ফেসবুকে আপত্তিকর ছবি নিষিদ্ধ

ফেসবুকে আপত্তিকর পোস্ট, ছবি বা ভিডিও সরানোর দাবি বহুদিন ধরেই উঠছিল নানা প্রান্ত থেকে। এ নিয়ে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের সরকার ও বিভিন্ন সংস্থাও অনেক অনুরোধ জানিয়েছে। কিন্তু কাজ হয়নি। তবে এবার বরফ গলল।
কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ডস হালনাগাদ করেছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। কী পোস্ট করা যাবে আর কী যাবে না- ব্যবহারকারীদের সে দিকনির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ বলেন, ফেসবুক কোনো নীতিমালা বা মানের দিক থেকে পরিবর্তন আনছে না। বরং আরও দিকনির্দেশনা দিচ্ছে ব্যবহারকারীদের। ব্যবহারকারীর দায়িত্বশীলতা রয়েছে, কারণ তারা ফেসবুকের মাধ্যমে আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। আমরা যদি সরকারি আইন মেনে না চলি এবং ফেসবুক বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে লাখো মানুষের কথা বন্ধ হয়ে যাবে। তাই সরকার যে কনটেন্টগুলোকে অবৈধ মনে করবে তা যেকোনোভাবে বন্ধ হবে।
প্রতিষ্ঠানটির গ্লোবাল পলিসি ম্যানেজমেন্টের প্রধান মনিকা বিকার্ট বলেন, ‘স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্ক্যান করে সম্ভাব্য আপত্তিকর কনটেন্ট সরিয়ে ফেলার কোনো পরিকল্পনা ফেসবুকের নেই। এ ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীদের ওপরই নির্ভর করবে কর্তৃপক্ষ। নীতিমালা লংঘনের বিষয়ে ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে অভিযোগ জানাবেন ব্যবহারকারীরা। অভিযোগ পেলে ফেসবুকের রিভিউ টিম তা পরীক্ষা করে দেখবে। তবে এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে। ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সরাসরি হুমকি, ঘৃণিত মন্তব্য ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমের মতো নির্দিষ্ট কনটেন্ট ফেসবুকে পোস্ট করা যাবে না। সন্ত্রাসী গ্রুপের কোনো পোস্ট রাখার বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছে ফেসবুক। সন্ত্রাসী বা জঙ্গি গ্রুপের পক্ষে বা কোনো সন্ত্রাসী দলের নেতার প্রশংসা, সমর্থন দিয়ে পোস্ট করা কনটেন্ট সরিয়ে ফেলবে ফেসবুক। পর্নোগ্রাফি নিষিদ্ধ। প্রতিশোধমূলক বা অনুমতি না নিয়ে প্রকাশ করা ছবি (রিভেঞ্জ পর্নো) ফেসবুকে প্রকাশ করা যাবে না। অবশ্য শিশুর দুধ পানের ছবি, পেইন্টিং, ভাস্কর্যের মতো বিষয়গুলোর ছবি প্রকাশ করা যাবে। আত্মহত্যায় প্ররোচনা বা আহার ব্যাধির প্ররোচনামূলক পোস্ট সরিয়ে ফেলা হবে। নারীর শরীর প্রদর্শনের ছবিও সরিয়ে ফেলার কথা জানিয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। মনিকা বলেন, ফেসবুকের নিয়মকানুন নিয়েও আবেদন করার সুযোগ আছে।
যুগান্তর
Discover more from ইসলামিক অনলাইন মিডিয়া
Subscribe to get the latest posts sent to your email.






