করেছে, এভাবেই আমাদের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে তাঁদের সামনেই! এ ব্যাপারে কথা হচ্ছে নিজরে যুবতী মেয়েকে অন্য একজন যুবকের সাথে সাক্ষাত করার সুযোগ দিয়ে, বাড়ির ভিতর আসতে দিয়ে এবং মেয়ের সাথে হাসি-মজা করতে দিয়ে পিতা-মাতা গুনাহর কাজ করেছেন। তাদের তাওবা করা আবশ্যক।

আরও দেখুন:  রাসুল সাঃ ও আয়িশার বিয়ে ও বাল্য বিবাহ প্রসঙ্গ

বিন বাযের ফতোয়ায় উল্লেখিত দলীলগুলো ছাড়াও এ ব্যাপারে আরও দলীল রয়েছে। পোস্ট দীর্ঘ হয়ে যাওয়ার আশঙকায় তা উল্লেখ করা গেল না।

মহিলাগণ জ্ঞানে ও দ্বীনে অপূর্ণাঙ্গ হওয়ার কারণে তারা নিজেদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে অনেক সময় সঠিক সিদ্বান্ত নিতে অক্ষম হয়ে থাকে। তাদের জীবনের ভাল-মন্দ বা উন্নতির বিষয়টি পুরুষগণই বেশী জানেন। তাই বিবাহ যেহেতু নারী জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়, তাই এটি মহিলার পুরুষ অভিভাবকের উপর ছেড়ে দেয়া হয়েছে। তারা বুঝে-শুনে এবং ভাল-মন্দ বিবেচনা করে মহলিাদেরকে বিবাহ দিবেন। এতেই রয়েছে নারীদের কল্যাণ। সুতরাং অভিভাবকহীন বিবাহতে বহু ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে বলেই ইসলাম এ কাজকে অবৈধ বলেছে। আমাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা দ্বারাও বিষয়টি প্রমাণিত, যার একাধিক নযীর আমাদের সমাজে রয়েছে। সুতরাং আমাদের উচিত এধরণের গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়ে আল্লাহ এবং তার রাসূলের সিদ্বান্তকেই মেনে নেওয়া।

আল্লাহ তাআলা বলেনঃ

وَمَا آَتَاكُمُ الرَّسُولُ فَخُذُوهُ وَمَا نَهَاكُمْ عَنْهُ فَانْتَهُوا“

তোমাদের রাসূল তোমাদেরকে যে বিষয়ের আদেশ করেন, তা তোমরা পালন কর এবং যা থেকে নিষেধ করেন, তা থেকে বিরত থাক”। (সূরা হাশরঃ ৭)

আল্লাহ তআলা আরও বলেনঃ

فَلا وَرَبِّكَ لا يُؤْمِنُونَ حَتَّى يُحَكِّمُوكَ فِيمَا شَجَرَ بَيْنَهُمْ ثُمَّ لا يَجِدُوا فِي أَنْفُسِهِمْ حَرَجاً مِمَّا قَضَيْتَ وَيُسَلِّمُوا تَسْلِيماً

“অতএব, তোমার পালনকর্তার কসম, সে লোক ঈমানদার হবে না, যতক্ষণ না তাদের মধ্যে সৃষ্ট বিবাদের ব্যাপারে তোমাকে ন্যায়বিচারক বলে মনে না করে। অতঃপর তোমার মীমাংসার ব্যাপারে নিজের মনে কোন রকম সংকীর্ণতা পাবে না এবং তা সন্তুষ্ট চিত্তে কবুল করে নেবে। (সূরা নিসাঃ ৬৫)

আল্লাহ তাআলা বলেনঃ

يا أيها الذين آمنوا أطيعوا الله وأطيعوا الرسول وأولي الأمر منكم فإن تنازعتم في شيء فردوه إلى الله والرسول إن كنتم تؤمنون بالله واليوم الآخر ذلك خير وأحسن تأويلا

আরও দেখুন:  আত্মীয়তার সম্পর্ক

“হে ঈমানদারগণ! আল্লাহ্র নির্দেশ মান্য কর, নির্দেশ মান্য কর রসূলের এবং তোমাদের মধ্যে যারা বিচারক তাদের। তারপর যদি তোমরা কোন বিষয়ে বিবাদে প্রবৃত্ত হয়ে পড়, তাহলে তা আল্লাহ ও তার রসূলের প্রতি প্রত্যর্পণ কর- যদি তোমরা আল্লাহ ও কেয়ামত দিবসের ওপর বিশ্বাসী হয়ে থাক। আর এটাই কল্যাণকর এবং পরিণতির দিক দিয়ে উত্তম। (সূরা নিসাঃ ৫৯)

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ

تَركْتُ فيكُمْ أَمْرَيْنِ لنْ تَضِلُّوا ما تَمسَّكْتُمْ بهما : كتابَ الله ، وسنّة رسولِهِ

আমি তোমাদের মধ্যে দু’টি জিনষ রেখে যাচ্ছি। যতদিন তোমরা সে অনুযায়ী আমল করবে, ততদিন তোমাদের পথভ্রষ্ট হওয়ার কোন আশঙ্কা নেই। একটি হচ্ছে আল্লাহর কিতাব এবং অন্যটি তাঁর রাসূলের সুন্নাত। (মুআত্তা ইমাম মালেক, হাদীছ নং- ৬৪)

আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে তাঁর কিতাব ও তাঁর রাসূলের সুন্নাত মোতাবেক জীবন গড়ার তাওফীক দিন। আমীন!

– আব্দুল্লাহ শাহেদ

এ সম্পর্কিত আরও পোস্ট

৭টি মন্তব্য

  1. আমার বয়স ১৮।আমি মেডিকেল শিক্ষার্থী । আমার বাবা মা কখনো আমাকে এম বি বি এস পাস এর আগে বিয়ে দিবেন না।
    আমি একজন ছেলেকে ভালো বাসি
    কিন্তু প্রেম করা হারাম বলে বিবাহ করেছি বাসায় না জানিয়ে।
    আর আমার পরীক্ষার পর জানাবো । তখন জানতাম না
    যে অভিভাবকছাড়া বিয়ে হয় না।এখন জানি। আমার বিবাহ কি বাতিল,,?
    আমাদের মধ্যে ১ বছরের বিবাহের সম্পর্ক কি অবৈধ।।?

  2. আপনার উত্তর কোন দিক থেকেই প্রাসঙ্গিক নয়। মেয়ের বয়স কম এবং ইসলাম অনুযায়ী কোন মেয়েই নিজের বিবাহের সিদ্ধান্ত নিতে পারে না – এ পর্যন্ত ঠিক আছে। কিন্তু এর পরের উত্তরগুলো আপনি দিতে পেরেছেন বলে মনে হয় না।
    এক্ষেত্রে উত্তরটা এমন হতে পারে —- মেয়ে যদি মনে করেই থাকে যে তার বাবা ওই ছেলের সাথে বিয়ে দেবে না তাহলে আমি বলবো এটা সম্পূর্ণ বাবা মায়ের দোষ। কারন মেয়েটি বিয়ে করার আগে তার বাবাকে জানানোর প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করতে পারেনি, আর এটাই ওই বাবার জন্য ব্যর্থতা। আর মেয়ে যেহেতু না বুঝেই বিয়ে করে ফেলেছে এবং এটা ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী বিয়ে হয়নি সুতরাং সে জেনা করছে এটাই সত্যি। এক্ষেত্রে বাবার উচিত ছিল যত দ্রুত সম্ভব মেয়ের বিয়েকে মেনে নেয়া। মেয়েটা না বুঝে বিয়ে করে জাহান্নামের রাস্তায় চলে গিয়েছে এবং তার ফেরার একটাই পথ হতে পারে যদি বাবা এই বিয়ের বিষয়টি মেনে নেন এবং মেয়েটি তওবা করে নেয় অভিবাবক ছাড়া বিয়ে করার গুনাহ থেকে বাঁচার জন্য। এক্ষেত্রে বাবা এই বিয়েকে মেনে না নিয়ে মেয়েটির ফেরার রাস্তাই বন্ধ করে দিলেন যা একেবারেই অনুচিত ওই বাবার জন্য ।

  3. Apnar answer e satisfied hota parchina na,, eta to general answer j guardian compulsory r keno compulsory. But ei meyer jonno kono solution to dilan na, amar to mona hoe main problem Babar, baba nijei puropuri hadis er follower na noeto meye oto dura school e jaoar jonno valo arrangement rakhten,kar shathe school e pacche ota dekhten, 2nd holo chela known,bari ashto regular ota allow korlo kamon kora,ei ahle hadis? 3rd holo biyar proposal kono shotruta thakle reject korar hadis meyer bap koi pelo??? Amdr rasul saw er hadis ei to paoa jae j valo proposal ela raji hota ,unislamic reason e na korla Fitnah hoba,eto gulo vul baba korlo,Babar dorkar chilo biya ta accept kora again nijei oi chelar shathe biya daoa ,jeta Islam er rules,r meye k dorra marar rules ekhane hoba? Amdr desh ki Islamic rules practice kora?? Nije dr iccha moto Islamic rules kew apply korta pare na.meyer baba ekta Islamic group er,etao problem. Ora ja buzacche tae buzsa.oi group er kawk buziya bola uchit jate eta accept kora again biya porae.eta na korla meyer, meyer chela onekei Islam niya vul buzba. Islam thake dura jabe. Rasul saw relation k thik korar,maf korar sunnah shikhiyechen, Islam er nam e ghrina ,raag chorale gunahgar hoa lagbe. Meye dr permission chara biya j halal hoe na,etao to hadis e ache.jae hok,meyer baba k buzani uchit, onek vul korchen, meye to just ekta vul korlo . r baba to aga thake ekhon porjonto. Allah unare hedayaet din,ameen

    1. হ্মমা করবেন। আপনারা মনে হয় ভালো ভাবে পড়েন নি। আবার পড়ুন। একটা বিষয় পরিষ্কার, সত্য মানতে আমাদের কষ্ট হয়। তাই তো বেশির ভাগ মানুষের কাছে শরিয়তের এই সমাধান ভালো লাগছেনা। অর্থাৎ যার যার মন মতো হচ্ছে না।

  4. ছেলে মেয়ে দুজনেই দ্বীন মেনে চলে এবং বিবাহ করতে চায়, কিন্তু মেয়ের পিতা দ্বীনহিন টাকা ওয়ালা ছেলে পছন্দ করেছে যেটা মেয়ে চায়না,এখন কি মেয়ে এ পিতাকে বাদে বিবাহ করবে না কি করবে? মেয়ে পিতা কে বুঝিয়েছে কিন্তু তিনি বুঝতে চায় না। পিতা ঐ ছেলেকে নিয়ে অকারন অযুহাত দেখায়।

মন্তব্য করুন

Back to top button