Download App
Domain/Hosting
Bangla InfoHub

আরো দেখুন...

34 টি মন্তব্য

  1. 20

    Afzal

    আল্লাহ আপনাকে আরো বেশী বেশী ইসলামের খেদমত করার তৌফিক দান করুন………আমীন.

    Reply
  2. 19

    মুফতি আলী হোসেন গাজী

    মন্তব্য…এম এ আই হানিফ গনিপুরী ভাইকে ধন্যবাদ।সুন্দর তথ্য বহুল মন্তব্যের জন্য। হক ভাবে পীর মুরিদী যে ফরজ. তিনি সে কথাটি ফুটিয়ে তুলেছেন। কিন্তু ফুলতলী ও রাজার বাগী থেকে যে সাবধান হওয়ার জন্য যে বলেছেন এটা অবশ্যই ভুল বলেছেন। বেয়াদবি ও হিংসাত্বক বলেছেন. ও আক্রমন করছেন।আপনি আজ পরযন্ত ফুলতলী ছাহেব ও রাজারবাগের পীর ছাহেব কে শরীয়তের বাইরে চলাফিরা করতে দেখেছেন? উনাদের আদনা একজন মুরিদ ও শরীয়তের খেলাপ চলেন না। আর বেশী কথার প্রয়োজন হলে সাহস থাকলে এই what’s app ও মোবাইল নাম্বার দিলাম কথা বলুন 01953618418

    Reply
  3. 18

    খোরশেদ আলম

    এসব পীরদের অনেকেই নিজেদের মত করে পথ/মত বাতলে দিয়েছেন যার সাথে কোরয়ান মজিদ বা হাদিছের কোন মিল নেই, অনেক সময় তা এর বিপরিত। তাই পবিত্র কোরআন মজিদের বা হাদিছের বাইরে যেকোনো পথ বা মথ পরিত্যাজ্য। তাই সাবধান থাকতে হবে। যারা রাসুল (স) এর পথ বাদ দিয়ে নিজেদেরমত করে শর্ট কাট পথ বাতলে দিচ্ছে তারা নিজেরাই বিবিপে আছেন ফলে সাধু সাবধান!!!

    Reply
  4. 17

    নাসিম কবীর

    বর্তমান বাংলাদেশে পীর শব্দটি ধান্ধাবাজ এর সমার্থক শব্দ হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে ! কাজেই তথাকথিত ঐ সকল “পীর” সাহেব দের কেই — কুরআন ও শরীয়তের প্রচলিত বিধান মতে নিজেদের যথার্থতা প্রমান করিতে হইবে ৷ না হলে অদূর ভবিষৎতে এ দেশে পীরতন্ত্র বাতিল বলিয়া গন্য হইবে — এ সত্য প্রায় সমাগত ৷

    Reply
  5. 16

    মাসুম বিল্লাহ

    লেখককে হাজার সালাম

    Reply
  6. 15

    জহির

    কেয়ামতের মাঠে চরমোনাইর জাহাজ চলবে। শুনুন পীরের মুখে । লিংক দিলাম।
    https://www.youtube.com/watch?v=sJeCD0-lw-U

    Reply
  7. 14

    এম এ আই হানিফ গনিপুরী

    কুরআন হাদীসে পীর মুরিদীর প্রমাণঃ-
    আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ
    করেছেন-
    ﻳَﺎ ﺃَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﺁَﻣَﻨُﻮﺍ ﺍﺗَّﻘُﻮﺍ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻭَﻛُﻮﻧُﻮﺍ ﻣَﻊَ ﺍﻟﺼَّﺎﺩِﻗِﻴﻦَ
    #অনুবাদ -হে মুমিনরা! আল্লাহকে ভয়
    কর, আর সৎকর্মপরায়নশীলদের সাথে
    থাক। {সূরা তাওবা-১১৯)
    এ আয়াতে কারীমায় সুষ্পষ্টভাবে
    বুযুর্গদের সাহচর্যে থাকার নির্দেশ
    দেয়া হয়েছে।
    ﺍﻫْﺪِﻧَﺎ ﺍﻟﺼِّﺮَﺍﻁَ ﺍﻟْﻤُﺴْﺘَﻘِﻴﻢَ ﺻِﺮَﺍﻁَ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﺃَﻧْﻌَﻤْﺖَ ﻋَﻠَﻴْﻬِﻢْ
    অনুবাদ- আমাদের সরল সঠিক পথ
    [সীরাতে মুস্তাকিম] দেখাও। তোমার
    নিয়ামতপ্রাপ্ত বান্দাদের পথ। {সূরা
    ফাতিহা-৬,৭}
    সূরায়ে ফাতিহায় মহান রাব্বুল
    আলামীন তাঁর নিয়ামাতপ্রাপ্ত
    বান্দারা যে পথে চলেছেন সেটাকে
    সাব্যস্ত করেছেন সীরাতে মুস্তাকিম।
    আর তার নিয়ামত প্রাপ্ত বান্দা হলেন-
    ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﺃَﻧْﻌَﻢَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻬِﻢْ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻨَّﺒِﻴِّﻴﻦَ ﻭَﺍﻟﺼِّﺪِّﻳﻘِﻴﻦَ ﻭَﺍﻟﺸُّﻬَﺪَﺍﺀِ ﻭَﺍﻟﺼَّﺎﻟِﺤِﻴﻦَ
    #অনুবাদ -যাদের উপর আল্লাহ তাআলা
    নিয়ামত দিয়েছেন, তারা হল নবীগণ,
    সিদ্দীকগণ, শহীদগণ, ও নেককার
    বান্দাগণ। {সূরা নিসা-৬৯}
    এ দু’ আয়াত একথাই প্রমাণ করছে যে,
    নিয়ামতপ্রাপ্ত বান্দা হলেন নবীগণ,
    সিদ্দীকগণ, শহীদগণ, আর নেককারগণ,
    আর তাদের পথই সরল সঠিক তথা
    সীরাতে মুস্তাকিম। অর্থাৎ তাদের
    অনুসরণ করলেই সীরাতে মুস্তাকিমের
    উপর চলা হয়ে যাবে।
    যেহেতু আমরা নবী দেখিনি, দেখিনি
    সিদ্দীকগণও, দেখিনি শহীদদের। তাই
    আমাদের সাধারণ মানুষদের কুরআন
    সুন্নাহ থেকে বের করে সীরাতে
    মুস্তাকিমের উপর চলার চেয়ে একজন
    পূর্ণ শরীয়তপন্থী হক্কানী বুযুর্গের
    অনুসরণ করার দ্বারা সীরাতে
    মুস্তাকিমের উপর চলাটা হবে সবচেয়ে
    সহজ। আর একজন শরীয়ত সম্পর্কে প্রাজ্ঞ
    আল্লাহ ওয়ালা ব্যক্তির সাহচর্য গ্রহণ
    করার নামই হল পীর মুরিদী।
    রাসূলে কারীম (সাঃ) একাধিক স্থানে
    নেককার ব্যক্তিদের সাহচর্য গ্রহণ করার
    প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন। যেমন-
    ﻋﻦ ﺃﺑﻲ ﻣﻮﺳﻰ ﺭﺿﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ ﻋﻦ ﺍﻟﻨﺒﻲ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭ ﺳﻠﻢ
    ﻗﺎﻝ ‏( ﻣﺜﻞ ﺍﻟﺠﻠﻴﺲ ﺍﻟﺼﺎﻟﺢ ﻭﺍﻟﺴﻮﺀ ﻛﺤﺎﻣﻞ ﺍﻟﻤﺴﻚ ﻭﻧﺎﻓﺦ ﺍﻟﻜﻴﺮ
    ﻓﺤﺎﻣﻞ ﺍﻟﻤﺴﻚ ﺇﻣﺎ ﺃﻥ ﻳﺤﺬﻳﻚ ﻭﺇﻣﺎ ﺃﻥ ﺗﺒﺘﺎﻉ ﻣﻨﻪ ﻭﺇﻣﺎ ﺃﻥ ﺗﺠﺪ ﻣﻨﻪ
    ﺭﻳﺤﺎ ﻃﻴﺒﺔ ﻭﻧﺎﻓﺦ ﺍﻟﻜﻴﺮ ﺇﻣﺎ ﺃﻥ ﻳﺤﺮﻕ ﺛﻴﺎﺑﻚ ﻭﺇﻣﺎ ﺃﻥ ﺗﺠﺪ ﺭﻳﺤﺎ
    ﺧﺒﻴﺜﺔ )
    #অনুবাদ – হযরত আবু মুসা রাঃ থেকে
    বর্ণিত। রাসূল (সাঃ) ইরশাদ করেছেন-
    সৎসঙ্গ আর অসৎ সঙ্গের উদাহরণ হচ্ছে
    মেশক বহনকারী আর আগুনের পাত্রে
    ফুঁকদানকারীর মত। মেশক বহনকারী হয়
    তোমাকে কিছু দান করবে কিংবা তুমি
    নিজে কিছু খরীদ করবে। আর যে ব্যক্তি
    আগুনের পাত্রে ফুঁক দেয় সে হয়তো
    তোমার কাপড় জ্বালিয়ে দিবে, অথবা
    ধোঁয়ার গন্ধ ছাড়া তুমি আর কিছুই পাবে
    না।
    {সহীহ বুখারী, হাদীস নং-৫২১৪, সহীহ
    মুসলিম, হাদীস নং-৬৮৬০, মুসনাদুল
    বাজ্জার, হাদীস নং-৩১৯০, সুনানে আবু
    দাউদ, হাদীস নং-৪৮৩১, সহীহ ইবনে
    হিব্বান, হাদীস নং-৫৬১, মুসনাদে আবী
    ইয়ালা, হাদীস নং-৪২৯৫, মুসনাদে
    আহমাদ, হাদীস নং-১৯৬৬০, মুসনাদুল
    হুমায়দী, হাদীস নং-৭৭০, মুসনাদুশ
    শামীন, হাদীস নং-২৬২২, মুসনাদুশ
    শিহাব, হাদীস নং-১৩৭৭, মুসনাদে
    তায়ালিসী, হাদীস নং-৫১৫}
    :
    এছাড়াও অনেক হাদীস নেককার ও বুযুর্গ
    ব্যক্তিদের সাহচর্য গ্রহণের প্রতি
    তাগিদ বহন করে।
    আর সবচে’ বড় কথা হল-বর্তমান সময়ে
    অধিকাংশ মানুষই দ্বীন বিমুখ। যারাও
    দ্বীনমুখী, তাদের অধিকাংশই কুরআন
    হাদীসের আরবী ইবারতই সঠিকভাবে
    পড়তে জানে না, এর অর্থ জানবেতো
    দূরে থাক।
    আর যারাও বাংলা বা অনুবাদ পড়ে
    বুঝে, তাদের অধিকাংশই আয়াত বা
    হাদীসের পূর্বাপর হুকুম, বা এ বিধানের
    প্রেক্ষাপট, বিধানটি কোন সময়ের জন্য,
    কাদের জন্য ইত্যাদী বিষয়ে সম্যক
    অবহিত হতে পারে না। তাই বর্তমান
    সময়ে একজন সাধারণ মানুষের পক্ষে
    কুরআন সুন্নাহ থেকে নিজে বের করে
    আল্লাহ তাআলার উদ্দিষ্ট সীরাতে
    মুস্তাকিমে চলা বান্দার জন্য
    কষ্টসাধ্য। তাই আল্লাহ তাআলা সহজ পথ
    বাতলে দিলেন একজন বুযুর্গের পথ অনুসরণ
    করবে, তো সীরাতে মুস্তাকিমেরই
    অনুসরণ হয়ে যাবে।
    কিন্তু কথা হচ্ছে যার অনুসরণ করা হবে
    সে অবশ্যই সীরাতে মুস্তাকিমের পথিক
    হতে হবে। অর্থাৎ লোকটি {মুরশীদ বা
    পীর} এর মাঝে থাকতে হবে শরীয়তের
    পূর্ণ অনুসরণ। বাহ্যিক গোনাহ থেকে
    হতে হবে মুক্ত। কুরআন সুন্নাহ সম্পর্কে
    হতে হবে প্রাজ্ঞ। রাসূল সাঃ এর
    সুন্নাতের উপর হতে হবে অবিচল। এমন
    গুনের অধিকারী কোন ব্যক্তি যদি
    পাওয়া যায়, তাহলে তার কাছে গিয়ে
    তার কথা মত দ্বীনে শরীয়ত মানার
    নামই হল পীর মুরিদী। এরই নির্দেশ
    আল্লাহ তাআলা কুরআনে দিয়েছেন-
    ﻳَﺎ ﺃَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﺁَﻣَﻨُﻮﺍ ﺍﺗَّﻘُﻮﺍ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻭَﻛُﻮﻧُﻮﺍ ﻣَﻊَ ﺍﻟﺼَّﺎﺩِﻗِﻴﻦَ
    অনুবাদ-হে মুমিনরা! আল্লাহকে ভয় কর,
    আর সৎকর্মপরায়নশীলদের সাথে থাক।
    {সূরা তাওবা-১১৯)
    #বিঃদ্রঃ আখেরাতে নাজাত পাওয়ার
    জন্য মুরীদ হওয়া জরুরী নয়। তবে একজন
    হক্কানী পীরের কাছে মুরীদ হলে
    শরীয়তের বিধান পালন ও নিষিদ্ধ বিষয়
    ছেড়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে নিষ্ঠা আসে
    মুরুব্বীর কাছে জবাবদিহিতা থাকার
    দরুন। সেই সাথে আল্লাহর ভয়, ইবাদতে
    আগ্রহ সৃষ্টি হয়। পক্ষান্তরে বেদআতি,
    ভন্ড, মাজারপূজারী, বেপর্দা পীরের
    কাছে মুরিদ হলে ঈমানহারা হওয়ার সমূহ
    সম্ভাবনা থাকে। বিশেষ করে আটরশী,
    দেওয়ানবাগী, কুতুববাগী,
    মাইজভান্ডারী, রাজারবাগী, ফুলতলী,
    মানিকগঞ্জী, কেল্লাবাবা ইত্যাদী
    পীর সাহেবের দরবারে গেলে
    ঈমানহারা হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা
    রয়েছে। তাই সাবধান পীর নির্ধারণের
    ক্ষেত্রে।
    :

    Reply
  8. 13

    এম এ আই হানিফ গনিপুরী

    চরমোনাই পীরের ব্যাপারে যে অভিযোগটি তুলে ধরেছেন, এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।
    অনুগ্রহপূর্বক বর্তমান পীর সাহেবদের বয়ানগুলি ফলো করুন। তাদের বয়ানের ভাষ্যমতে কোন হক্কানী পীর তার মুরীদদের’কে শরীয়ত বিরুধী আদেশ দিতেই পারেন না।।
    অথচ আপনাদের এমন অপপ্রচার দেখে সত্যিই অবাক হলাম। আপনি হয়তো বলবেন আমরা তো রেফারেন্স দিয়েছি। কিন্তু যেখানে তাদের সরাসরি বক্তব্য আর আপনাদের অভিযোগের মধ্যে বিরাট পার্থক্য সেখানে রেফারেন্সের বিষয়টি কী বুঝাতে চেয়েছেন আর কী বুঝেছেন তা আমাদের বোধগম্য নয়। আশা করি আপনাদের অনলাইনে ইসলামবিরোধী অপপ্রচার মিশন একটু বন্ধ করবেন।
    পারলে সরাসরি আলোচনায় বসুন। মুনাজারা মুবাহাসা করুন। ঘরের কোণে বসে এমনটি না করুন।

    Reply
    1. 13.1

      মাসুম বিল্লাহ

      يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَكُونُوا مَعَ الصَّادِقِينَ [٩:١١٩]

      – হে ঈমানদার লোকেরা, তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সত্যবাদী লোকদের সঙ্গী হও।(আত তাওবাঃ119)।

      এ আয়াত পেশ করে পীরবাদীরা বলতে চান যে, সাদেকীন বলতে তাদেরই বোঝানো হয়েছে এবং তাদের নিকট মুরীদ হয়ে তাদের সোহবত ইখতিয়ার করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। অথচ দুনিয়ার কোনো লোকই এবং প্রথমকাল হতে শুরু করে বর্তমানকালের তাফসীরকারকদের মধ্যে কেউই এ থেকে পীরের নিকট মুরীদ হওয়ার আদেশ বুঝেননি, বুঝতে পারেনওনা। যদি কেউ তা বুঝতে চায়, তবে তা হচ্ছে নিজের মর্জি মত কুরআনকে ব্যবহার করা, নিজের পক্ষ সমর্থনে খামখেয়ালীভাবে কুরআনকে ব্যবহার করা। আর এ হচ্ছে অতি বড় অপরাধ- এত বড় অপরাধ যে, সুস্পষ্ট কুফরও এর সমতুল্য হতে পারেনা।

      এ আয়াতের ব্যাখ্যায় হযরত ইবনে আব্বাস(রা) লিখেছেন-সাদেকীন বলতে বোঝায় সে সব লোককে, যারা ঈমান এবং আল্লাহ ও রাসূলের সাথে করা আনুগত্যের ওয়াদা পূরণে সত্যবাদী প্রমাণিত হয়েছে।

      এছাড়া একে সাধারণ অর্থেও ব্যবহার করা যায়। তখন এর অর্থ হবেঃ এমন সব লোক, যারা দ্বীন পালনে নিয়্যত, মুখের কথা ও আমল-সব দিক দিয়েই সত্যবাদী প্রমাণিত হয়েছে।

      আল্লামা ইবনে কাসীর এ আয়াতের তাফসীরে লিখেছেনঃ সত্যবাদী হও, সত্যকে অবলম্বন করো, তাহলে তোমরা সত্যের ধারক হতে পারবে এবং ধ্বংস হতে বাঁচতে পারবে। তা তোমাদের কাজকর্মে সহজতা এনে দেবে।

      আল্লামা তালুসীর মতে এর অর্থ হতে পারে বিশেষভাবে তারাও- যারা মুসলিম বাহিনী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নিজেদেরকে উচ্চ স্থানে আটকে রেখেছিল।

      এতে করে গোটা আয়াতের অর্থ হবেঃ তারা তিনজন যেমন ভাবে সত্য কথা বলেছিলেন, সত্যবাদিতা ও খালিস নিয়্যতে, তোমরাও তেমনি হও।(ইমামুল মোফাসসেরীন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে আহমদ আল-আনসারী আল কুরতুবী তাঁর সুবিখ্যাত তাফসীরে এ আয়াতের বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন; কিন্তু তাতে পীর ধরা বোঝায় ও পীরের সঙ্গ গ্রহণের নির্দেশ হয়েছে বল উল্লেখ করেননি)।

      কুরআন মজীদের অপর এক আয়াতে সাদেকীন শব্দের সঠিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়। আয়াতটি এইঃ

      আরবী(**********)

      -সেসব ফকীর গরীব মুজাহিরদের জন্যে, যারা তাদের ঘর-বাড়ি থেকে বহিষ্কৃত এবং ধন-মাল থেকে বঞ্চিত হয়েছে, তারা আল্লাহর নিকট থেকে অনুগ্রহ ও সন্তোষ পেতে চায়। আর তারা আল্লাহ ও রাসূলের সাহায্য করে। প্রকৃতপক্ষে এরাই সাদেকীন, সত্যবাদী।

      এখানে ‘সাদেকীন’ বা সত্যবাদী লোকদের পরিচয় দিয়ে বলা হয়েছে যে, তারা দ্বীন ইসলামের কারণে ঘর-বাড়ি থেকে বহিষ্কৃত, ধন-মাল থেকে বঞ্চিত, তাঁরা সব সময় আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তোষ পেতে চায় এবং সেজন্য তারা সবসময় আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের সাহায্য কামনা করে দ্বীন কায়েম করার ব্যাপারে। এতো কোনো পীরের পরিচয় নয়।

      আমি মনে করি, এ পর্যায়ের লোকই বোঝা যেতে পারে সাদেকীন শব্দ থেকে। নাফে বলেছেন যে, যে তিনজন লোক তাবুক যুদ্ধে মুজাহিদীন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছিলেন তাদের কথাই বলা হয়েছে এখানে। এছাড়া নবী করীম(স) এবং তাঁর সাহাবীগণও এর অর্থ হতে পারেন, বলেছেন ইবনে উমর(রা)। সাঈদ ইবনে জুবায়ের বলেছেন যে, এ আয়াতে ‘সাদেকীন’ বলতে বোঝানো হয়েছে হযরত আবু বকর সিদ্দীক ও হযরত উমর ফারূক(রা)কে। তাহলে প্রশ্ন দাঁড়ায় যে, সাদেকীন অর্থ পীর, আর এ আয়াতে পীর ধরার নির্দেশ দেয়া হয়েছে-এ কথা বলা হচ্ছে কোন দলীলের ভিত্তিতে।

      Reply
    2. 13.2

      মাসুম বিল্লাহ

      আল্লাহর আন্দাজ নাই” বললেন চরমনায়ের পীর!!!নাউজুবিল…: https://youtu.be/qAVVfIzJ51s

      Reply
    3. 13.3

      Mukul Haider

      আমি এম এ আই হানিফ গনিপুরীর কাছে জানতে চাচ্ছি, চরমনাইয়ের পীর তার মুরীদদের ‌‌’ইল্লাল্লাহ’ বলে জিকের করতে বলে। কুরআন-হাদীসের কোথায় ‘ইল্লাল্লাহ’ বলে জিকির করতে বলা হয়েছে? এটা কি প্রমান করে যে, চরমনাই পীর কুরআন-হাদীসের পূর্ণাঙ্গ অনুসারি?

      Reply
  9. 12

    belal

    আলোচক একজন পীর বিদ্বেষী।।তাই আলোচনার খন্ড খন্ড বর্ননা করেছেন।তার উচিত সম্পুন আলোচনা পেশ করা তাহলে মানুষ বুঝতো চরমোনাই পীর সঠিক।।ভ্রান্ত নয়।।

    Reply
  10. 11

    Md Jubair Alom Ansari

    Alhamdulillah,khub e shundor lekha
    …….bondoder mukhush unmochon hobei hobe….In Sha Allah

    Reply

মন্তব্য করুন

© ২০১১-২০ ইসলামিক অনলাইন মিডিয়া