তোমরা যারা বুঝেই পাও না কেন সরকারী গল্পগুলো এত দুর্বল হয়

/ শিক্ষিকা বলেন, ‘আমি আমার বিভাগের একটি কর্মশালার কাজে ছুটির দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছিলাম। আকিবও তাঁর ব্যক্তিগত কাজে এসেছিলেন। হঠাৎ দেখা হয়ে যাওয়ায় তাঁর সঙ্গে এখানে আসি। আমাদের একটি যৌথ গবেষণাকাজ অসমাপ্ত ছিল। সেটি শেষ করা নিয়ে আমাদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হচ্ছিল। এমন সময় আকিবের স্ত্রী চলে আসেন। এর আগেও একই ঘটনা ঘটেছিল বলে তিনি জানান। /
দেশের অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয় এর অ্যাডুকেশনাল অ্যান্ড কাউন্সেলিং সাইকোলজি বিভাগের প্রভাষক এক শিক্ষকের কক্ষে তালাবদ্ধ অবস্থায় আবিষ্কৃত হওয়ার পরে দেয়া গল্পে যদি ক্রিয়েটিভিটির এই অবস্থা হয় তাহলে ছাত্র-ছাত্রীর কী অবস্থা?
/ এর আগে গত ৫ আগস্ট দুজনকে একই কক্ষে পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেছিলেন আকিবের স্ত্রী। বিষয়টি নিশ্চিত করে মনোবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নাসরীন ওয়াদুদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে আকিবকে বিষয়টি বুঝিয়েছি। তিনি যেন ওই শিক্ষিকা থেকে নিজেকে ফিরিয়ে নেন। কারণ তার একটি বাচ্চাও রয়েছে।’/
মনোবিজ্ঞানের প্রধান মনোবিজ্ঞানের শিক্ষককে দীর্ঘদিন বুঝিয়েও কিছু করতে পারছেন না। পারবেন কীভাবে? ওই বিভাগেরই অন্য শিক্ষক এই প্রথম আলোতেই পাঠক প্রশ্নের উত্তরে বলেন, কাউকে ভালো লাগতেই পারে। যাকে ভালো লাগে তার কাছে যাওয়া তো দোষের কিছু নয়।
বিবাহিত একজন পুরুষ যদি অন্য কোনো মহিলার সাথে ব্যভিচাররত অবস্থায় ধরা পড়ে এবং যদি তার চারজন সাক্ষী থাকে তবে শাস্তি কোমর পর্যন্ত মাটিতে পুঁতে পাথর নিক্ষেপ করে হত্যাকাণ্ড।
পরকীয়া এমনই ভয়ংকর একটা পাপ, অপরাধ যারা শাস্তি মানুষ খুনের চেয়েও ভয়াবহ।
কেন?
কারণ একজন মানুষ খুন হলে মারা যায় একজন মানুষ। আর পরকীয়াতে খুন হয় দুটো পরিবার। মারা যায় সমাজের বিবেক।
যারা পরকীয়ার গল্প লেখে, পড়ে, সেগুলো নিয়ে নাটক, সিনেমা বানায়, দেখে – এরা সবাই অসুস্থ। মানসিকভাবে তীব্র অসুস্থ।
এই অসুস্থতা থেকে নিজেকে এবং পরিবারকে রক্ষা করুন।
কোনো পাপকে সহজভাবে নিলে সমাজে সেই পাপ সহজলভ্য হয়ে যাবে।
Discover more from ইসলামিক অনলাইন মিডিয়া
Subscribe to get the latest posts sent to your email.






