নির্বাচিত ফেসবুক স্ট্যাটাস

সবাই মিলে পরিবারের অর্থনৈতিক অবস্থাটা বোঝা এবং তাতে মানিয়ে চলাতে একটা কল্যাণ আছে

জানুয়ারি মাসে অনেক খরচ।

এ বছর বাড়ির ছোট ছেলে মু’আয নার্সারিতে ভর্তি হলো। শুরুতে স্কুলে ভর্তির টাকাটা মাসকাবারি মধ্যবিত্তের জন্য বেশ বড় একটা ধাক্কা।

সব মিলিয়ে কুলিয়ে উঠতে পারছিলাম না। আনাস-উমার আর তাদের মা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল। সবার জমানো টাকাতে মোটামুটি হয়ে গেল।
আলহামদুলিল্লাহ, ধার-টার করা লাগেনি।

উমারের পুরোনো ব্যাগটা ধুয়ে, সেলাই করে মু’আযকে দেয়া হবে। পুরোনো জুতাটা সেলাই আর রং করে দেয়া হবে। সে মেনে নিয়েছে।

আনাস উমারকে ওদের মা বুঝিয়েছে বাবার হাতে টাকা নেই। জানুয়ারিটা ছোট হয়ে যাওয়া কাপড়গুলোই পরো। ফেব্রুয়ারিতে নতুন জামা বানিয়ে দেয়া হবে।

অনেককে দেখেছি, তারা বাচ্চাদের অভাবটা বুঝতে দেন না। তারা মনে করেন, “আমরা ছোটবেলায় কষ্ট করেছি – আমার সন্তানেরা যেন না করে।”
কিন্তু এতে সন্তানদের কল্যাণের চেয়ে ক্ষতি বেশি হয়।

সবাই মিলে পরিবারের অর্থনৈতিক অবস্থাটা বোঝা এবং তাতে মানিয়ে চলাতে একটা কল্যাণ আছে। এতে বাচ্চারা বুঝতে পারে হালাল টাকার আয় অসীম হবে না, যা-চাই তা পাবো – হবে না।

চাহিদাকে সীমিত রাখা এবং আল্লাহ যা দিয়েছেন সেটাতে সন্তুষ্ট রাখার অভ্যাসটা সন্তানদের ছোটবেলা থেকে শেখাতে হয়। এতে তারা বড় হয়ে দুনিয়ার দুদিন ভালো থাকার লোভে হারামে জড়িয়ে যাবে না, আখিরাতকে নষ্ট করবে না, ইন শা আল্লাহ।


Discover more from ইসলামিক অনলাইন মিডিয়া

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

মন্তব্য করুন

Back to top button