আরো দেখুন...

34 টি মন্তব্য

  1. 10

    ইতিহাস

    এ প্রসঙ্গে আমাদের সময় পত্রিকায় একটি মূল্যবান লেখা পেলাম: http://www.amadershomoys.com/newsite/2015/11/26/450441.htm

    Reply
  2. 9

    ইতিহাস

    চমৎকার তথ্যবহুল লেখা। তবে আপনার একটি কথার সাথে আমি কিছু যুক্ত করতে চাই। তাহল, ইমাম বা খলীফা না থাকাই যে মুসলমানদের সমস্যার প্রধান কারণ, তা নয়। এটা রোগ নয়, রোগের সিম্পটম বা উপসর্গ মাত্র। কারণ, যে জাতি যেমন, সে জাতির উপর আল্লাহ তেমন শাসক বা নেতৃত্বই চাপিয়ে দেন। আমরা মুসলিম জনগণ যদি আল্লাহর অনুগত হতে পারি, সত্যিকার ঈমানদার ও চরিত্রবান হতে পারি, আমাদের চিন্তা-বিশ্বাস, নিয়ত ও কর্মকাণ্ড যদি আল্লাহর প্রতি নিবেদিত হয়, তাহলে আল্লাহ এমনিতেই আমাদের সহযোগী হবেন, আমাদের প্রতি রহমত নাযিল করবেন এবং আমাদের সফলতা ও বিজয়ের জন্য যা যা প্রয়োজন যেমন- উত্তম নেতৃত্ব, ধন-সম্পদ, সামরিক শক্তি, হেকমত বা প্রজ্ঞা ইত্যাদি দান করবেন। অপরদিকে যদি আমরা আল্লাহবিমুখ ও দুর্বল চরিত্রের অধিকারীই থাকি, তাহলে আমাদের সারা বিশ্ব মুসলিম একজন নেতা ও একই রাষ্ট্রকাঠামোর অধীনে চলে আসলেও কোন লাভ হবে না। কারণ, ক্ষমতা থাকলেই যে তার সঠিক ব্যবহার হবে, তার গ্যারান্টি কি?
    আমাদের হাতে ক্ষমতা দেয়া হলে আমরা কি করব, কিভাবে চলব, তা কিন্তু আল্লাহ ছোট গণ্ডির ভিতর সীমিত ক্ষমতা দান করেই পরীক্ষা করে থাকেন। যেমন- প্রত্যেক ব্যক্তিকে তার নিজের উপর ক্ষমতা ও এখতিয়ার দিয়েছেন। এক্ষেত্রে আমরা প্রত্যেকে কি নিজের উপর আল্লাহর হুকুমকে কায়েম করতে পেরেছি? তারপর প্রত্যেক পরিবারের কর্তাকে আল্লাহ নিজ পরিবারের উপর আধিপত্য দিয়েছেন। সেক্ষেত্রে কি আমরা পরিবারের সদস্যদের দ্বীনদারির উপর কায়েম রাখাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছি, নাকি জাগতিক প্রতিষ্ঠা বা স্কুলের পরীক্ষায় ফার্স্ট হওয়া ইত্যাদি অপ্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে মেতে থেকেছি?

    Reply
  3. 8

    ইতিহাস

    “তারা নিজেদের পীর-পুরোহিতদের রব (প্রভু) বানিয়ে নিয়েছে।” – আল কুরআন
    “অধিকাংশ পীর-পুরোহিত জনগণের সম্পদ অন্যায়ভাবে আত্মসাৎ করেছে।” আল কুরআন

    যুগে যুগে পীর পুরোহিতদের কাজই হল ধর্মকে নিজেদের ব্যক্তি ও গোষ্ঠী স্বার্থে ব্যবহার করা, ধর্মকে নিজেদের মত করে ব্যাখ্যা বা অপব্যাখ্যা করা। অনেক ক্ষেত্রেই তারা ধর্মের মনগড়া ব্যাখ্যার দ্বারা সম্পদ ও সম্মান হাসিলে কাজ করে থাকে। অতীতে নবীদের সময় তারা আল্লাহর কিতাবগুলোকেও কাটছাট ও সম্পাদনা করতে সক্ষম হয়েছে, বর্তমানে আল্লাহর সর্বশেষ কিতাব আল কোরআনকে স্বয়ং আল্লাহর তরফ থেকে লক করে দেয়ায় এবং অনলি রিড্যাবল করে দেয়ায় সেই সুযোগের দ্বার বন্ধ হয়ে গেছে। তবে ধর্মকে ব্যবহার করে মানুষের উপর নিজেদের পৌরহিত্য ও প্রভাব কায়েম করা, ধর্মব্যবসা ও ফতোয়াবাজির দ্বারা জীবিকা নির্বাহ করা চালু আছে। ধর্মের মূল উৎস তথা আল্লাহর কিতাব ও নবীর হাদীস থেকে মানুষ সরাসরি ধর্ম শিখবে এটা তাদের পছন্দ নয়। তারা চায় মানুষ ধর্মের জ্ঞান যেটুকু শেখার তাদের কাছ থেকেই শিখবে, তারা ধর্মের যে ব্যখা দিবে, ধর্মকে যেভাবে বোঝাবে, সেভাবেই বুঝবে, সবাই তাদের আয়না দিয়ে ধর্মকে দেখবে। এর বিপরীতে কেউ নির্মোহভাবে আল্লাহর ওয়াস্তে ধর্মচর্চা ও ধর্মপ্রচার করবে- এটা তাদের স্বার্থহানিকর। অহংকার ও হিংসা এদের চিরন্তন চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য।

    Reply
    1. 8.1

      ইতিহাস

      আসল কথা হল, জাকির নায়েক মোল্লাদের দীর্ঘদিনের ধর্মব্যবসা, সাম্প্রদায়িকতা ও ফতোয়া ব্যবসার কবর রচনা করেছেন এবং তাদের রিজিক মেরেছেন। মনগড়া ফেরকাবাজি ও ফতোয়াবাজির মুখে চপেটাঘাত করেছেন। এজন্যই তাদের আঁতে ঘা লেগেছে। দ্বীনের সত্যিকার দাঈরা যত তৎপর হবেন, আল্লাহর দ্বীনকে আল্লাহর ওয়াস্তে মানুষের মাঝে বিলাবেন, কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টি ও বান্দার কল্যাণের নিয়তেই ধর্মের কাজ করবেন; ধর্মকে বেচে খাওয়ার দিন তত তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যাবে। কোন মহান হৃদয় চিকিৎসক যদি বাণিজ্যিক হাসপাতালগুলোর সামনে গিয়ে বিনে পয়সায় মানুষকে সেবা দিতে শুরু করেন, সেটা কি তারা ভালভাবে নেবে? কোনদিনও না। কেউ যদি মানুষকে রোগী বানিয়ে নিজেদের বাণিজ্যিক স্বার্থ দীর্ঘায়িত করতে ইচ্ছুক কোন ডাক্তারের ভুল ও উদ্দেশ্যমূলক প্রেসক্রিপশন ধরিয়ে দিয়ে ডাক্তারের অনৈতিক ব্যবসায় বাগড়া দিয়ে বসে, তাকে কি ঐ অসাধু ডাক্তার সহজভাবে নেবে? কখনোই না।

      Reply
      1. 8.1.1

        ইতিহাস

        খয়রাত-যাকাত, কোরবানীর চামড়া আর হাদীয়াই যাদের একমাত্র উপার্জন, তারা যে অন্যের সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হবে- এটাই স্বাভাবিক। বেকার পরগাছা মানুষেরা চিরদিনই সফল মানুষদের নামে পরচর্চা করে থাকে।

        Reply
        1. 8.1.1.1

          ইতিহাস

          জাকির নায়েকের সমালোচকদের অবস্থা দেখে “লালসালু” উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র মজিদের সেই উক্তিটির কথা মনে হয়:- “তোমার দাড়ি কই মিয়া?”

          Reply
          1. 8.1.1.1.1

            rajamia

            ধন্যবাদ ভাই, সুনদর একটা কথা বলছেন।

        2. 8.1.1.2

          marzuk

          জাকির নায়েক কি যাকাত ফেতরা ছাড়া চলতে পারে।আপনার গাল মন্দটা আপনার উপরি পরছে।একটা কথা আছেনা যে নিজের থু থু উপর দিকে মারলে নিজের গায়ে পরে।ত আপনার অবস্তা ও তাই হয়েছে।আলেম উলামাদের বিরুদ্ধে কথা বলার আগে একটু চিন্তা করে কথা বলবেন। এদেশে ইসলাম এসেছে আলেম উলামাদের হাত ধরে।জাকির নায়েক ,ইউসুভ বিন রাজ্জাক,মতিউর রহমান মাদানি ,এদের হাত ধরে ইসলাম আসে নাই ।

          Reply
      2. 8.1.2

        marzuk

        এইত একটা বাড়তি কথা বল্লেন -রিজিক মারার ক্ষমতা কি জাকির নায়েক রাখে না জাকির নায়েকের বাপে রাখে।বলে বসলেন একটা কথা যে জাকির নায়েক আলেম উলামদের রিজিক মারছে এটা কি করে হতে পারে। আপনাদের কাছ থেকে আশা করা যেতেয় পারে কারন আপনারা একটু বাড়িয়ে বলতে বেশি পছন্দ করেন ত তাই এ অবস্তা,কখন কাকে কি বলবেন নিজেরাই জানেন না। আগে নিজে ঠিক হন পরে অন্যকে ঠিক হতে বলেন।

        Reply
  4. 7

    masud

    শুরুতে অজ্ঞতার কারনে ভুল বুঝে, কিছু দিন পর তা গোঁডামি তে রূপ নেয়। এটাই বড় সমস্যা ।

    Reply
  5. 6

    মোঃ জাভেদ উমর

    ড. জাকির নায়েক অনেক অমুসলীমদের ঈমান গ্রহণ করাচ্ছেন
    আবার মধ্যে মধ্যে জ্বাল হাদিস দিয়ে সহীহ মুসলীদের ঈমান লুটছে

    Reply
    1. 6.1

      ইতিহাস

      জাল হাদীসের উদাহরণ দিন। রেফারেন্সবিহীন কথার কোন ভেলু নেই।

      Reply
      1. 6.1.1

        Muhammad Shahidullah

        আপনি কি কুতুবুসসিত্তাহর হাদিসগুলো অস্বিকার, জাল,বানো্রয়াট বলছেন? যেগুলো ড.জাকির নায়িক রেফারেন্স প্রদান করেন, সেগুলোকি আপনি অস্বিকার করেন? উত্তর দিন -রপর আপনার অপারেশন করব ইনশাআল্লাহ!

        Reply
        1. 6.1.1.1

          সম্পাদক

          এখানে অস্বীকার করা হয়নি। আপনি বুঝতে ভুল করেছেন।

          Reply
  6. 5

    ফারুকী

    অসাধারণ বিশ্লেষণ, লেখকের নাম জানতে চাই

    Reply
  7. 4

    রাশিদুল ইসলাম

    কেউ যদি ভাল কাজ করে তাকে সমলোচনার মধ্য পরতে হয় নিজে ও ভাল কিছু করবে না আবার মানুযকে করতে দিবেনা এটাই বাংলাদেশের মানুযের চরিত্র, আপনি অনেক ভাল লেখেছেন…।।আসসালামুয়ালাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ

    Reply
  8. 3

    Muhammad Josim Uddin

    আমি যতটুকু ড: জাকির নায়েক সমন্ধে জানি তা হলো-তিনি ছোট থেকে কিছুটা তোতলা ছিলেন-আর এটা তিনি নিজেই বলেছেন। আমার ঠিক মনে পড়ছেনা কোন প্রোগ্রামে তিনি একথা বলেছেন তবে তিনি বলেছেন এটা সত্য-আমার মনে পড়ছে তিনি হযরত মূসা (আ:) তোতলার কারণে যে দোয়া পড়তেন সে দোয়া প্রায়ই পড়তেন ফলে তার তোতলা অনেকটা দূর হয়েছে বলে স্বীকার করেন। আপনার তার ভিডিও গুলো বেশি বেশি দেখুন তাহলেই সব বুঝতে পারবেন। আর আমার তার মত স্মরণ শক্তি নাই তাই ওত রেফারেন্স দিতে পারছিনা। এ্যাত বক্তব্য শুনি তাও এটা রেফারেন্স সহ কিছু মনে থাকে না, আর তিনি কিভাবে যে এ্যত কিছু মনে রাখেন, সুবহানআল্লাহ। সত্যি আল্লাহ তাকে দ্বীনের পথে কবুল করেছেন, সমালোচকরা যতই সমালোচনা করুক, ক্ষতিটা তাদেরই। সত্যি বলতে কি-মাওলানারা আর আল্লাহ আর আল্লাহর রাসুলের খেদমতের জন্য কাজ করেনা তারা কাজ করছে নিজের স্বার্থ সিদ্ধি লাভের জন্য। তারা অনেক কিছু বুঝে কিন্তু অনেক কিছু বুঝতে চাইনা। সমস্যা নেই এতে ক্ষতিটা তাদেরই। অনেক কিছু বলার ছিল কিন্তু কি হবে বলে? আল্লাহ যদি চান তাহলে তাদের হেদায়েত করবেন না চাইলে সারা দুনিয়ার মানুষ চেষ্টা করেও সে হেদায়েত প্রাপ্তদের একজন হতে পারবেনা। পরিশেষে বলব-যারা ড: জাকির নায়েকের সমালোচনা করেন তারা তার সম্পর্কে জেনে সমালোচনা করেন। আমি মনে করি কি জানেন-যেখানে খোদ আল্লাহ ও রাসুল (স:) এর বিরুদ্ধে সমালোচনা হয় (বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সমালোচনা করা হয় ইসলামের) সেখানে ড: জাকির নায়েকের মত আল্লাহর একজন বান্দার আর কি সমালোচনার উর্দ্ধে থাকতে পারে, না তাকে সমালোচনার উর্দ্ধে রাখবে। তবু বলি যার যেমন আমল তার তেমন বিচার করবেন মহান আল্লাহ।

    Reply
    1. 3.1

      ইতিহাস

      বর্তমানে আলেমের সংজ্ঞাই পাল্টে গেছে। আলেম হতে হলে যে যোগ্যতা থাকতে হবে তাহল-
      অহংকার
      হিংসা
      পরশ্রীকাতরতা
      সংকীর্ণমনা হওয়া

      জাকির নায়েক এ গুণগুলো অর্জন করতে পারেননি বলেই বোধকরি তিনি আলেম হবার যোগ্য হননি।

      Reply
  9. 2

    মোঃসাজ্জাদ

    ধন্যবাদ। আল্লাহ তায়ালা আপনার জ্ঞানকে আরও বাড়িয়ে দিন ও ইসলামের রাহে আপনি যাতে সময় দিতে পারেন সেই তাউফিক দান করুন । আমিন।

    Reply
  10. 1

    golam sarowar

    ভাই অসাধারন একটা লেখা।।
    অনেক ধন্যবাদ।

    Reply
    1. 1.1

      ইতিহাস

      জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে আরো একটি অভিযোগ করা হয়:- তিনি চিল্লার বিরোধিতা করেছেন। এ প্রসঙ্গে বাস্তব কথা হল, চিল্লার সম্পর্কে তো আসলেই সরাসরি কোন দলীল কোরআন-হাদীসে নেই। কোরআন-হাদীস থেকে কিয়াস করে এর পক্ষে দলীল বের করা হয়েছে। সুতরাং যে বিষয়টি কিয়াস করে বের করা হয়েছে, সে বিষয়টি নিয়ে দ্বিমত করা যেতেই পারে। কেবল কোরআন-হাদীসের সুস্পষ্ট কথাকে অস্বীকার করলেই কাউকে গোমরাহ বলা যেতে পারে, ব্যাখ্যাসাপেক্ষ বা ইজতিহাদী বিষয়ে দ্বিমত করা কোন গোমরাহী নয়।

      Reply

মন্তব্য করুন

© ২০১১-২০ ইসলামিক অনলাইন মিডিয়া