আরো দেখুন...

৩৩ Comments

  1. 18

    আসিফ

    মন্তব্য…আমরা সবাই মুসলমান, সবার উদ্দেশ্য সতূের পথে ঈমান টিকিয়ে রাখা, জাকির নায়েক তো আমাদের ভাই, তিনিও মুসলিম, ইসলামের ব্যপারে যদি কেহ সঠিক কথা, বলে থাকে তা গুহণ করে নিতে হবে, যদিও সে রাস্তার -মেথট ও হয়, আলেম হতে হবেনা, জাকির- নায়েক – ওলিপুরি – সাইদি যে হোক তাদের হক কথা গুলো গুহন করতে আপত্তি কোথায়, আর ভুল গুলো গুহন না করেন, প্রয়োজনে তাদের শুদরানোর চেষ্টা করেন! কারণ ইসলামের ব্যপারে আপনারাই তো অনেক কিছু জানেন।

    Reply
  2. 17

    আফতাব জনি

    মন্তব্য…আপনার লেখা আমার জীবনের পড়া শ্রেষ্ঠ কয়েকটা লেখার মধ্যে একটা। এত ভাল আর এত সুন্দর করে লিখেছেন। রেফারেন্সসহ লিখেছেন তাই লেখাটার মর্যাদা অনেক বেশি। আল্লাহ (সুব:) আপনাকে আরো বেশি জ্ঞান দান করুন এবং ইসলামের খেদমতে কাজ করার সুযোগ দান করুন এই দোয়া করি। আমি আপনার আরো লেখা পড়তে চাই সেটা কিভাবে সম্ভার একটু জানাবেন। জাযাকাল্লাহু খাইরান।

    Reply
  3. 16

    Kazi Mahiuddin

    Nabi e Kareem Sallahu Alahi wa Sallam to Ummi chilen ebong unar Sahabigon kon Madrasa te lekhapora korechilen?

    Reply
  4. 15

    আবু আফরোজ

    মন্তব্য… সাদৃশ্য
    ******
    ব্রাহ্মণ ও আলেম সমাজ
    ******************
    ডাঃ জাকির নায়েক এবং আমাদের অবস্থানঃ
    *******************************

    আপনি কোন মাদ্রাসায় পড়েছেন???
    আমাদের দেশের এক শ্রেনির আলেম এবং তাদের অনুশারিদের একটা কমন প্রশ্ন? এদের মধ্যে এমন অনেক আলেম আছে যাদের কে প্রশ্ন করা হলে কুর-আন সুন্নাহ মুতাবেক উত্তর দিতে বুকটা ফেটে যায় অথচ মুখ ফুটেনা অন্যদিকে ডাঃ জাকির নায়েক কে কোন প্রশ্ন করা হলে সেকেন্ড এর মধ্যে কুর-আন হাদিসের রেফারেন্স সহ উত্তর দিয়ে দেন, তবুও এই লোক গুলো মনে করে ডাঃ নায়েক এর শিক্ষা কোন শিক্ষাই নয় কারন উনি মাদ্রাসায় পড়েননি!! ডাঃ সাব সাদা কে সাদা-ই বলছেন আর কালো কে কালো কিন্ত দেশের আলেম দের কথা হলো এই সাদা কালো পার্থক্যকারী জ্ঞান টুকু মাদ্রাসা থেকে নেননি তাই তার কথা মানা যাবেনা!!! কি আজব প্রানির মত মনোভাব!!!? তাহলে বলা যায়না কি শুধু যারা মাদ্রাসায় লেখা পড়া করেছেন তারাই কেবল ধর্ম কর্ম করুক!!!! কারন এদের মতে তারা ছারা বাকি সবার শিক্ষায় গলত সুতরাং আমলেও গলত!!! এই আলেম এর সুযোগ্য এবং সুশিক্ষিত পিতার জ্ঞান এবং আমল ও বাতিল কারন তিনি মাদ্রাসায় পড়েননি!!! পুত্র আলেম এর কথা শুনে বা বই পড়ে ও কোন ফায়দা নেই।
    অথচ সুযোগ্য আলেম (পুত্র) শত শত ইসলামিক “কেতাব ” লিখে তা ঘরে ঘরে রাখার, পড়ার ও আমল করার মাধ্যমে জান্নাতি হওয়ার আহবান জানিয়ে আসছেন? আর তাইত বেহেস্তি জেওর, নেয়ামুল কুর-আন, মকসুদুল মুমিনিন,ফাজায়েলে আমল, বার চান্দের ফজিলত, ভেদে মারেফাত ইয়াদে খুদা,আশেকে মাশুক, খাব নামা পড়ে লাখো মানুষ তাদের ভাষায় জান্নাতি হচ্ছে!!! (না কি জাহান্নামি হচ্ছে???)।
    মিয়া আলেম আপনার কাছে আমার প্রশ্ন এখন যদি আপনার সুযোগ্য সুশিক্ষিত পিতা,ডাঃ জাকির নায়েক এবং আমরা সাধারণ শিক্ষিত গন আপনাদের লিখিত বই পড়ে হুবুহু শতভাগ তাই মানুষের সামনে বয়ান করি ও আমল করি তাহলে কি মানুষকে এই বলে শতর্ক করবেন যে “তাদের কথা মানা যাবেনা ” তাদের আমল মানা যাবেনা কারন তারা “””মাদ্রাসায়”” পড়েনি!!!? হ্যা শতর্ক করবেন যদি চরম হিংসুক আর বেওকুফ হয়ে থাকেন। আপনার লিখিত সত্য কথাগুলুই মিথ্যা হয়ে গেল অন্য কেউ বলার কারনে, কি আজিব না?
    বই গুলু ত আপনারা মাদ্রাসা পড়ুয়া আলেম গনই লিখেছেন!!! না কি ইংলিশ মিডিয়াম এর কেউ লিখেছে?
    আপনি (আলেম) অথবা আপনার মান্যবর উস্তাদ ও পীরগন মাদ্রাসার সিলেবাসের বাইরে যে হাজার হাজার বই লিখেছেন তা কেন লিখেছেন এবং কার জন্য লিখেছেন??? এর জবাব কি?? না কি সবই ভুল লিখেছেন? যা অন্য কেউ পড়ে আমল করলে ভুল হবে?? তাহলে কেন কোনদিন দেখলাম না যে মসজিদে বা কোন মজলিশে যখন অতি সাধারণ একজন লোক ফাজায়েলে আমল বা ভেদে মারেফাত ইয়াদে খুদা পড়ে কান্নাকাটির রোল ফেলে দেয়, মানুষেরা মাওলার প্রেমে! হাবুডুবু খায়,চিক মারে,লাফ দিয়ে গাছে উঠে যায় তখন বললেন সাধারণ মানুষের জন্য শুধু বই পড়ে বয়ান করা ও আমল করা যায়েয নয়??? এই ফতুয়া কোন দিনও কেন দিলেন না যে মাদ্রাসায় না পড়ে শুধু শুধু নেয়ামুল কুর-আন, মকসুদুল মুমিনিন, বার চান্দের ফজিলত, রাসুল এর নামাজ পড়ে আমল করা যাবেনা, জান্নাতি ও হওয়া যাবেনা???

    আপনাদের তরিকার বা মতের বা পছন্দের সকল “কেতাব ” যে কেউ পড়ছে, বয়ান করছে, আমল করছে আপনাদের কোন সমস্যা নেই, আপনার সুযোগ্য সুশিক্ষিত পিতা, ডাঃ জাকির নায়েক এবং অন্যান্য সুশিক্ষিত ব্যাক্তিগন যখন কুর-আন থেকে হুবুহু কথা বলে, প্রমানিত সহি হাদিস থেকে উদ্ধৃতি দেয়, সে অনুযায়ী আমল করে ও আমলের দাওয়াত দেয় তখন আপনার তালা লাগানো বুক ও মুখ দুটো ই খুলে এই ফতুয়া বের হয় যে “সে কোন মাদ্রাসায় পড়েছে “? শুধু কুর-আন হাদিস পড়েই বয়ান করা ও আমল করা ঠিক হবেনা!!! কি দ্বিমুখী নীতি? কি হাস্যকর ফতুয়া? বিভেক খাটালেই বুঝে আসে।

    ব্রাহ্মণ সমাজে কিন্তু সাধারণ লোকের ধর্ম কর্ম শেখা ও চর্চা করা অপরাধ। এক সময় ছিল তখন সাধারণ কোন হিন্দু ধর্মীয় বই পড়লে শাস্তি সরুপ গলন্ত সিসা তার কানের মধ্যে ঢেলে দেওয়া হত।
    আমাদের দেশের মাদ্রাসায় পড়ুয়া কিছু লোকের মনোভাব ঠিক ব্রাহ্মণ দের মতই ।
    তারা ভাবে ধর্ম শুধু তারাই শিখেছে তারাই শুধু ধর্ম নিয়ে কথা বলবে, ঠিক বলুক বা বেঠিক বলুক সামনে দাঁড়ানো উচ্চশিক্ষিত, বিভেক সম্পন্ন সুস্থ্য মানুষটিকে তাই মেনে নিতে হবে বোবার মত। হিন্দু ধর্মে যেমন ব্রাহ্মণ দের একচেটিয়া ব্যাবসা চালু আছে তেমনি আমাদের মাদ্রাসা পড়ুয়া কিছু লোকের অভিলাষ ছিল ইসলামের নামে একচেটিয়া ব্যাবসা শুধু তারাই করে যাবে, সেটা হউক তাবিজ বিক্রি করে, ভাড়ায় দুয়া ইউনুছ বা কুর-আন খতম করে, মিলাদের নাম করে জিলাপি মিস্টির সাথে কিছু হাদিয়া পকেটে ভরার মাধ্যমে, পীর মুরিদির নামে বিনা পুজির লাভজনক ব্যাবসার মাধ্যমে অথবা ওয়াজের নামে মানুষকে সত্য মিথ্যা স্বপ্ন ও ভেজালে ভরা কেচ্ছা কাহিনী বলার মাধ্যমে।
    কিন্ত আল্লাহতালার অশেষ রহমত যে আজ সাধারণ মানুষ, বিভেক সম্পন্ন শিক্ষিত মানুষ গুলু সহি শুদ্ধ ইসলামিক বই পড়ে সত্য জানতে পেড়েছে এবং তা প্রচার ও আমল করে যাচ্ছে, যার দরুন ঐ সুবিধাবাদী ধর্ম ব্যাবসায়ি দের স্বার্থেওওসওওস ব্যাপক ভাবে আঘাত হানে ও ক্ষতি সাধন হয়, ফলে তারা শুধু ঐ সমস্ত লোকদের বিরুদ্ধেই ফতুয়া দিয়ে থাকে “” তারা কোন মাদ্রাসায় পড়েছে””??
    অথচ তাদের মতের পক্ষে লেখা ভ্রান্ত কেচ্ছা কাহিনী, বানোয়াট গল্প ও স্বপ্ন যখন কোন মাদ্রাসা পড়ুয়া অথবা মাদ্রাসা না পড়ুয়া সাধারণ ধর্ম জ্ঞান হীন লোক পড়ে, বয়ান করে ও আমল করে জান্নাতি অথবা জাহান্নামি হচ্ছে সেদিকে তাদের দৃস্টি নেই কোন ফতুয়া নেই। এরা কতই না সুবিধাবাদী ফতুয়া বাজ!!!!

    অথচ দুনিয়াতে মাদ্রাসা থাক বা না থাক দ্বীন শিক্ষা ও আমল করা সবার জন্যই ফরজ, সে কোথা থেকে শিখল সেটা বিষয় নয় আসলে সে সঠিক শিখল কিনা সেটা হচ্ছে মুল বিষয়।
    ইসলামি জ্ঞান কোন মাদ্রাসায় সীমাবদ্ধ নয়, জ্ঞান মুলত রক্ষিত প্রথমত আল্লাহর কাছে,তার পর আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের মাঝে এবং বান্দার ভুলে যাওয়ার প্রবণতার কারনে তা কিতাবেও সংরক্ষণ করা হয়েছে। আমরা অনেক মনিষীর ইতিহাস জানি যারা কোন মাদ্রাসায় যাননি বরং তাদের পিতা বা কোন শিক্ষাগুরুর কাছ থেকে ইসলাম শিখেছেন এবং নিজের অধ্যয়ন বলে আল্লাহর রহমত এ উস্তাদের চাইতেও অনেক বেশি স্মরণীয় বরণীয় হয়ে আছেন উজ্জ্বল তারকার ন্যায়। সুতরাং শুধু মাদ্রাসাকেই কেবল ইসলামি জ্ঞান শিক্ষার কেন্দ্র ভাবা চরম বোকামি ছারা আর কি?? তাহলে ডাঃ জাকির নায়েক কোন মাদ্রাসায় পড়েছে এই প্রশ্ন কেন????

    Reply
  5. 14

    Maryam M

    অনেক ধন্যবাদ এরকম একটা তথ্যবহুল লেখার জন্য

    Reply
  6. 13

    মো:রহমত উল্লাহ

    আমি আল্লাহর দরবারে শুকরীয়া জ্ঞাপন করছি, আল হামদুলিল্লাহ।মহান আল্লাহ যুগে যুগে এই পৃথিবীতে নবী ও রাসুলগনকে পাঠিয়েছেন পথহারা আত্নভুলা মানুষকে পথ দেখানোর জন্য।আর ড:জাকির নায়েকেও পাঠিয়েছেন একজন মানুষ হিসেবে।একজন ইসলামের দায়ী হিসেবে।আমি তার দিকে আকৃষ্ঠ হয়ে বলছি না।আমি তার লেকচার অনেক শুনেছি। সব লেকচারের উপর বিবেচনা করে বলছি,আমি খুদার কসম করে বলছি, তার লেকচারে যত সত্যতা,স্পষ্ঠতা পেয়েছি বর্তমান জগতের এমন কোনো বক্তার মধ্যে আমি ততটা পাইনি।অলি পুরি সাহেব ড:জাকির নায়েকের যে অপব্যাখ্যা করেছেন সেটা খুবই দুঃখ জনক।অলি পুরি সাহেব কুর-আন ও হাদিসের বর্ননা ভুলেগেছেন নতুবা তার স্বার্থ হাসিলের জন্য এমনটা করেছেন।অলি পুরি সাব নিজেই বলেছেন ড:জাকির নায়েকের লেকচার শুনেন নি। প্রত্যেক্ষভাবে না শুনে কারো ব্যাপারে মন্তব্য করা কি? তিনি ভুলে গেছেন।আমি আলেম সমাজের প্রতি আহবান করব, দয়াকরে আপনারা অন্ধ অনুকরণ করবেন না।আপনারা যদি অন্ধ অনুকরণ করেন তাহলে শান্তির ধর্ম ইসলাম কে অপমানিত করবেন।কারো বেপারে কিছু বলতে হলে তার কথার অর্থ বুঝে বলার চেষ্ঠা করোন।আল্লাহ আমরা সবাইকে সঠিক দিক বুঝার শক্তি দান করুক।আমিন

    Reply
  7. 12

    মামুন

    উলামায়ে কেরাম ততক্ষণ পর্যন্ত জাকির নায়েকের সাথে ছিলেন যতক্ষণ পর্যন্ত সে সঠিক ছিল। যখন সে কুরান ও সুন্নাহর বিরুদ্দে চলে গেল তখন তারা তার বিরুদ্দে কলম ধরলেন।আপনি তো অনেক কিছু বাদ দিয়ে দিলেন। ইয়াজিদ, কুরানে ভুল,আল্লাহ কে হিন্দুদের দেবতাদের নামে ডাকা যাবে।এসব কি ভুলে গেছেন।ভাই এক বালতি দুধ নষ্ট হওয়ার জন্য এক ফোটা গরুর ছেনা যথেষ্ট। সত্যকে বুঝতে চেষ্টা করুন।

    Reply
    1. 12.1

      সহ-সম্পাদক

      সম্ভবত আপনি ভুল তথ্য পেয়েছেন।

      Reply
    2. 12.2

      রোহিঙ্গাদের সাহায্য করুন

      আহারে মামুন মিয়া, তোমরা বাংলাদেশে নেংটিদের সিদুর পরছ, হারাম, মদ, জুয়া, যেনা-বেভিচার, খুন, গুম, ধর্ষণ ইত্যাদি অনায়াসেই সহ্য করে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছো। আর কুটি ইন্দুর হইয়া বরেণ্য ইসলাম প্রচারক ডা. জাকির নায়েকের সমালোচনা করছ। আহ কি পন্ডিত রে……….. আচ্ছা বলতো, পরম দয়ালূ কোন ভাষার শব্দ? সৃষ্টিকর্তা কোন শব্দ? সর্বশক্তিমান কোন শব্দ? তুমি আল্লাহকে যদি বাংলা, ফার্সি, আরবি, ইত্যাদি ভাষায় ডাকতে পার তাহলে অন্য ভাষায় কেন নয়? আরে ছাগলের দল………. যে নামেই ডাকুক না কেন স্বয়ং আল্লাহকেই তো ডাকা হচ্ছে। তোমাদের মত পীর বাবাকে দয়াল বাবা, তারপর মুর্শিদ ইত্যাদি ইত্যাদি নামে তো ডেকে শিরক করছে না। আর হিন্দুদের বেদ, গীতায় ঈশ্বরকে উদ্দেশ্য করে যে নামগুলো ব্যবহার করা হয়েছে সেগুলো মূলত আল্লাহকেই উদ্দেশ্য করে ব্যবহার করা, কিন্তু হিন্তু পন্ডিতেরা সেগুলোকে মূর্তিতে রূপ দিয়ে শিরক করে চলেছে। এখানে কি ঐ শব্দগুলো ভূল??? না-কি শব্দগুলোকে ভুল ব্যবহার করা হচ্ছে সেটা ভুল???

      Reply
  8. 11

    Aovin

    Dear i-onlinemedia,
    Assalamualaikum…..
    Ami dr.zakir naik er ai kicu vranto bissaser virodita kore apnader ai likha gulo copy kore ekta android application creat korte cai .. ate kore ai likha gulo aro vhalovhabe choriye deya jabe asa korchi.tai apnader ai likha gulo copy korar permission ceye ai message ti dicci.. asa kori apnara apotti rakhben na..tottosurte apnader website er link diya hobe Insaallah.tai as fast as possible apnader comment amake jabadben asa kori.. apnader reply er opekhay thakbo.Khuda hafez. ..

    Reply
    1. 11.1

      সম্পাদক

      এটি নিঃসন্দেহে একটি ভালো উদ্যোগ।

      Reply
      1. 11.1.1

        Aovin

        Onek onek dhonnobad apnader.. apps tir kaj ses holei ami apnader janabo..insaalah

        Reply
  9. 10

    ইতিহাস

    এ প্রসঙ্গে আমাদের সময় পত্রিকায় একটি মূল্যবান লেখা পেলাম: http://www.amadershomoys.com/newsite/2015/11/26/450441.htm

    Reply
  10. 9

    ইতিহাস

    চমৎকার তথ্যবহুল লেখা। তবে আপনার একটি কথার সাথে আমি কিছু যুক্ত করতে চাই। তাহল, ইমাম বা খলীফা না থাকাই যে মুসলমানদের সমস্যার প্রধান কারণ, তা নয়। এটা রোগ নয়, রোগের সিম্পটম বা উপসর্গ মাত্র। কারণ, যে জাতি যেমন, সে জাতির উপর আল্লাহ তেমন শাসক বা নেতৃত্বই চাপিয়ে দেন। আমরা মুসলিম জনগণ যদি আল্লাহর অনুগত হতে পারি, সত্যিকার ঈমানদার ও চরিত্রবান হতে পারি, আমাদের চিন্তা-বিশ্বাস, নিয়ত ও কর্মকাণ্ড যদি আল্লাহর প্রতি নিবেদিত হয়, তাহলে আল্লাহ এমনিতেই আমাদের সহযোগী হবেন, আমাদের প্রতি রহমত নাযিল করবেন এবং আমাদের সফলতা ও বিজয়ের জন্য যা যা প্রয়োজন যেমন- উত্তম নেতৃত্ব, ধন-সম্পদ, সামরিক শক্তি, হেকমত বা প্রজ্ঞা ইত্যাদি দান করবেন। অপরদিকে যদি আমরা আল্লাহবিমুখ ও দুর্বল চরিত্রের অধিকারীই থাকি, তাহলে আমাদের সারা বিশ্ব মুসলিম একজন নেতা ও একই রাষ্ট্রকাঠামোর অধীনে চলে আসলেও কোন লাভ হবে না। কারণ, ক্ষমতা থাকলেই যে তার সঠিক ব্যবহার হবে, তার গ্যারান্টি কি?
    আমাদের হাতে ক্ষমতা দেয়া হলে আমরা কি করব, কিভাবে চলব, তা কিন্তু আল্লাহ ছোট গণ্ডির ভিতর সীমিত ক্ষমতা দান করেই পরীক্ষা করে থাকেন। যেমন- প্রত্যেক ব্যক্তিকে তার নিজের উপর ক্ষমতা ও এখতিয়ার দিয়েছেন। এক্ষেত্রে আমরা প্রত্যেকে কি নিজের উপর আল্লাহর হুকুমকে কায়েম করতে পেরেছি? তারপর প্রত্যেক পরিবারের কর্তাকে আল্লাহ নিজ পরিবারের উপর আধিপত্য দিয়েছেন। সেক্ষেত্রে কি আমরা পরিবারের সদস্যদের দ্বীনদারির উপর কায়েম রাখাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছি, নাকি জাগতিক প্রতিষ্ঠা বা স্কুলের পরীক্ষায় ফার্স্ট হওয়া ইত্যাদি অপ্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে মেতে থেকেছি?

    Reply
  11. 8

    ইতিহাস

    “তারা নিজেদের পীর-পুরোহিতদের রব (প্রভু) বানিয়ে নিয়েছে।” – আল কুরআন
    “অধিকাংশ পীর-পুরোহিত জনগণের সম্পদ অন্যায়ভাবে আত্মসাৎ করেছে।” আল কুরআন

    যুগে যুগে পীর পুরোহিতদের কাজই হল ধর্মকে নিজেদের ব্যক্তি ও গোষ্ঠী স্বার্থে ব্যবহার করা, ধর্মকে নিজেদের মত করে ব্যাখ্যা বা অপব্যাখ্যা করা। অনেক ক্ষেত্রেই তারা ধর্মের মনগড়া ব্যাখ্যার দ্বারা সম্পদ ও সম্মান হাসিলে কাজ করে থাকে। অতীতে নবীদের সময় তারা আল্লাহর কিতাবগুলোকেও কাটছাট ও সম্পাদনা করতে সক্ষম হয়েছে, বর্তমানে আল্লাহর সর্বশেষ কিতাব আল কোরআনকে স্বয়ং আল্লাহর তরফ থেকে লক করে দেয়ায় এবং অনলি রিড্যাবল করে দেয়ায় সেই সুযোগের দ্বার বন্ধ হয়ে গেছে। তবে ধর্মকে ব্যবহার করে মানুষের উপর নিজেদের পৌরহিত্য ও প্রভাব কায়েম করা, ধর্মব্যবসা ও ফতোয়াবাজির দ্বারা জীবিকা নির্বাহ করা চালু আছে। ধর্মের মূল উৎস তথা আল্লাহর কিতাব ও নবীর হাদীস থেকে মানুষ সরাসরি ধর্ম শিখবে এটা তাদের পছন্দ নয়। তারা চায় মানুষ ধর্মের জ্ঞান যেটুকু শেখার তাদের কাছ থেকেই শিখবে, তারা ধর্মের যে ব্যখা দিবে, ধর্মকে যেভাবে বোঝাবে, সেভাবেই বুঝবে, সবাই তাদের আয়না দিয়ে ধর্মকে দেখবে। এর বিপরীতে কেউ নির্মোহভাবে আল্লাহর ওয়াস্তে ধর্মচর্চা ও ধর্মপ্রচার করবে- এটা তাদের স্বার্থহানিকর। অহংকার ও হিংসা এদের চিরন্তন চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য।

    Reply
    1. 8.1

      ইতিহাস

      আসল কথা হল, জাকির নায়েক মোল্লাদের দীর্ঘদিনের ধর্মব্যবসা, সাম্প্রদায়িকতা ও ফতোয়া ব্যবসার কবর রচনা করেছেন এবং তাদের রিজিক মেরেছেন। মনগড়া ফেরকাবাজি ও ফতোয়াবাজির মুখে চপেটাঘাত করেছেন। এজন্যই তাদের আঁতে ঘা লেগেছে। দ্বীনের সত্যিকার দাঈরা যত তৎপর হবেন, আল্লাহর দ্বীনকে আল্লাহর ওয়াস্তে মানুষের মাঝে বিলাবেন, কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টি ও বান্দার কল্যাণের নিয়তেই ধর্মের কাজ করবেন; ধর্মকে বেচে খাওয়ার দিন তত তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যাবে। কোন মহান হৃদয় চিকিৎসক যদি বাণিজ্যিক হাসপাতালগুলোর সামনে গিয়ে বিনে পয়সায় মানুষকে সেবা দিতে শুরু করেন, সেটা কি তারা ভালভাবে নেবে? কোনদিনও না। কেউ যদি মানুষকে রোগী বানিয়ে নিজেদের বাণিজ্যিক স্বার্থ দীর্ঘায়িত করতে ইচ্ছুক কোন ডাক্তারের ভুল ও উদ্দেশ্যমূলক প্রেসক্রিপশন ধরিয়ে দিয়ে ডাক্তারের অনৈতিক ব্যবসায় বাগড়া দিয়ে বসে, তাকে কি ঐ অসাধু ডাক্তার সহজভাবে নেবে? কখনোই না।

      Reply
      1. 8.1.1

        ইতিহাস

        খয়রাত-যাকাত, কোরবানীর চামড়া আর হাদীয়াই যাদের একমাত্র উপার্জন, তারা যে অন্যের সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হবে- এটাই স্বাভাবিক। বেকার পরগাছা মানুষেরা চিরদিনই সফল মানুষদের নামে পরচর্চা করে থাকে।

        Reply
        1. 8.1.1.1

          ইতিহাস

          জাকির নায়েকের সমালোচকদের অবস্থা দেখে “লালসালু” উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র মজিদের সেই উক্তিটির কথা মনে হয়:- “তোমার দাড়ি কই মিয়া?”

          Reply
          1. 8.1.1.1.1

            rajamia

            ধন্যবাদ ভাই, সুনদর একটা কথা বলছেন।

        2. 8.1.1.2

          marzuk

          জাকির নায়েক কি যাকাত ফেতরা ছাড়া চলতে পারে।আপনার গাল মন্দটা আপনার উপরি পরছে।একটা কথা আছেনা যে নিজের থু থু উপর দিকে মারলে নিজের গায়ে পরে।ত আপনার অবস্তা ও তাই হয়েছে।আলেম উলামাদের বিরুদ্ধে কথা বলার আগে একটু চিন্তা করে কথা বলবেন। এদেশে ইসলাম এসেছে আলেম উলামাদের হাত ধরে।জাকির নায়েক ,ইউসুভ বিন রাজ্জাক,মতিউর রহমান মাদানি ,এদের হাত ধরে ইসলাম আসে নাই ।

          Reply
      2. 8.1.2

        marzuk

        এইত একটা বাড়তি কথা বল্লেন -রিজিক মারার ক্ষমতা কি জাকির নায়েক রাখে না জাকির নায়েকের বাপে রাখে।বলে বসলেন একটা কথা যে জাকির নায়েক আলেম উলামদের রিজিক মারছে এটা কি করে হতে পারে। আপনাদের কাছ থেকে আশা করা যেতেয় পারে কারন আপনারা একটু বাড়িয়ে বলতে বেশি পছন্দ করেন ত তাই এ অবস্তা,কখন কাকে কি বলবেন নিজেরাই জানেন না। আগে নিজে ঠিক হন পরে অন্যকে ঠিক হতে বলেন।

        Reply
  12. 7

    masud

    শুরুতে অজ্ঞতার কারনে ভুল বুঝে, কিছু দিন পর তা গোঁডামি তে রূপ নেয়। এটাই বড় সমস্যা ।

    Reply
  13. 6

    মোঃ জাভেদ উমর

    ড. জাকির নায়েক অনেক অমুসলীমদের ঈমান গ্রহণ করাচ্ছেন
    আবার মধ্যে মধ্যে জ্বাল হাদিস দিয়ে সহীহ মুসলীদের ঈমান লুটছে

    Reply
    1. 6.1

      ইতিহাস

      জাল হাদীসের উদাহরণ দিন। রেফারেন্সবিহীন কথার কোন ভেলু নেই।

      Reply
      1. 6.1.1

        Muhammad Shahidullah

        আপনি কি কুতুবুসসিত্তাহর হাদিসগুলো অস্বিকার, জাল,বানো্রয়াট বলছেন? যেগুলো ড.জাকির নায়িক রেফারেন্স প্রদান করেন, সেগুলোকি আপনি অস্বিকার করেন? উত্তর দিন -রপর আপনার অপারেশন করব ইনশাআল্লাহ!

        Reply
        1. 6.1.1.1

          সম্পাদক

          এখানে অস্বীকার করা হয়নি। আপনি বুঝতে ভুল করেছেন।

          Reply
  14. 5

    ফারুকী

    অসাধারণ বিশ্লেষণ, লেখকের নাম জানতে চাই

    Reply
  15. 4

    রাশিদুল ইসলাম

    কেউ যদি ভাল কাজ করে তাকে সমলোচনার মধ্য পরতে হয় নিজে ও ভাল কিছু করবে না আবার মানুযকে করতে দিবেনা এটাই বাংলাদেশের মানুযের চরিত্র, আপনি অনেক ভাল লেখেছেন…।।আসসালামুয়ালাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ

    Reply
  16. 3

    Muhammad Josim Uddin

    আমি যতটুকু ড: জাকির নায়েক সমন্ধে জানি তা হলো-তিনি ছোট থেকে কিছুটা তোতলা ছিলেন-আর এটা তিনি নিজেই বলেছেন। আমার ঠিক মনে পড়ছেনা কোন প্রোগ্রামে তিনি একথা বলেছেন তবে তিনি বলেছেন এটা সত্য-আমার মনে পড়ছে তিনি হযরত মূসা (আ:) তোতলার কারণে যে দোয়া পড়তেন সে দোয়া প্রায়ই পড়তেন ফলে তার তোতলা অনেকটা দূর হয়েছে বলে স্বীকার করেন। আপনার তার ভিডিও গুলো বেশি বেশি দেখুন তাহলেই সব বুঝতে পারবেন। আর আমার তার মত স্মরণ শক্তি নাই তাই ওত রেফারেন্স দিতে পারছিনা। এ্যাত বক্তব্য শুনি তাও এটা রেফারেন্স সহ কিছু মনে থাকে না, আর তিনি কিভাবে যে এ্যত কিছু মনে রাখেন, সুবহানআল্লাহ। সত্যি আল্লাহ তাকে দ্বীনের পথে কবুল করেছেন, সমালোচকরা যতই সমালোচনা করুক, ক্ষতিটা তাদেরই। সত্যি বলতে কি-মাওলানারা আর আল্লাহ আর আল্লাহর রাসুলের খেদমতের জন্য কাজ করেনা তারা কাজ করছে নিজের স্বার্থ সিদ্ধি লাভের জন্য। তারা অনেক কিছু বুঝে কিন্তু অনেক কিছু বুঝতে চাইনা। সমস্যা নেই এতে ক্ষতিটা তাদেরই। অনেক কিছু বলার ছিল কিন্তু কি হবে বলে? আল্লাহ যদি চান তাহলে তাদের হেদায়েত করবেন না চাইলে সারা দুনিয়ার মানুষ চেষ্টা করেও সে হেদায়েত প্রাপ্তদের একজন হতে পারবেনা। পরিশেষে বলব-যারা ড: জাকির নায়েকের সমালোচনা করেন তারা তার সম্পর্কে জেনে সমালোচনা করেন। আমি মনে করি কি জানেন-যেখানে খোদ আল্লাহ ও রাসুল (স:) এর বিরুদ্ধে সমালোচনা হয় (বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সমালোচনা করা হয় ইসলামের) সেখানে ড: জাকির নায়েকের মত আল্লাহর একজন বান্দার আর কি সমালোচনার উর্দ্ধে থাকতে পারে, না তাকে সমালোচনার উর্দ্ধে রাখবে। তবু বলি যার যেমন আমল তার তেমন বিচার করবেন মহান আল্লাহ।

    Reply
    1. 3.1

      ইতিহাস

      বর্তমানে আলেমের সংজ্ঞাই পাল্টে গেছে। আলেম হতে হলে যে যোগ্যতা থাকতে হবে তাহল-
      অহংকার
      হিংসা
      পরশ্রীকাতরতা
      সংকীর্ণমনা হওয়া

      জাকির নায়েক এ গুণগুলো অর্জন করতে পারেননি বলেই বোধকরি তিনি আলেম হবার যোগ্য হননি।

      Reply
  17. 2

    মোঃসাজ্জাদ

    ধন্যবাদ। আল্লাহ তায়ালা আপনার জ্ঞানকে আরও বাড়িয়ে দিন ও ইসলামের রাহে আপনি যাতে সময় দিতে পারেন সেই তাউফিক দান করুন । আমিন।

    Reply
  18. 1

    golam sarowar

    ভাই অসাধারন একটা লেখা।।
    অনেক ধন্যবাদ।

    Reply
    1. 1.1

      ইতিহাস

      জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে আরো একটি অভিযোগ করা হয়:- তিনি চিল্লার বিরোধিতা করেছেন। এ প্রসঙ্গে বাস্তব কথা হল, চিল্লার সম্পর্কে তো আসলেই সরাসরি কোন দলীল কোরআন-হাদীসে নেই। কোরআন-হাদীস থেকে কিয়াস করে এর পক্ষে দলীল বের করা হয়েছে। সুতরাং যে বিষয়টি কিয়াস করে বের করা হয়েছে, সে বিষয়টি নিয়ে দ্বিমত করা যেতেই পারে। কেবল কোরআন-হাদীসের সুস্পষ্ট কথাকে অস্বীকার করলেই কাউকে গোমরাহ বলা যেতে পারে, ব্যাখ্যাসাপেক্ষ বা ইজতিহাদী বিষয়ে দ্বিমত করা কোন গোমরাহী নয়।

      Reply

মন্তব্য করুন

অনুগ্রহপূর্বক ইসলামিক অনলাইন মিডিয়া‘র মন্তব্যের নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন। আপনার ই-মেইল ঠিকানা গোপন থাকবে। নামই-মেইল আবশ্যক।

© ২০১১ ইসলামিক অনলাইন মিডিয়া
A Service of xhostbd.com. Designed by M.A. IMRAN