আরো দেখুন...

3 Comments

  1. 3

    Abu Ahmed

    নেতিবাচক দৃষ্টি ভঙ্গীতে কোন কিছু কে দেখা ঠিক নয় । আবার অন্ধ ভক্তিও ভাল নয় । আপনাকে বুঝতে হবে কোনটি কোন কাজের জন্য ।

    Reply
  2. 2

    Abu Ahmed

    গৌতম বুদ্ধ কফিলা বস্তু নগরের নিরঞ্জনা নবীর তীরে অশ্বতি বৃক্কের তলে ধ্যান (মেডিটেশান) মগ্ন হয়েছিলেন । আমাদের নবীজি হেরা গোহায় ধ্যান মগ্ন হয়েছিলেন । মুসা (আ) তুর পাহাড়ে ধ্যান মগ্ন হয়ে প্রভুর সাথে কথা বলতেন । ইতিহাস ঘাটলে ধ্যানের ইতিহাস পাওয়া যায় । ধ্যান বা মেডিটেশান হচ্চে মনকে স্তির করা, মনকে নিয়ন্ত্রন করার একটা মাধ্যম । এটা নিষিদ্ধ ঘোষিত কোন বিষয় নয় । তবে মেডিটেশানের লক্ষ্য হচ্চে যতদিন বাচ সুখে বাচ । অর্থাৎ দুনিয়াবি কিছু ফায়দা হাসিল করা । এটা কোন নূতন ধর্ম নহে । এটা ইসলাম ধর্মের বিপরীত ও নয় । বিকল্পও নয় । কোন ধর্মের সাথে এটা তুলনীয় নহে । বিশেষ করে ইসলাম ধর্মের সাথে এটার তুলনা করা উচিত নয় । মেডিটেশন এর উদ্দেশ্য হচ্চে মনকে নিয়ন্ত্রণ করতে শিখা । মনকে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা লাভ করতে পারলে সেই ক্ষমতা টি আপনি ধর্মীয় কাজেও লাগাতে পারবেন । লাভ হল সেটা ।

    Reply
  3. 1

    Abu Ahmed

    মেডিটেশান মানে ধ্যান । মোরাকাবা মানে ধ্যান । তবে মোরাকাবা আর মেডিটেশান এর অর্থ একই হলেও ব্যবহারিক ক্ষেত্রে এবং উদ্দেশ্যে ব্যাপক পার্থক্য আছে । সাধারণ জনগনের জন্য দুনিয়াবী উন্নতির জন্য মেডিটেশন উপকারী । এটা কোন ধর্মের প্রতিদ্বন্ধী নয় । কিন্তু এই মেডিটেশান দিয়ে আপনি আখেরাতের কিছু হাছিল করতে পারবেন না । যা পারবেন তা দুনিয়ার কিছু সাফল্য আপনি অর্জন করতে পারবেন । ইসলাম এই মেডিটেশানের ব্যাপারে কোন নিষেধও করে নাই , আবার সেটাকে ধর্ম বলেও স্বীকৃতি দেয় নাই । এটা মানসিক উন্নতির মাধ্যমে কিছু দুনিয়াবী ফায়দা হাসিল করার মাধ্যম । আপনি যদি কোন ঈমানদার বান্দা হন, আপনি যদি কোন হক্কানী পীরের হাতে বায়েত হওয়া তরিকত পন্থি কোন লোক হন , তাহলে আপনার জন্য মেডিটেশান প্রয়োজন নেই । মেডিটেশান হচ্ছে দুনিয়াদার অসুস্থ ব্যক্তিদের জন্য ।

    Reply

মন্তব্য করুন

© ২০১১-২০ ইসলামিক অনলাইন মিডিয়া