আরো দেখুন...

৪ Comments

  1. 3

    Md. Zubaer Kabir

    জান্নাতের নিয়ামতসমূহের একটি এই বিয়ে।
    জান্নাত হচ্ছে পবিত্র, আর সেকারনেই
    রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
    وَمَا فِي الْجَنَّةِ أَعْزَبُ
    আর জান্নাতে কোনো অবিবাহিত থাকবে না।’ [মুসলিম : ৭৩২৫]
    ফেমিনিস্টরা বলে জান্নাতে নারীরা হুর
    বা একাধিক স্বামী পাবে না কেন?
    জান্নাতে নারীদের একের
    অধিক স্বামী না থাকাকে যে
    ফেমিনিস্টরা নারীদের প্রতি
    অবিচার বলতে চায়, তাদের
    উত্তর একবাক্যে দেয়া যায়,
    তা হলো : ইসলাম আর ফেমিনিজম
    একসাথে হতে পারে না, সুতরাং
    কোন ফেমিনিস্ট ফেমিনিজম এর উপর
    মৃত্যুবরন করলে তার জান্নাতের আশা
    করে লাভ হবে না, সুতরাং জান্নাতে কি পাবে না পাবে,
    তা নিয়ে এতো চিন্তার তাদের প্রয়োজন’ই নেই।
    জান্নাতে হিংসা থাকবে না, সুতরাং
    দুনিয়াতে একই সাথে একাধিক পুরুষের
    সান্নিধ্য কামনাকারিনী ও হিংসুক
    জান্নাতে থাকবে না…
    তবে যে সকল দ্বীনি বোন নিতান্ত কৌতূহল
    থেকে প্রশ্ন করে তাদের জন্য :-
    আচ্ছা, নারী কি এটা পছন্দ করে যে,
    তিনি ছাড়াও তার স্বামীর আরো স্ত্রী থাকুক?
    না, এটা কোন নারীই পছন্দ করে না..
    নারীর একাধিক স্বামী থাকার জন্য তো
    স্বামীর একাধিক স্ত্রীও থাকতে হবে, অথচ
    নারী’ই আবার তা অপছন্দ করে!
    স্বামী সদাচরণ না করলেও স্ত্রী চায়
    তার স্বামী তারই থাকুক..
    দুনিয়া ও আখেরাতে উভয় জগতেই
    নারীর জন্য মর্যাদা ও সন্মানের হচ্ছে
    যে, সে একজনের থাকবে এবং তার
    একজন’ই থাকবে..
    যারা এর ব্যতিক্রম চায় অর্থাৎ অসম্মানিত
    হতে চায় তারা দুনিয়াতেও অসম্মানিত এবং
    আখেরাতে জাহান্নামে গিয়ে অসম্মানিতই হবে..
    আসলে নারী মাত্রই লজ্জার ভূষণে শোভিত..
    তারা কমলতায় পরিপূর্ণ, কোন নেককার
    নারী একাধিক স্বামীর সান্নিধ্য চায় না,
    স্বামী সদাচরন করলে তারা আমৃত্যু
    সে স্বামীর সাথেই থাকতে চায়,
    এমনকি পরকালেও তারা সেই স্বামীর’ই
    সান্নিধ্য চায় যা প্রকৃত ভালোবাসাতে
    দেখা যায়…
    সুতরাং দুনিয়ার মতো তুচ্ছ যায়গায়
    যা অসম্মানের, জান্নাতের মতো পবিত্র
    যায়গায় তা কি করে শোভনীয় হতে পারে!
    বিশুদ্ধ হাদিসে জান্নাতে সাধারন পুরুষের
    ২ জন হুর স্ত্রী এবং শহীদদের
    ৭০ জন হুর স্ত্রী পাওয়ার বর্ননা রয়েছে।
    আর নারীরা দুনিয়াতে তার
    সর্বশেষ স্বামীকেই জান্নাতে পাবে..
    আবূ দারদা রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত,
    রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
    « الْمَرْأَةَ لِآخِرِ أَزْوَاجِهَا ».
    ‘মহিলা তার সর্বশেষ স্বামীর জন্যই থাকবে।’
    [জামে‘ ছাগীর : ৬৬৯১; আলবানী, সিলসিলাতুল
    আহাদীস আস-সাহীহা : ৩/২৭৫]
    হুযায়ফা রাদিআল্লাহু আনহু তাঁর স্ত্রীর উদ্দেশে বলেন,
    إِنْ سَرَّكِ أَنْ تَكُونِى زَوْجَتِى فِى الْجَنَّةِ فَلاَ
    تَزَوَّجِى بَعْدِى فَإِنَّ الْمَرْأَةَ فِى الْجَنَّةِ لآخِرِ
    أَزْوَاجِهَا فِى الدُّنْيَا فَلِذَلِكَ حَرُمَ عَلَى أَزْوَاجِ النَّبِىِّ
    -صلى الله عليه وسلم- أَنْ يَنْكِحْنَ
    بَعْدَهُ لأَنَّهُنَّ أَزْوَاجُهُ فِى الْجَنَّةِ.
    ‘যদি তোমাকে এ বিষয় খুশী করে যে তুমি জান্নাতে
    আমার স্ত্রী হিসেবে থাকবে তবে আমার পর আর
    বিয়ে করো না। কেননা জান্নাতে নারী তার সর্বশেষ
    দুনিয়ার স্বামীর সঙ্গে থাকবেন। এ জন্যই রাসূলুল্লাহ
    সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মৃত্যুর পর তাঁর স্ত্রীদের
    জন্য অন্য কারো সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে জড়ানো হারাম
    করা হয়েছে। কেননা তাঁরা জান্নাতে তাঁরই স্ত্রী হিসেবে থাকবেন।’
    [বাইহাকী, আস-সুনান আল-কুবরা : ১৩৮০৩]
    আমাদের শায়েখ ফকিহ ইমাম ইবনে উসাইমিন (রহঃ)
    বলেন : ‘মহিলা যদি জান্নাতবাসী হন আর তিনি বিয়ে না
    করেন কিংবা তাঁর স্বামী জান্নাতী না হন, সে ক্ষেত্রে তিনি
    জান্নাতে প্রবেশ করলে সেখানে অনেক পুরুষ দেখতে
    পাবেন যারা বিয়ে করেন নি।’ অর্থাৎ তাদের কেউ
    তাকে বিয়ে করবেন।
    ____________________­____________________­_
    অর্থাৎ, জান্নাতি নারীর অন্তরে একাধিক স্বামী প্রাপ্তির
    সম্মান হানিকর চিন্তা উদ্রেক হবে না।
    আয়েশা রাদিআল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
    أَتَت النَّبِي صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم َ عَجُوز من
    الْأَنْصَار فَقَالَت يَا رَسُول الله ادْع الله أَن يدخلني
    الْجنَّة فَقَالَ عَلَيْهِ السَّلَام « إِن الْجنَّة لَا يدخلهَا عَجُوز »
    . فَلَقِيت مِمَّا قَالَ مشقة فَقَالَ
    « إِن الله إِذا أدْخلهُنَّ الْجنَّة حَوْلهنَّ أَبْكَارًا ».
    একবার এক আনছারী বৃদ্ধা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি
    ওয়াসাল্লামের কাছে এলেন। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল,
    আল্লাহর কাছে দু‘আ করেন তিনি যেন আমাকে জান্নাতে
    প্রবেশ করান। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন,
    ‘জান্নাতে তো কোনো বৃদ্ধ মানুষ প্রবেশ করবে না।’ এ কথা
    শুনে বৃদ্ধা বড় কষ্ট পেলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি
    ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘আল্লাহ যখন তাদের (বৃদ্ধদের) জান্নাতে
    দাখিল করাবেন, তিনি তাদের কুমারীতে রূপান্তরিত করে
    দেবেন।’ [তাবরানী, আল-মু‘জামুল আওসাত : ৫৫৪৫]
    জান্নাতে যদি বৃদ্ধ না থাকে তাহলে
    নির্লজ্জ হিংসাপরায়ণ ফেমিনিস্ট মাইন্ডেড
    নারীরা আশাহত হতেই পারেন….

    Reply
    1. 3.1

      মাহফুজুর রহমান

      অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চমৎকার আপনার লেখাটি, ইহকাল ও পরকালের জন্য কল‍্যান কামনা করি ।

      Reply
  2. 2

    জাহিদ

    ভাই হুর যে নারি বা পুরুষ উভয় ই বুজায়, বুজলাম না।কুরানে তো আছে আয়াত নয়না,বা সু নয়না…. এইটা ত ফিমেল ই ইন্ডিকেট করে…প্লিজ কিছু রেফারেন্স দিয়েয়েন। লেখাটি অবশ্য চমৎকার এবং কাব্যিক।কিন্তু দলিল ছাড়া গ্রহণীয় নহে

    Reply
  3. 1

    Daud Saif

    প্রশ্নটি নিয়ে আমিও দ্বিধা দন্দে ছিলাম, পড়ে উপকৃত হলাম।আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিন ভাই।

    Reply

মন্তব্য করুন

অনুগ্রহপূর্বক ইসলামিক অনলাইন মিডিয়া‘র মন্তব্যের নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন। আপনার ই-মেইল ঠিকানা গোপন থাকবে। নামই-মেইল আবশ্যক।

© ২০১১-১৮ ইসলামিক অনলাইন মিডিয়া