নির্বাচিত ফেসবুক স্ট্যাটাস

একমাত্র মুসলিমদের কাছে মেয়েরা মানুষ, বাকি প্রায় সবার কাছেই পণ্য

অ্যামেরিকান একজন মহিলা গড়ে সারা জীবন ৩ লক্ষ ডলার খরচ করে শুধু মুখে মাখার প্রসাধনীর জন্য।

সারা দুনিয়ার কসমেটিক্স মার্কেটের সাইজ ৫৩২ বিলিয়ন ডলার।

টাকার অঙ্কটা কতটা বড়?
২০১৮ সালে বাংলাদেশের বাজেট ছিল ৫৫ বিলিয়ন ডলার।
প্রতি বছর ১৭৫ বিলিয়ন ডলার করে ২০ বছর চালিয়ে গেলে সারা পৃথিবীর চরম দারিদ্র্য (যাদের আয় মাসে আড়াই হাজার টাকার কম) দূর করা যাবে।

গ্লোবাল স্কিন এন্ড ফ্লেশ মার্কেটের একটা বড় শত্রু ইসলাম।
যে মার্কেটের পণ্যই হচ্ছে মেয়েরা।
কসমেটিক্স ইনডাসট্রি।
প্লাস্টিক সার্জারি।
ফ্যাশন ইনডাসট্রি।
এনটারটেইনমেন্ট ইনডাসট্রি।
পর্ন ইনডাসট্রি।
সেক্স ট্যুরিজম।
পতিতালয় ব্যবসা।

একমাত্র মুসলিমদের কাছে মেয়েরা মানুষ, বাকি প্রায় সবার কাছেই পণ্য।
অথবা টাকা কামানোর মেশিন।

ইসলামে মেয়েদের মানবিকতা রক্ষা করার জন্য মেয়েদের সৌন্দর্যের বহির্প্রকাশে একটা বড় রাশ টেনে ধরা আছে।
সাজ-গোজ সীমিত – শুধুমাত্র স্বামীর জন্য।
বাহ্যিক অবয়বের ক্ষেত্রে আল্লাহ যা দিয়েছেন তাতে সন্তুষ্ট থাকতে বলা হয়েছে – ভ্রুটা পর্যন্ত সরু করা নিষেধ।

চামড়া বা চুলের যত্ন নেওয়ার কিছু পণ্য থাকতেই পারে, কিন্তু যেটা দিনে মাখে আর রাতে মুছে ফেলে সেটা তার জীবনে কী পরিবর্তন আনে?
একটা মেয়ের মূল্য এই মাখামাখিতে কতটা বাড়ে?
বাহ্যিক মূল্য কিংবা আত্মিক মূল্য?
মেক-আপের জোরে কী ভালো মা হওয়া যায়?
ভালো স্ত্রী?
অথবা ভালো একজন বিজ্ঞানী?
কড়া প্রসাধনী কতটা এগিয়ে দিতে পারে যদি ব্যবসার মাথা না থাকে?
কী লাভ রং মেখে সং হয়ে অন্য মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে?
দুনিয়ার লাভ কী?
আখিরাতের ফায়দাটাই বা কোথায়?

একটা মেয়ে যখন ইসলাম জেনে বুঝে মানতে শুরু করে তখন এই প্রশ্নগুলো তার সামনে আসে।

এজন্য কিছু মানুষ চায় না মেয়েরা ইসলামের সংস্পর্শে আসুক।

এরা যখন মাসজিদ কমিটির দখল নেয় তখন মাসজিদে মেয়েদের যাওয়া বন্ধ করে। মেয়েদের ইসলাম শিক্ষার বিরোধীতা করে।

এরা যখন সুশীল হয় তখন পর্দা, বোরখা, নিকাব, হিজাব – এগুলোকে তাচ্ছিল্য করে। ইসলামের এ চিহ্নগুলোতে তাদের গা জ্বলে।

আরও দেখুন:  সবাই মিলে পরিবারের অর্থনৈতিক অবস্থাটা বোঝা এবং তাতে মানিয়ে চলাতে একটা কল্যাণ আছে

কারণ এই শিয়ারগুলো বলে দেয় – ওই মায়েরা, বোনেরা দুনিয়ার নারী চামড়া-মাংস শিল্পের ধনকুবেরদের বুড়ো আঙুল দেখিয়ে একমাত্র আল্লাহর ইচ্ছার সামনে নিজের ইচ্ছাকে সমর্পণ করে দিয়েছে।

বোনেরা, আপনারা যারা জ্যান্ত তাঁবু, জঙ্গী মহিলা, লেটার বক্স – ইত্যাদি কথা শোনার পরেও আল্লাহর বিধানটা এই ভয়ংকর গরমে পরিপূর্ণভাবে পালন করে চলেছেন – আল্লাহ যেন প্রতিটা শব্দের কষ্টের বিনিময়ে আপনাদের আল্লাহর কাছে জান্নাতের সর্বোচ্চ স্তরে একটা করে ঘর বানিয়ে আপনাদের উপহার দেন।

আল্লাহ, আপনি আমাদের বোনদের পা পর্দার ওপরে অটল রাখুন।

– Sharif Abu Hayat Opu

এ সম্পর্কিত আরও পোস্ট

৪টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

Back to top button