আরো দেখুন...

One Comment

  1. 1

    Tushar

    ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক আটা, যব, গম, কিসমিস, খেজুর ও পনির ইত্যাদি পণ্যগুলোর যে কোন ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক আটা, যব, গম, কিসমিস, খেজুর ও পনির ইত্যাদি পণ্যগুলোর যে কোন একটি দ্বারা ফিতরা দেওয়া যায়।

    একই ভাবে যাকাতের জন্য সাড়ে ৭ তোলা স্বর্ণ বা সাড়ে ৫২ তোলা রৌপ্যের সঞ্চয় থাকা লাগে।

    আচ্ছা, এই মাপগুলো কি রাসুল (সাঃ)-এর সময়ের মাপ কি না?

    এখনকার দিনে স্বর্ণ ও রৌপ্যের মূল্যের তফাত অনেক, তাই না? অথচ সে সময়ে হয়ত তফাতটা ছিল সাড়ে ৭ তোলা স্বর্ণ = সাড়ে ৫২ তোলা রৌপ্য! যদি স্বর্ণকে আদর্শ ধরে নেই, তাহলে রৌপ্যের মাপও বাড়বে, এখনকার বাজার দর অনুযায়ী, তাই না?

    একইভাবে সেই সময়ে খেজুর ছিল সবচেয়ে সস্তা খাদ্য দ্রব্য, এবং রাসুল(সাঃ) সেই খেজুর দিয়েই ইফতারি করতেন। তিনি মূল্যবান খাবার (যেমন আটার রুটি বা যবের রুটি ইত্যাদি) ইফতারিতে ব্যবহার করতেন না। কেননা সব সাহাবীরা সেই সামর্থ্যের অধিকারী ছিলেন না। রাসুল(সাঃ) সবার সাথে মিলিয়ে চলতেন বলেই আরব দেশের সবচেয়ে সস্তা খাবার ইফতারীতে খেতেন। সে সময়ে আটা-যব-গম ইত্যাদি খাদ্য খুব দামী খাবার ছিল আরব দেশে।

    আমাদের দেশে ঠিক তার উলটো। এখানে বিদেশ থেকে আসা খেজুর ও কিশমিশ বেশি দামী হবে, কিন্তু ধান-গমের স্থানীয় উৎপাদনের জন্য আটা-র দাম কম হবে। এ সব ক্ষেত্রে শরিয়ত কি বলে? আপনার কি মনে হয়, এক কেজি ৬৫০ গ্রাম আটা আর ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম খেজুরের মূল্য অনুযায়ী মাপ এই কালেও সেই ১৪০০ বছর আগেকার আরব দেশের মতই আছে?

    ইসলাম নিশ্চয় জীবনকে কঠিন করে দেওয়ার জন্য আসে নাই। ইসলাম আমাদের জীবনকে সহজ ও সুন্দর করার এক জীবন ব্যবস্থা। আমরা জানি, কোন নিষ্ঠাবান ও সামর্থ্যবান মুসলমান ফিতরা কিংবা যাকাতের ক্ষেত্রে কোন গাফিলতি করেন না। আপনাদের মতামত আশা করছি।

    Reply

মন্তব্য করুন

© ২০১১-২০ ইসলামিক অনলাইন মিডিয়া