আরো দেখুন...

২০ Comments

  1. 12

    আলহাজ্জ ড. মো. সামিউল হক

    যারাই শিয়াদের বিরোধিতা করে তারা হয় ওয়াবি নতুবা ইহুদি

    Reply
  2. 11

    আলহাজ্জ ড. মো. সামিউল হক

    প্রিয় মুমিন-মুসলমান ভাই-বোনেরা। আপনাদের কাছে অনুরোধ মতামতটি আরেকবার পড়ুন:
    আসসালামু আলাইকুম। শুভেচ্ছা ইসলামিক অনলাইন মিডিয়া।
    (শিয়া মতবাদঃ ইসলামের নামে ভয়ংকর বিশ্বাস ও মুনাফেকি) নামে যে মতবাদটি আপনারা ইন্টারনেট এর মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন আপনারা কি জানেন? এর মধ্যে যে সমস্ত বিষয়গুলি আপনারা উল্লেখ করেছেন বা আপনাদের মন গড়া অনেক কথা ও এখানে বলেছেন যেটা দলিল ছাড়াই। আর যেটা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে বিবেচিত। প্রথমে এটা বলি শিয়া শব্দের অর্থ কি? দল বা গোত্র। আপনারা শিয়া নামে যে বিভ্রান্তি মুলক কথা গুলি লিখেছেন এগুলি সমস্ত চাপ বা দায় আপনাদের উপর আসতে পারে? আপনি যদি হানাফি কে অনুসরন করেন আপনি হানাফি শিয়া, হাম্বালি, শাফেয়ী, মালেকি তথাপি আপনি তাদের শিয়া। যদি আবু বাকার কে বা উমরকে বা উসমান কে, বা মুয়াবিয়াকে বা ইয়াজিদকে অনুসরন করেন আপনি তাদের শিয়া। আর কেউ যদি রাসুল (সাঃ) ও তার আহলে বায়েতকে অনুসরন করে সে তাদের শিয়া। বলতে গেলে অনেক কথা। যা এভাবে শেষ করা যায় না। শিয়া’র উপর কোরআন মাজিদে কয়েকটি আয়াত আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলামিন নাযিল করেছেন আপনারা জানেন কি? দেখে নিবেন? সূরা আস সাফফাত, আয়াত নং-৮৩। সূরা কাছাছ, আয়াত নং-১৫। সূরা মরিয়ম, আয়াত নং-৬৯। বড় বড় আলীমের কয়েকটি তাফসীর দেখে নিবেন। বুঝতে পারবেন।
    গাদিরে খুমের কথা ও ভুল ব্যাখ্যা দিয়েছেন আপনারা। আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলামিন তার পবিত্র কোরআন মাজিদে সূরা মুমিনুন, আয়াত-৭০ এ বলেছেন আর তাদের অধিকাংশ সত্তকে অপছন্দ করে। সূরা বাকারা, আয়াত-১৪৬ এ আর তাদের মধ্যে একদল সত্তকে জেনেও গোপন করে। সূরা বাকারা, আয়াত-৪২ এ তোমরা সত্তকে মিথ্যার সাথে মিশিয়ে দিও না এবং জেনে শুনে সত্তকে গোপন করো না। নবী আকরাম (সাঃ) বিদায় হজ্জের ময়দানে কোরআন ও ইতরাত (নবীর পরিবার বা আহলে বায়েতকে) অনুসরন করতে বলেছেন। যা সিহা সিত্তাহ ও আন্তর্জাতিক অনেক কিতাবে হাজার হাজার দলিল আছে। প্রথমে, কোরআন মাজিদে আহলে বায়েত সমন্ধে যেটা বলা হয়েছে। সূরা শুরা, আয়াত-২৩। সূরা আহযাব, আয়াত-৩৩। তাফসীর দেখলে স্পষ্ট হয়ে যাবে। কোরআন মাজিদে আহলে বায়েতকে পাক ও পবিত্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
    কয়েকটা দলিল দিলাম দেখে নিবেন আর মিথ্যা প্রচার থেকে দূরে থাকবেন আপনারা।
    সূত্র- সহিহ তিরমিযি, খণ্ড-৬, হাঃ-৩৭৮৬, ৩৭৮৮ (ইঃফাঃ); সহিহ মুসলিম, খণ্ড-৫ম, হাঃ-৬০০৭, ৬০১০ (ইঃফাঃ); মেশকাত, খণ্ড-১১, হাঃ-৫৮৯২-৫৮৯৩, (এমদাদিয়া); তাফসীরে মাজহারি, খণ্ড-২, পৃষ্ঠা-১৮১, ৩৯৩, আল্লামা ছানাউল্লাহ পানিপথি (ইঃফাঃ); তাফসীরে হাক্কানি (মওলানা শামসুল হক ফরিদপুরি), পৃষ্ঠা-১২-১৩ (হামিদিয়া); তাফসীরে নুরুল কোরআন, খণ্ড-৪, পৃষ্ঠা-৩৩ (মওলানা আমিনুল ইসলাম); মাদারেজুন নবুওয়াত (আন্তর্জাতিক বই) খণ্ড-৩, পৃষ্ঠা-১১৫, (শায়খ আহদুল হক মুহাদ্দেছে দেহলভি); সিরাতুন নবী, খণ্ড-২, পৃষ্ঠা-৬০৫, আল্লামা শিবলি নোমানী (তাজ কোং); আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া (আন্তর্জাতিক বই), খণ্ড-৫ম, পৃষ্ঠা-৩৪৫, খণ্ড-৭, পৃষ্ঠা-৬১৬ (ইঃফাঃ);
    এছাড়াও হাজার হাজার দলিল আছে। তাহলে আপনারা জেনে শুনে মিথ্যা প্রচার করতেছেন কেন?
    বারো জন ইমাম নিয়েও আপনারা অনেক বিভ্রান্তি মুলক কথা লিখেছেন যেটা যেটা রাসুল সাঃ এর কথা গুলিকে বা আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলামিনের কথা কে অস্বীকার করেছেন। আপানারা তো শুধু কথাই লিখতে জানেন কিন্তু কোন দলিল দিতে জানেন না। শুধু শুধু সত্তকে গোপন করে মানুষকে বিভ্রান্তি করেন। আপনারা ও পথ ভ্রষ্ট আছেন অন্য দেরকেও আহবান করেতেছেন।
    খলীফা বা ইমাম নির্বাচন আল্লাহ্‌ ও রাসুল কতৃক হয়ে থাকে। খলীফা বা ইমাম সম্পর্কে আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলামিন কোরআন মাজিদের সূরা বাকারা, আয়াত নং-২৪৭ এ উল্লেখ করে দিয়েছেন খলীফা কেমন হবে। সূরা বনি ইসরাইল, আয়াত নং-৭১ ও ৭২।
    নিজেরা নিজেরা বনি সাকিফাতে গেলাম রাসুলের কথা না শুনে ভোট করে আসলাম। খলীফা হয়ে গেল? রাসুল (সাঃ) ইন্তেকাল করলো লাশ মোবারক পড়ে থাকলো ৩ দিন কারো কোন খোঁজ নাই, অবশেষে হযরত আলী (আঃ) দাফন কাফন করাল। আবার তারা খলীফা দাবি করে থাকে নিজেদেরকে? অবুঝের দল। তাই আপনারা অজথা মানুষকে বিভ্রান্ত করবেন না। আর জেনে শুনে সত্তকে গোপন করবেন না। রোজে মাহশারে আপনারা আল্লাহ্‌ ও রাসুল (সাঃ) এর সামনে মুখ দেখাতে পারবেন না। আর কবরের কথা তো বাদই দিলাম (সেটা কবরের মধ্যে টের পাবেন)। অতএব, ইমাম মাহদি (আঃ) এসে কিন্তু কবর থেকে তুলে কতল করবেন।
    আপনারা মানুষের মাঝে মিথ্যা প্রচার করবেন না। তাহলে নবী (সাঃ) এর হাদিস অনুযায়ী মুনাফিক বা কাফিরে পরিনত হয়ে যাবেন।
    সত্য প্রচার করতে সচেষ্ট হন।
    আরো অনেক কথা রয়েছে, কিন্তু বিজ্ঞদের জন্য আরো বেশি লিখে তাদের মাথাব্যাথা সৃষ্টি করতে চাই না।

    Reply
  3. 10

    আলহাজ্জ ড. মো. সামিউল হক

    আসসালামু আলাইকুম। শুভেচ্ছা ইসলামিক অনলাইন মিডিয়া।
    (শিয়া মতবাদঃ ইসলামের নামে ভয়ংকর বিশ্বাস ও মুনাফেকি) নামে যে মতবাদটি আপনারা ইন্টারনেট এর মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন আপনারা কি জানেন? এর মধ্যে যে সমস্ত বিষয়গুলি আপনারা উল্লেখ করেছেন বা আপনাদের মন গড়া অনেক কথা ও এখানে বলেছেন যেটা দলিল ছাড়াই। আর যেটা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে বিবেচিত। প্রথমে এটা বলি শিয়া শব্দের অর্থ কি? দল বা গোত্র। আপনারা শিয়া নামে যে বিভ্রান্তি মুলক কথা গুলি লিখেছেন এগুলি সমস্ত চাপ বা দায় আপনাদের উপর আসতে পারে? আপনি যদি হানাফি কে অনুসরন করেন আপনি হানাফি শিয়া, হাম্বালি, শাফেয়ী, মালেকি তথাপি আপনি তাদের শিয়া। যদি আবু বাকার কে বা উমরকে বা উসমান কে, বা মুয়াবিয়াকে বা ইয়াজিদকে অনুসরন করেন আপনি তাদের শিয়া। আর কেউ যদি রাসুল (সাঃ) ও তার আহলে বায়েতকে অনুসরন করে সে তাদের শিয়া। বলতে গেলে অনেক কথা। যা এভাবে শেষ করা যায় না। শিয়া’র উপর কোরআন মাজিদে কয়েকটি আয়াত আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলামিন নাযিল করেছেন আপনারা জানেন কি? দেখে নিবেন? সূরা আস সাফফাত, আয়াত নং-৮৩। সূরা কাছাছ, আয়াত নং-১৫। সূরা মরিয়ম, আয়াত নং-৬৯। বড় বড় আলীমের কয়েকটি তাফসীর দেখে নিবেন। বুঝতে পারবেন।
    গাদিরে খুমের কথা ও ভুল ব্যাখ্যা দিয়েছেন আপনারা। আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলামিন তার পবিত্র কোরআন মাজিদে সূরা মুমিনুন, আয়াত-৭০ এ বলেছেন আর তাদের অধিকাংশ সত্তকে অপছন্দ করে। সূরা বাকারা, আয়াত-১৪৬ এ আর তাদের মধ্যে একদল সত্তকে জেনেও গোপন করে। সূরা বাকারা, আয়াত-৪২ এ তোমরা সত্তকে মিথ্যার সাথে মিশিয়ে দিও না এবং জেনে শুনে সত্তকে গোপন করো না। নবী আকরাম (সাঃ) বিদায় হজ্জের ময়দানে কোরআন ও ইতরাত (নবীর পরিবার বা আহলে বায়েতকে) অনুসরন করতে বলেছেন। যা সিহা সিত্তাহ ও আন্তর্জাতিক অনেক কিতাবে হাজার হাজার দলিল আছে। প্রথমে, কোরআন মাজিদে আহলে বায়েত সমন্ধে যেটা বলা হয়েছে। সূরা শুরা, আয়াত-২৩। সূরা আহযাব, আয়াত-৩৩। তাফসীর দেখলে স্পষ্ট হয়ে যাবে। কোরআন মাজিদে আহলে বায়েতকে পাক ও পবিত্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
    কয়েকটা দলিল দিলাম দেখে নিবেন আর মিথ্যা প্রচার থেকে দূরে থাকবেন আপনারা।
    সূত্র- সহিহ তিরমিযি, খণ্ড-৬, হাঃ-৩৭৮৬, ৩৭৮৮ (ইঃফাঃ); সহিহ মুসলিম, খণ্ড-৫ম, হাঃ-৬০০৭, ৬০১০ (ইঃফাঃ); মেশকাত, খণ্ড-১১, হাঃ-৫৮৯২-৫৮৯৩, (এমদাদিয়া); তাফসীরে মাজহারি, খণ্ড-২, পৃষ্ঠা-১৮১, ৩৯৩, আল্লামা ছানাউল্লাহ পানিপথি (ইঃফাঃ); তাফসীরে হাক্কানি (মওলানা শামসুল হক ফরিদপুরি), পৃষ্ঠা-১২-১৩ (হামিদিয়া); তাফসীরে নুরুল কোরআন, খণ্ড-৪, পৃষ্ঠা-৩৩ (মওলানা আমিনুল ইসলাম); মাদারেজুন নবুওয়াত (আন্তর্জাতিক বই) খণ্ড-৩, পৃষ্ঠা-১১৫, (শায়খ আহদুল হক মুহাদ্দেছে দেহলভি); সিরাতুন নবী, খণ্ড-২, পৃষ্ঠা-৬০৫, আল্লামা শিবলি নোমানী (তাজ কোং); আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া (আন্তর্জাতিক বই), খণ্ড-৫ম, পৃষ্ঠা-৩৪৫, খণ্ড-৭, পৃষ্ঠা-৬১৬ (ইঃফাঃ);
    এছাড়াও হাজার হাজার দলিল আছে। তাহলে আপনারা জেনে শুনে মিথ্যা প্রচার করতেছেন কেন?
    বারো জন ইমাম নিয়েও আপনারা অনেক বিভ্রান্তি মুলক কথা লিখেছেন যেটা যেটা রাসুল সাঃ এর কথা গুলিকে বা আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলামিনের কথা কে অস্বীকার করেছেন। আপানারা তো শুধু কথাই লিখতে জানেন কিন্তু কোন দলিল দিতে জানেন না। শুধু শুধু সত্তকে গোপন করে মানুষকে বিভ্রান্তি করেন। আপনারা ও পথ ভ্রষ্ট আছেন অন্য দেরকেও আহবান করেতেছেন।
    খলীফা বা ইমাম নির্বাচন আল্লাহ্‌ ও রাসুল কতৃক হয়ে থাকে। খলীফা বা ইমাম সম্পর্কে আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলামিন কোরআন মাজিদের সূরা বাকারা, আয়াত নং-২৪৭ এ উল্লেখ করে দিয়েছেন খলীফা কেমন হবে। সূরা বনি ইসরাইল, আয়াত নং-৭১ ও ৭২।
    নিজেরা নিজেরা বনি সাকিফাতে গেলাম রাসুলের কথা না শুনে ভোট করে আসলাম। খলীফা হয়ে গেল? রাসুল (সাঃ) ইন্তেকাল করলো লাশ মোবারক পড়ে থাকলো ৩ দিন কারো কোন খোঁজ নাই, অবশেষে হযরত আলী (আঃ) দাফন কাফন করাল। আবার তারা খলীফা দাবি করে থাকে নিজেদেরকে? অবুঝের দল। তাই আপনারা অজথা মানুষকে বিভ্রান্ত করবেন না। আর জেনে শুনে সত্তকে গোপন করবেন না। রোজে মাহশারে আপনারা আল্লাহ্‌ ও রাসুল (সাঃ) এর সামনে মুখ দেখাতে পারবেন না। আর কবরের কথা তো বাদই দিলাম (সেটা কবরের মধ্যে টের পাবেন)। অতএব, ইমাম মাহদি (আঃ) এসে কিন্তু কবর থেকে তুলে কতল করবেন।
    আপনারা মানুষের মাঝে মিথ্যা প্রচার করবেন না। তাহলে নবী (সাঃ) এর হাদিস অনুযায়ী মুনাফিক বা কাফিরে পরিনত হয়ে যাবেন।
    সত্য প্রচার করতে সচেষ্ট হন।

    Reply
  4. 9

    Abdul Mannan

    এক মুসলমান আরেক মুসলমানের ভাই । একজন কম জানলে অপর জন ভুল ধরিয়ে দিন ।কারণ কোরআন হাদিস সামনে রয়েছে ।আল্লাহ এক , শেষ নবী ও রাসুল এক জন ।কেয়ামত পযন্ত আর কোন নবী আসবেনা ।সবাই সৎ পথে চলার চেষ্টা করি ।

    Reply
  5. 8

    Ali Afzal

    সম্পাদক ভাইয়ের প্রতি অনুরোধ শেখ আবুল ফজল ভাইয়ের যুক্তি খন্ডন করে একটি পোস্ট দেওয়া শিয়ারা মুসলিম কিনা ?

    Reply
    1. 8.1

      আলহাজ্জ ড. মো. সামিউল হক

      সর্বদাই শিয়াদের বিরুদ্ধে খোড়া যুক্তি উত্থাপিত হয়ে থাকে, ঠিক যেরূপ হযরত আলী ও ইমাম হোসাইনের বিরুদ্ধে মুয়াবিয়া ও ইয়াজিদ খোড়া যুক্তি উত্থাপন করেছিল।

      Reply
  6. 7

    md:ismail ahmed

    আল্লাহ্‌ মহান,আল্লাহ্‌ সবকিছুর মালিক
    কে শিয়া আর কে সুন্নি, এই বিষয়ে আমাদের
    মধ্যে ঝগড়া বিভাদ না করে আমাদের একটাই
    মতভাদ:: লাইলাহ্ ইল্লাল্লাহ মুহাম্মদ রসুলুল্লাহ

    Reply
    1. 7.1

      আলহাজ্জ ড. মো. সামিউল হক

      ধন্যবাদ

      Reply
  7. 6

    কাজী মোঃ নুরুল করিম

    শেখ আবুল ফজল ভাইয়ের মন্তব্য পড়ে বিপদে পড়ে গেলাম। কোনটা যে সত্য রাব্বুল আলামিন ভালো জানেন। সম্পাদক ভাইয়ের প্রতি অনুরোধ শেখ আবুল ফজল ভাইয়ের যুক্তি খন্ডন করে একটি পোস্ট দেওয়া শিয়ারা মুসলিম কিনা ?

    Reply
  8. 5

    প্রান্ত

    মন্তব্য…অনেক কিছু জানতে পারলাম।ধন্যবাদ

    Reply
  9. 4

    মোঃ আরিফুল হক

    মন্তব্য…পরম করুনাময় আল্লাহর ননামে শুরু ককরছি।
    আসসালা মু আলাইকুম,
    সর্বপ্রথম আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ শীয়া সম্প্রদায় সম্পর্কে উল্লেখযোগ্য তথ্য সেয়ার করার জন্য।
    অনেকে বলে থাকে শীয়া মুসলমান বা ইসলাম এ দুটি সম্প্রদায় শীয়া ও সুন্নি। আমি এর ত্রিব্র নিন্দা জানাই। ইসলামের ঐক্য বিনস্টকারী, মিথ্যা ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত কোনো মতবাদ কিভাবে ইসলামের অন্তর্গত হতে পারে?
    ইসলাম একটি মাত্র সত্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত
    তা হল,
    “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলউল্লাহ”
    এর বাহিরে সবই ফেইক, মনগড়া।

    Reply
  10. 2

    রাজপথের লড়াকু সৈনিক

    শিয়ারা তিন খলিফা সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করে থাকে।শিরক,কুফর,বিদআত,ও প্রথা ইসলামের সাথে যুক্ত করে তা ধর্মীয় জ্ঞানে পালন করে থাকে।

    Reply
  11. 1

    শেখ আবুল ফজল

    আসসালামু আলাইকুম। শুভেচ্ছা ইসলামিক অনলাইন মিডিয়া।
    (শিয়া মতবাদঃ ইসলামের নামে ভয়ংকর বিশ্বাস ও মুনাফেকি) নামে যে মতবাদটি আপনারা ইন্টারনেট এর মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন আপনারা কি জানেন? এর মধ্যে যে সমস্ত বিষয়গুলি আপনারা উল্লেখ করেছেন বা আপনাদের মন গড়া অনেক কথা ও এখানে বলেছেন যেটা দলিল ছাড়াই। আর যেটা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে বিবেচিত। প্রথমে এটা বলি শিয়া শব্দের অর্থ কি? দল বা গোত্র। আপনারা শিয়া নামে যে বিভ্রান্তি মুলক কথা গুলি লিখেছেন এগুলিভ সমস্ত চাপ বা দায় আপনাদের উপর আসতে পারে? আপনি যদি হানাফি কে অনুসরন করেন আপনি হানাফি শিয়া, হাম্বালি, শাফেয়ী, মালেকি তথাপি আপনি তাদের শিয়া। যদি আবু বাকার কে বা উমরকে বা উসমান কে, বা মুয়াবিয়াকে বা ইয়াজিদকে অনুসরন করেন আপনি তাদের শিয়া। আর কেহ যদি রাসুল (সাঃ) ও তার আহলে বায়েতকে অনুসরন করে সে তাদের শিয়া। বলতে গেলে অনেক কথা। যা এভাবে শেষ করা যায় না। শিয়া’র উপর কোরআন মাজিদে কয়েকটি আয়াত আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলামিন নাযিল করেছেন আপনারা জানেন কি? দেখে নিবেন? সূরা আস সাফফাত, আয়াত নং-৮৩। সূরা কাছাছ, আয়াত নং-১৫। সূরা মরিয়ম, আয়াত নং-৬৯। বড় বড় আলীমের কয়েকটি তাফসীর দেখে নিবেন। বুঝতে পারবেন।
    গাদিরে খুমের কথা ও ভুল ব্যাখ্যা দিয়েছেন আপনারা। আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলামিন তার পবিত্র কোরআন মাজিদে সূরা মুমিনুন, আয়াত-৭০ এ বলেছেন আর তাদের অধিকাংশ সত্তকে অপছন্দ করে। সূরা বাকারা, আয়াত-১৪৬ এ আর তাদের মধ্যে একদল সত্তকে জেনেও গোপন করে। সূরা বাকারা, আয়াত-৪২ এ তোমরা সত্তকে মিথ্যার সাথে মিশিয়ে দিও না এবং জেনে শুনে সত্তকে গোপন করো না। নবী আকরাম (সাঃ) বিদায় হজ্জের ময়দানে কোরআন ও ইতরাত (নবীর পরিবার বা আহলে বায়েতকে) অনুসরন করতে বলেছেন। যা সিহা সিত্তাহ ও আন্তর্জাতিক অনেক কিতাবে হাজার হাজার দলিল আছে। প্রথমে, কোরআন মাজিদে আহলে বায়েত সমন্ধে যেটা বলা হয়েছে। সূরা শুরা, আয়াত-২৩। সূরা আহযাব, আয়াত-৩৩। তাফসীর দেখলে স্পষ্ট হয়ে যাবে। কোরআন মাজিদে আহলে বায়েতকে পাক ও পবিত্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
    কয়েকটা দলিল দিলাম দেখে নিবেন আর মিথ্যা প্রচার থেকে দূরে থাকবেন আপনারা।
    সূত্র- সহিহ তিরমিযি, খণ্ড-৬, হাঃ-৩৭৮৬, ৩৭৮৮ (ইঃফাঃ); সহিহ মুসলিম, খণ্ড-৫ম, হাঃ-৬০০৭, ৬০১০ (ইঃফাঃ); মেশকাত, খণ্ড-১১, হাঃ-৫৮৯২-৫৮৯৩, (এমদাদিয়া); তাফসীরে মাজহারি, খণ্ড-২, পৃষ্ঠা-১৮১, ৩৯৩, আল্লামা ছানাউল্লাহ পানিপথি (ইঃফাঃ); তাফসীরে হাক্কানি (মওলানা শামসুল হক ফরিদপুরি), পৃষ্ঠা-১২-১৩ (হামিদিয়া); তাফসীরে নুরুল কোরআন, খণ্ড-৪, পৃষ্ঠা-৩৩ (মওলানা আমিনুল ইসলাম); মাদারেজুন নবুওয়াত (আন্তর্জাতিক বই) খণ্ড-৩, পৃষ্ঠা-১১৫, (শায়খ আহদুল হক মুহাদ্দেছে দেহলভি); সিরাতুন নবী, খণ্ড-২, পৃষ্ঠা-৬০৫, আল্লামা শিবলি নোমানী (তাজ কোং); আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া (আন্তর্জাতিক বই), খণ্ড-৫ম, পৃষ্ঠা-৩৪৫, খণ্ড-৭, পৃষ্ঠা-৬১৬ (ইঃফাঃ);
    এছাড়াও হাজার হাজার দলিল আছে। তাহলে আপনারা জেনে শুনে মিথ্যা প্রচার করতেছেন কেন?
    বারো জন ইমাম নিয়েও আপনারা অনেক বিভ্রান্তি মুলক কথা লিখেছেন যেটা যেটা রাসুল সাঃ এর কথা গুলিকে বা আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলামিনের কথা কে অস্বীকার করেছেন। আপানারা তো শুধু কথাই লিখতে জানেন কিন্তু কোন দলিল দিতে জানেন না। শুধু শুধু সত্তকে গোপন করে মানুষকে বিভ্রান্তি করেন। আপনারা ও পথ ভ্রষ্ট আছেন অন্য দেরকেও আহবান করেতেছেন।
    খলীফা বা ইমাম নির্বাচন আল্লাহ্‌ ও রাসুল কতৃক হয়ে থাকে। খলীফা বা ইমাম সম্পর্কে আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলামিন কোরআন মাজিদের সূরা বাকারা, আয়াত নং-২৪৭ এ উল্লেখ করে দিয়েছেন খলীফা কেমন হবে। সূরা বনি ইসরাইল, আয়াত নং-৭১ ও ৭২।
    নিজেরা নিজেরা বনি সাকিফাতে গেলাম রাসুলের কথা না শুনে ভোট করে আসলাম। খলীফা হয়ে গেল? রাসুল (সাঃ) ইন্তেকাল করলো লাশ মোবারক পড়ে থাকলো ৩ দিন কারো কোন খোঁজ নাই, অবশেষে হযরত আলী (আঃ) দাফন কাফন করাল। আবার তারা খলীফা দাবি করে থাকে নিজেদেরকে? অবুঝের দল। তাই আপনারা অজথা মানুষকে বিভ্রান্ত করবেন না। আর জেনে শুনে সত্তকে গোপন করবেন না। রোজে মাহশারে আপনারা আল্লাহ্‌ ও রাসুল (সাঃ) এর সামনে মুখ দেখাতে পারবেন না। আর কবরের কথা তো বাদই দিলাম (সেটা কবরের মধ্যে টের পাবেন)। অতএব, ইমাম মাহদি (আঃ) এসে কিন্তু কবর থেকে তুলে কতল করবেন।
    আপনারা মানুষের মাঝে মিথ্যা প্রচার করবেন না। তাহলে নবী (সাঃ) এর হাদিস অনুযায়ী মুনাফিক বা কাফিরে পরিনত হয়ে যাবেন।
    সত্য প্রচার করতে সচেষ্ট হন।

    Reply
    1. 1.1

      সম্পাদক

      ওয়াআলাইকুম আসসালাম। মিথ্যাচার নয়, সঠিক চিত্র উপস্থাপনই আমাদের লক্ষ্য। আপনি যেহেতু শিয়া মতাদর্শে বিশ্বাসী, এ বিষয়ে আপনাকে গভীরভাবে অধ্যায়নের অনুরোধ জানাচ্ছি।

      Reply
      1. 1.1.1

        আলহাজ্জ ড. মো. সামিউল হক

        না এটা ঠিক নয় আপনার সাথে আমি জ্ঞানগত বিতর্ক করতে চাই।

        Reply
      1. 1.2.1

        রায়হান

        ধন্যবাদ @ আবুল ফজলকে।

        Reply

মন্তব্য করুন

অনুগ্রহপূর্বক ইসলামিক অনলাইন মিডিয়া‘র মন্তব্যের নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন। আপনার ই-মেইল ঠিকানা গোপন থাকবে। নামই-মেইল আবশ্যক।

© ২০১১-১৮ ইসলামিক অনলাইন মিডিয়া