আরো দেখুন...

৩ Comments

  1. 2

    মুশফিক

    এ বইটি ইসলামী বই জগতের সবচেয়ে বেশি জাল এবং সঠিক তথ্যের বই। অর্থাৎ প্রচুর পরিমাণ জাল দলিল আছে। পড়লেই বিভ্রান্তির কপালে পরবেন। জনগণকে জানা প্রয়োজন যে রাসুলুল্লাহ স. প্রাথমিক অবস্থায় যেভাবে নামায পরতেন তিনি শেষ দিকে সেভাবে নামায পড়েন নি। আর মজার বিষয় হলো যে গালিব ভাই সে ব্যপারটা জানলেও তাদের পশ্রয় দিয়েছেন এ বইতে। এছাড়াও তিনি সালাতের ব্যপারে গোরামীরই পরিচয় দিয়েছেন এ বইতে। আবদুল্লাহ জাহাঙ্গীর স্যারের বইগুলো এবং “নবীজীর নামায- ড. শাইখ মুহাম্মদ ইলিয়াস ফয়সাল” বইটি পড়তে পারেন ৷আর একটা তথ্য অবশ্যই জানা জরুরি সালাত সম্পর্কিত বিষয়ে সহিহ বই নেই। তবে সবচেয়ে বেশি সহিহ দলিল পাবেন হানাফি ও শাফী মাযহাবে। বলে রাখা ভাল যে ইমাম আবু হানিফার অনেক পরে ইমাম বুখারী এসেছেন। সংকলকদের মধ্যে ইমাম আবু হানীফা ইসলামের ব্যপারগুলো যতটুকু দেখেছেন তা ইমাম বুখারী ততটুকু দেখেন নি। আমরা জানি এবং এটাই সত্য যে ইমাম বুখারীর হাদিসগ্রন্থ সহিহ। ইমাম হানীফা তো হাদিস গ্রন্থ তৈরি করেন নি তাই বিশ্বের ১০-১৫% আলেমদের মতে তিনি সঠিক না। আর এসকল আলেমরা যেহেতু বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে আছেন সুতরাং আধুনিক ছাত্রদের মনে তারা বেশি প্রভাব খাটান। আর তাদের ভুল পথে পাঠাতে ভূমিকা রাখেন। তো সবাইকে সচেতন হতে হবে। আপনি মাযহাবে থাকুন। চারটি মাযহাবের একটিতে। আহলে হাদিস ভালো উদ্দেশ্য নিলেও তারা ইসলামের বিষয় গুলোতে বিভ্রান্তি তৈরি করছে। তাই সবাই সাবধান।

    Reply
    1. 2.1

      ওবাইদুল্লাহ

      ভাই মুশফিক, আপনার তথ্য সঠিক হলে সঠিক আমলের জন্য উত্তম প্রতিদান পাবেন আর আপনার কথার দ্বারা কেউ সঠিক আমল থেকে দূরে থাকলে তাহলে তার প্রতিদানও পরকালে আপনি পাবেন। আমরা সাধারণরা আপনাদের কথা মেনে চলার চেষ্টা করি তাই লেখলাম।

      Reply

মন্তব্য করুন

অনুগ্রহপূর্বক ইসলামিক অনলাইন মিডিয়া‘র মন্তব্যের নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন। আপনার ই-মেইল ঠিকানা গোপন থাকবে। নামই-মেইল আবশ্যক।

© ২০১১-১৮ ইসলামিক অনলাইন মিডিয়া