Download App
Domain/Hosting
Bangla InfoHub

আরো দেখুন...

31 টি মন্তব্য

  1. 17

    Md.Bazlur rahman khan

    আমরা আনেকেই জানি এবং প্রায় সব ইসলামি ঐতিহাসিক গন বলেছেন যে, মুহাম্মদ (রাঃ) জীবিত থাকা কালিন কোরআন শরীফ পুস্তক আকারে সংকলন করে যান নি । তখন কিছু আয়াত গাছের পাতা, পাথর, পশুর চামড়া ইত্যাদিতে লিখিত ছিল।
    কিন্তু হাফেজগন এর কোরআন মুখস্ত ছিল ।

    খলিফা আবু বকর (রাঃ) এর সময়, রিদ্দা বা ধর্মত্যাগি যুদ্ধে যখন প্রায় ৩০০ হাফেজ শহীদ হন, তখন উমর (রাঃ) খলিফা আবু বকর কে অনুরোধ করেন কোরআন শরীফ কে পুস্তক আকারে সংকলন করার জন্য। কিন্তু খলিফা আবু বকর সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেন এই বলে, “যে কাজ রাসুলুল্লাহ করেন নি, সেই কাজ আমি করতে পারবো না “।

    পরবর্তীতে খলিফা উমর (রাঃ) কোরআন শরীফ বই আকারে সংকলন করেন।
    কিন্তু আমরা সবাই জানি, হেরা পর্বতের গুহায় সর্ব প্রথম যে ওহি বা আয়াত নাযেল হয়, তা হলো ” ইকরা বিসমিরাব্বি “।
    কিন্তু এই আয়াতটি কোরআন শরীফের প্রথমেে নেই ।
    প্রথম নাযেল হওয়া আায়াত কোরআনের মাঝখানে নিয়ে গেল কারা, কিভাবে? কোরআন পরিবর্তনের এই ক্ষমতাই বা রাসুলুল্লাহর মৃত্যুর পরে কে তাদের দিল?
    মোঃবজলুর রহমান খান।
    টাঙ্গাইল।

    Reply
  2. 16

    S M Afridi hasan

    জসীম উদ্দীন সাহেব আপনার কথা শুনে মন্তব্য না করে পারছি না। আবু বকর রাঃ কে মানলে বেদ্বীন হবে আলী রাঃ কে মানলে দীনদার হবে। একজনকে বাদ দিলেই তো বেদ্বীন হবেন। কারণ নবিজী আবু বকর রাঃ কে কতটা ভালোবাসতেন তা কি ভুলে গোছেন। তার মর্যাদা কি ভুলে গেছেন। আপনার কথা বুঝলাম অাপনারা অতি আলী রাঃ ভক্ত। ইসলামে থাকতে হলে তো দুজনকেই মানা উচিত।

    Reply
  3. 15

    মোহাম্মাদ আহসান হাবিব

    https://d1.islamhouse.com/data/bn/ih_books/single2/bn_kotipoy_prosno_ja_shia_jubokder_sotter_dike_dhabito_koreche.pdf

    আশা করি, উপরোল্লেখিত বইটা ডাউনলোড করে একটু মনোযোগ সহকারে সময় নিয়ে পুরোটা পড়বেন। এখানে মনগড়া কোন অভিযোগ নেই। সব বিষয়ে রেফারেন্সসহ আলোচনা করা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে সরল ও সঠিক পথ প্রদর্শন করুন। আমিন।

    Reply
  4. 14

    মো: জসিম উদ্দিন

    আলহাজ্জ ড. মো. সামিউল হক ও শেখ আবুল ফজল ভাই কে ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করবো না। কারণ আপনারা যে সত্য তুলে ধরেছেন এই সত্য বানিগুলো নামধারী অনেক মসুলমানেরা বিশ্বাস করতে চায়। তাই আপনাদের দলিল সম্বলিত তথ্যদি দিয়ে আবু উসাইদ সায়েবকে ভাল করে বুঝিয়ে দিবেন যে সত্য ইসলাম কি জিনিস।

    Reply
  5. 13

    মো: জসিম উদ্দিন

    রাজপথের লড়াকু সৈনিক নামের ব্যক্তি যে মন্তব্য করেছেন আপনি কি আসলে ইসলামের সঠিক ও চরম সত্য থেকে অনেক অনেক দূরে আছেন ভাই, আপনাকে বলবো সত্য জানেন তার পর মন্তব্য করেনে। আপনি জানেন রাসূল (সা:) এর ওফাতের পর তার আহলে বায়াতের সাথে কি আচারন করেছেন ঔ নাম ধারী প্রথম তিন খলিফা, যার ফলস্বরুপ কারবালার মত মরমান্তিক ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। শুধু একটা ঘটণার সারমর্ম আপনাকে জানাচ্ছি; হযরত মা ফাতেমা (রা:) কে রাসূল (সা:) বাগে ফিদাক নাম খেজুরের বাগানটি উপহার হিসাবে দান করেছিলেন এবং সেই বাগে ফিদাক এর উর্পাজন দিয়ে মা ফাতেমা (আ:) এর ছোট সংসার চালাতেন। কিন্তু দু:খের বিষয় হলো সেই বাগে ফিদাক নামক খেজুরের বাগানটি নাম ধারী ঔ খলিফাগণ নাম এবং নাম ধারী অতিমসুলমানেরা কেরে নেয়, যার কারণে জান্নাতের সম্রাগী ফাতেমাতুজ্জহুরা নবী নন্দীনি, হযরত মাওলা আলী (রা:)এর স্ত্রী এবং জান্নাতের যুবগদের সরদার হযরত হাসান (রা:) ও হযরত হুসাইন (রা:)এর মাতা অশ্রুসিক্ত নয়নে খলিফার দরবার ত্যাগ করেন এবং অশ্রুসিক্ত নয়নে ভাক্রান্ত কণ্ঠে বলছিলেন তোমাদের মধ্যে কি? একজনও আমার আব্বাজানের উম্মত নেই যে আমার কষ্ট বুঝবে?। এতে প্রমাণ হয় না? যে তারা কত বড় পথভুষ্ঠতায় পরিনতা হয়েছিলেন। রেফারেন্স (জেনে রাখো ইতিহাস (হযরত শাহ্‌ মতিউল হক ওয়ায়েছি রা:) এবং কারবালার রক্তে সত্যের বিজয়; (হাফেজ মাওলানা হযরত শাহ্‌ মোহাম্মদ মিত্‌হার আলী খন্দকার ওয়ায়েছি রা:) আরো অনেক সত্য ইতিহাস আছে যা মুয়াবিয়া ও ইয়াজিদী ইসলামের দাপটে পিষ্ঠ হয়ে আছো আজো! কিন্তু সত্য একেবারে মুছে ফেলা যায় তা একটু একটু করে কিয়ামতের আকপযন্ত চলে আসবে।

    Reply
    1. 13.1

      মো: জসিম উদ্দিন

      আবু উসাইদ সায়েব এর আলোচনায় এবং আলহাজ্জ ড. মো. সামিউল হক ভাই এর আলোচনার মাঝে খুজে পাবেন কে কাফির আর কে মুনাফেক। আবু উসাইদ তার মন গড়া আলোচনা এবং মুয়াবিয়া ও তার কুপুত্র ইয়াজিদের শিক্ষায় শিক্ষিত তাই তার আলোচনায় কোন দলিল নেই। আর ভাই আলহাজ্জ ড. মো. সামিউল হক এর আলোচনা দলিল সম্মবলিত ও চিরো সত্য তাই তার আলোচনায় কুআরনের রেফারেন্স ও সহি হাদিস দ্বারা সুস্বজিত। তাই মুমিন মসুলমানদের প্রতি আমার আকুন আবেদন সঠিক ইসলামকে বাচানোর জন্য তথ্য ও দলিল সম্মবলিত আলোচনায় আকিষ্ঠ হন তথ্য ও দলিল ছাড়া মন গড়া মুয়াবিয়া ও তার কুপুত্র ইয়াজিদের রচিত গল্প পড়ে পথভুষ্ঠ হবেন না। আল্লাহ যেন সবাইকে সত্য ইসলাম বুঝার তফিক দান করেন আমিন।

      Reply
  6. 12

    আলহাজ্জ ড. মো. সামিউল হক

    যারাই শিয়াদের বিরোধিতা করে তারা হয় ওয়াবি নতুবা ইহুদি

    Reply
    1. 12.2

      মো: জসিম উদ্দিন

      উপরের ভদ্রলোক যেভাবে আলোচনা ও যুক্তি দেখাইলেন তাতে মাবিয়ার কুটকৌশল, ইয়াজিদের ইসলাম বিরোধী কর্মকান্ড ও হারামীপানাকে হারমানিয়েছে ১০০% আল্লাহ যেন আপনাকের এই ইয়াজিদ পন্থি ইসলামকে বুঝার তৌফিক দান করেন।

      Reply
      1. 12.2.1

        মো: জসিম উদ্দিন

        আমার ক্ষুদ্রজ্ঞানের আল্লাহুতালার পছন্দনিও কিছু ছন্দে সাজানো কথা
        মাওলায়েত
        নবীর কথা ভুলে যারা মানলো আবু বকরকে,
        বেদ্বীনও হইলো তারা খুমে গাদিরে।
        না মানিয়া মাওলা আলীরে,
        ইমানদারও হইলো কাফের গাদিরে খুমে।
        নবীর বাক্য ছেড়ে যারা মানলো আবু বকরকে,
        মুনাফেকও হইলো তারা ঈদে গাদিরে।
        বেমালুম সব ভুলে গেছে হায়রে মুসলমানে,
        ইসলাম পরিপূর্ণ হইলো যেখানে।
        দয়াল নবী নিগূঢ় এক ভাষণ দিলেন এইখানে,
        শয়া লক্ষ মুসলমানের উপস্থিতিতে।
        কিভাবে চলবে ইসলাম শান্তির বানি হয়ে,
        ভব তরী নূহের জাহাজ রূপে।
        মাওলা আলী এই তরণীর কাণ্ডারী হলে।
        আল্লাহুর নির্দেশে মাওলায়েত,
        দান করিলেন নবীজি হযরত আলীরে।
        তখনি মননীত র্ধম পরিপূর্ণ ইসলাম,
        ঘোষণা আসলো কোর-আনে।
        আল্লাহুর নির্দেশে নবীজি করলেন ঘোষণা,
        “আমি যাদের মাওলা,
        হযরত আলীও তাদের মাওলা,
        আমি যদি জ্ঞানের শহর হই, আলী তার দরজা”।
        স্বজন প্রিতির বশে তিনি বলেন নাই কোন কথা,
        আল্লাহুর হুকুমতে সব হয়েছে ঘোষণা।
        আমি কি আর গাইতে পারি হযরত আলীর সান ও মান,
        যার সান গাইতে নবী ক্ষদে পেরেষান।
        যে না মানিলো হযরত আলীরে,
        সর্ব নিকৃষ্ট মানুষ সে এই দুনিয়াতে।

        Reply
  7. 11

    আলহাজ্জ ড. মো. সামিউল হক

    প্রিয় মুমিন-মুসলমান ভাই-বোনেরা। আপনাদের কাছে অনুরোধ মতামতটি আরেকবার পড়ুন:
    আসসালামু আলাইকুম। শুভেচ্ছা ইসলামিক অনলাইন মিডিয়া।
    (শিয়া মতবাদঃ ইসলামের নামে ভয়ংকর বিশ্বাস ও মুনাফেকি) নামে যে মতবাদটি আপনারা ইন্টারনেট এর মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন আপনারা কি জানেন? এর মধ্যে যে সমস্ত বিষয়গুলি আপনারা উল্লেখ করেছেন বা আপনাদের মন গড়া অনেক কথা ও এখানে বলেছেন যেটা দলিল ছাড়াই। আর যেটা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে বিবেচিত। প্রথমে এটা বলি শিয়া শব্দের অর্থ কি? দল বা গোত্র। আপনারা শিয়া নামে যে বিভ্রান্তি মুলক কথা গুলি লিখেছেন এগুলি সমস্ত চাপ বা দায় আপনাদের উপর আসতে পারে? আপনি যদি হানাফি কে অনুসরন করেন আপনি হানাফি শিয়া, হাম্বালি, শাফেয়ী, মালেকি তথাপি আপনি তাদের শিয়া। যদি আবু বাকার কে বা উমরকে বা উসমান কে, বা মুয়াবিয়াকে বা ইয়াজিদকে অনুসরন করেন আপনি তাদের শিয়া। আর কেউ যদি রাসুল (সাঃ) ও তার আহলে বায়েতকে অনুসরন করে সে তাদের শিয়া। বলতে গেলে অনেক কথা। যা এভাবে শেষ করা যায় না। শিয়া’র উপর কোরআন মাজিদে কয়েকটি আয়াত আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলামিন নাযিল করেছেন আপনারা জানেন কি? দেখে নিবেন? সূরা আস সাফফাত, আয়াত নং-৮৩। সূরা কাছাছ, আয়াত নং-১৫। সূরা মরিয়ম, আয়াত নং-৬৯। বড় বড় আলীমের কয়েকটি তাফসীর দেখে নিবেন। বুঝতে পারবেন।
    গাদিরে খুমের কথা ও ভুল ব্যাখ্যা দিয়েছেন আপনারা। আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলামিন তার পবিত্র কোরআন মাজিদে সূরা মুমিনুন, আয়াত-৭০ এ বলেছেন আর তাদের অধিকাংশ সত্তকে অপছন্দ করে। সূরা বাকারা, আয়াত-১৪৬ এ আর তাদের মধ্যে একদল সত্তকে জেনেও গোপন করে। সূরা বাকারা, আয়াত-৪২ এ তোমরা সত্তকে মিথ্যার সাথে মিশিয়ে দিও না এবং জেনে শুনে সত্তকে গোপন করো না। নবী আকরাম (সাঃ) বিদায় হজ্জের ময়দানে কোরআন ও ইতরাত (নবীর পরিবার বা আহলে বায়েতকে) অনুসরন করতে বলেছেন। যা সিহা সিত্তাহ ও আন্তর্জাতিক অনেক কিতাবে হাজার হাজার দলিল আছে। প্রথমে, কোরআন মাজিদে আহলে বায়েত সমন্ধে যেটা বলা হয়েছে। সূরা শুরা, আয়াত-২৩। সূরা আহযাব, আয়াত-৩৩। তাফসীর দেখলে স্পষ্ট হয়ে যাবে। কোরআন মাজিদে আহলে বায়েতকে পাক ও পবিত্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
    কয়েকটা দলিল দিলাম দেখে নিবেন আর মিথ্যা প্রচার থেকে দূরে থাকবেন আপনারা।
    সূত্র- সহিহ তিরমিযি, খণ্ড-৬, হাঃ-৩৭৮৬, ৩৭৮৮ (ইঃফাঃ); সহিহ মুসলিম, খণ্ড-৫ম, হাঃ-৬০০৭, ৬০১০ (ইঃফাঃ); মেশকাত, খণ্ড-১১, হাঃ-৫৮৯২-৫৮৯৩, (এমদাদিয়া); তাফসীরে মাজহারি, খণ্ড-২, পৃষ্ঠা-১৮১, ৩৯৩, আল্লামা ছানাউল্লাহ পানিপথি (ইঃফাঃ); তাফসীরে হাক্কানি (মওলানা শামসুল হক ফরিদপুরি), পৃষ্ঠা-১২-১৩ (হামিদিয়া); তাফসীরে নুরুল কোরআন, খণ্ড-৪, পৃষ্ঠা-৩৩ (মওলানা আমিনুল ইসলাম); মাদারেজুন নবুওয়াত (আন্তর্জাতিক বই) খণ্ড-৩, পৃষ্ঠা-১১৫, (শায়খ আহদুল হক মুহাদ্দেছে দেহলভি); সিরাতুন নবী, খণ্ড-২, পৃষ্ঠা-৬০৫, আল্লামা শিবলি নোমানী (তাজ কোং); আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া (আন্তর্জাতিক বই), খণ্ড-৫ম, পৃষ্ঠা-৩৪৫, খণ্ড-৭, পৃষ্ঠা-৬১৬ (ইঃফাঃ);
    এছাড়াও হাজার হাজার দলিল আছে। তাহলে আপনারা জেনে শুনে মিথ্যা প্রচার করতেছেন কেন?
    বারো জন ইমাম নিয়েও আপনারা অনেক বিভ্রান্তি মুলক কথা লিখেছেন যেটা যেটা রাসুল সাঃ এর কথা গুলিকে বা আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলামিনের কথা কে অস্বীকার করেছেন। আপানারা তো শুধু কথাই লিখতে জানেন কিন্তু কোন দলিল দিতে জানেন না। শুধু শুধু সত্তকে গোপন করে মানুষকে বিভ্রান্তি করেন। আপনারা ও পথ ভ্রষ্ট আছেন অন্য দেরকেও আহবান করেতেছেন।
    খলীফা বা ইমাম নির্বাচন আল্লাহ্‌ ও রাসুল কতৃক হয়ে থাকে। খলীফা বা ইমাম সম্পর্কে আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলামিন কোরআন মাজিদের সূরা বাকারা, আয়াত নং-২৪৭ এ উল্লেখ করে দিয়েছেন খলীফা কেমন হবে। সূরা বনি ইসরাইল, আয়াত নং-৭১ ও ৭২।
    নিজেরা নিজেরা বনি সাকিফাতে গেলাম রাসুলের কথা না শুনে ভোট করে আসলাম। খলীফা হয়ে গেল? রাসুল (সাঃ) ইন্তেকাল করলো লাশ মোবারক পড়ে থাকলো ৩ দিন কারো কোন খোঁজ নাই, অবশেষে হযরত আলী (আঃ) দাফন কাফন করাল। আবার তারা খলীফা দাবি করে থাকে নিজেদেরকে? অবুঝের দল। তাই আপনারা অজথা মানুষকে বিভ্রান্ত করবেন না। আর জেনে শুনে সত্তকে গোপন করবেন না। রোজে মাহশারে আপনারা আল্লাহ্‌ ও রাসুল (সাঃ) এর সামনে মুখ দেখাতে পারবেন না। আর কবরের কথা তো বাদই দিলাম (সেটা কবরের মধ্যে টের পাবেন)। অতএব, ইমাম মাহদি (আঃ) এসে কিন্তু কবর থেকে তুলে কতল করবেন।
    আপনারা মানুষের মাঝে মিথ্যা প্রচার করবেন না। তাহলে নবী (সাঃ) এর হাদিস অনুযায়ী মুনাফিক বা কাফিরে পরিনত হয়ে যাবেন।
    সত্য প্রচার করতে সচেষ্ট হন।
    আরো অনেক কথা রয়েছে, কিন্তু বিজ্ঞদের জন্য আরো বেশি লিখে তাদের মাথাব্যাথা সৃষ্টি করতে চাই না।

    Reply

মন্তব্য করুন

© ২০১১-২০ ইসলামিক অনলাইন মিডিয়া