আরো দেখুন...

১টি মন্তব্য

  1. 1

    প্রকৌশলী মোঃ শামসুজ্জামান

    তাক্বদীর এর এই ব্যাখ্যা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য, অযৌক্তিক এবং বিভ্রান্তিকর। কিছু তাক্বদীর আছে যা নির্দিষ্ট এবং অপরিবর্তনীয়, যেমন জন্ম। আবার কিছু তাক্বদীর আছে যা আল্লাহ তায়ালা স্বাভাবিকভাবে একটা নির্দিষ্ট করে রেখেছেন, কিন্তু পরিবর্তনের একটা সুযোগও রেখেছেন এবং এই পরিবর্তন মানুষের কর্মফলের উপর নির্ভরশীল, যেমন মৃত্যু। কুরআন ও হাদিসে বিভিন্ন জায়গায় এসেছে, কিছু কিছু কর্মের দ্বারা আয়ু বৃদ্ধি পায়, আবার কিছু কর্মের দ্বারা হ্রাস পায়। যেমন, একটি মানুষের তাক্বদীরে আয়ু লিখা হয়েছে ৭০ বছর। কিন্ত, সে ৭০ এর কম বয়সে আত্মহত্যার পথ বেছে নেবে নাকি স্বাভাবিকভাবে ৭০ বছরই বাঁচবে এ বিষয়ে সে স্বাধীন। সে যদি আত্মহত্যা করে, তবে কর্মফল অনুযায়ী সে জাহান্নামী হবে। কেউ যদি বলে, তার তাক্বদীরেই আত্মহত্যা লিখা ছিল এবং এজন্য আল্লাহ তাকে জাহান্নামে দেবেন, তাহলে আল্লাহ তায়ালাকে ছোট করা হবে এবং আল্লাহ তায়ালার “রহমানুর রহিম” ও “গফুরুর রহিম” এই গুনবাচক নামগুলোর কোন মাহাত্ম থাকবে না। নাউজুবিল্লাহ। একজন মা তার সন্তানকে যত ভালবাসেন, আল্লাহ তায়ালা তার বান্দাকে তার চেয়েও বেশি ভালবাসেন। বান্দা যত বেশি গুনাহ করতে পছন্দ করে, আল্লাহ তার চেয়েও বেশি ক্ষমা করতে ভালবাসেন। আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, তাঁর ক্রোধ অনেক বেশি, কিন্তু মাখলুকের যে কোন বিষয়ে তিনি ক্রোধের উপর তাঁর রহমতকে প্রাধান্য দেবেন। সুতারাং, আল্লাহর বান্দারা, তাক্বদীর নির্দিষ্ট ভেবে আল্লাহর অসীম রহমত থেকে বঞ্চিত হবেন না। আল্লাহ তায়ালার “রহমানুর রহিম” ও “গফুরুর রহিম” নামদ্বয় স্মরণ রেখে আল্লাহর উপর ভরসা করে তদানুযায়ী আমল ও ইবাদত করে যান, ইনশাআল্লাহ, আল্লাহ তায়ালা আমাদের জান্নাতুল ফেরদাউস নসীব করবেন। আমিন। সুব্ হানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি, সুব্ হানাল্লাহিল আযিম।

    Reply

মন্তব্য করুন

© ২০১১-২০ ইসলামিক অনলাইন মিডিয়া