Download App
Domain/Hosting
Bangla InfoHub

আরো দেখুন...

7 টি মন্তব্য

  1. 2

    Md Miraz

    আলহামদুলিল্লাহ,,নতুন একটা জিনিস শিখলাম

    Reply
  2. 1

    ফারাবি

    ভালই শিক্ষনীয় পোস্ট | ধন্যবাদ এডমিন |

    Reply
    1. 1.1

      zero

      আপনার মনগড়া কথা, আপনার শব্দের গাঁথুনি একেবারে মন্দ নয়। তবে, মূর্তিপূজায় ব্যয়িত সময়, শ্রম ও অর্থ যদি বৃথা হয়, তবে মসজিদের বড় বড় মিনার-গম্বুজের পেছনে ব্যয়িত সময়, শ্রম ও অর্থ বৃথা নয় কি? হয়ত আপনি বলবেন, “এটাতো আল্লার ঘর, তাই আল্লার উদ্দেশ্যে ব্যয় বৃথা নয়।” কিন্তু গোটা পৃথিবীইতো আল্লার, তাছাড়া আপনাদের মতানুসারে আল্লা নিরাকার; নিরাকারের আবার ঘর কিসের। তিনিতো সর্বত্রই আছেন। পৃথকভাবে একটা নিরাকার বস্তুর ঘর নির্মাণ বৃথা নয় কি? যদি বলেন,মসজিদ আল্লার এবাদতের স্থান, তবে বলব, এবাদত তো যেকোনো স্থানেই করা যায়, মসজিদের কী প্রয়োজন? আবার, মসজিদ গড়লেও তাতে কেবল নামাজের জন্য উপযুক্ত জায়গা হলেই যথেষ্ট, শুধুশুধু বড় বড় গম্বুজ, সুউচ্চ মিনার, দামী দামী টাইলস্, মার্বেল পাথর বসানো সময়, শ্রম ও অর্থের বৃথা অপচয় নয় কি? (আশা করি পোস্টটি ডিলিট করবেন না। নিজের খোড়া যুক্তিকে দৌড় দেয়ানোর অপচেষ্টা করবেন না )

      Reply
      1. 1.1.1

        রাকিবুল

        পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হচ্ছে, ‘নিঃসন্দেহে সর্বপ্রথম ঘর যা মানুষের জন্য নির্ধারিত হয়েছে। সেটাই হচ্ছে এ ঘর, যা বাক্কায় (মক্কায়) অবস্থিত এবং সারা জাহানের মানুষের জন্য হেদায়েত ও বরকতময়। এতে রয়েছে ‘মাকামে ইবরাহিমের মতো প্রকৃষ্ট নিদর্শন। আর যে লোক এর ভিতরে প্রবেশ করেছে, সে নিরাপত্তা লাভ করেছে। আর এ ঘরের হজ করা হলো মানুষের ওপর আল্লাহর প্রাপ্য; যে লোকের সামর্থ্য রয়েছে এ পর্যন্ত পৌঁছার। আর যে লোক তা মানে না, আল্লাহ সারা বিশ্বের কোনো কিছুরই পরোয়া করেন না।’ (সূরা আলে ইমরান : ৯৬-৯৭)

        আলোচ্য আয়াতদ্বয়ের মধ্যে মহান রাব্বুল আলামিন পবিত্র কাবা শরিফের নির্মাণের উদ্দেশ্য ও সংক্ষিপ্ত ইতিহাস আলোকপাত করেছেন। এই ঘরটি পৃথিবীর ইতিহাসে সর্বপ্রথম ইবাদতের ঘর যা বরকত ও সব কল্যাণের আধার এবং সারা বিশ্বের জন্য হেদায়েতের দিশারি। আল্লামা ইদ্রিস কান্ধলবী (র.) স্বীয় কিতাব তাফসিরে মারেফুল কোরআনে উক্ত আয়াতের ব্যাখ্যায় লেখেন যে, নভমণ্ডল, ভূমণ্ডল, চন্দ্র, সূর্য ও তারকারাজি সৃষ্টি করার আগে মহান রাব্বুল আলামিন কাবার জমিন সৃষ্টি করেছেন। পরে কাবার নিচ থেকে জমিনকে বিস্তৃত করে সারা পৃথিবী সৃষ্টি করেন।

        বায়হাকি শরিফে একটি হাদিস এসেছে, হজরত রসুলে আরাবি (সা.) বলেন, হজরত আদম ও বিবি হাওয়ার পৃথিবীতে আগমনের পর আল্লাহতায়ালা হজরত জিবরাঈল (আ.)-এর মাধ্যমে তাদের কাবা সংস্কারের নির্দেশ দেন। সংস্কার হয়ে গেলে তাদের কাবা গৃহ তওয়াফ করার নির্দেশ দেন। ইবনে কাসিরে উল্লেখ করা হয়, আল্লাহতায়ালা হজরত আদম (আ.)কে উদ্দেশ করে বলেন, আপনি সর্বপ্রথম মানব এবং এই গৃহটি সর্বপ্রথম গৃহ— যা মানব জাতির জন্য নির্দিষ্ট করা হয়েছে।

        ভাই আল্লাহর জন্য কোন ঘরের প্রয়োজন নেই। কাবা ঘর হচ্ছে মুসলিমদের কেবলা।পৃথিবীর সূচনালগ্ন থেকে যুগে যুগে কেন নবীগণ এবং অন্যান্য মানুষ কাবা শরিফ নির্মাণের মতো এই বরকতপূর্ণ কাজে নিজেদের শরিক করেন? বিষয়টি আমাদের ভালোভাবে বুঝতে হবে, যা কুরআনের মাধ্যমে আমরা সহজেই জানতে পারি। মহান রব্বুল আলামিন পবিত্র কোরআনে সূরা জারিয়ার ৫৬-৫৭নং আয়াতে ইরশাদ করেন, ‘আমার ইবাদত করার জন্যই আমি মানব ও জিন জাতিকে সৃষ্টি করেছি। আমি তাদের কাছে জীবিকা চাই না এবং এটাও চাই না যে, তারা আমাকে আহার্য জোগাবে।’ আলোচ্য আয়াতদ্বয়ে মানব ও জিন জাতির সৃষ্টির উদ্দেশ্য আলোচিত হয়েছে। আগে পবিত্র কাবাতুল্লাহ নির্মাণের উদ্দেশ্য আলোচিত হয়েছে। অর্থাৎ বিশ্ববাসী যতদিন পর্যন্ত পবিত্র কাবাতুল্লাহর সম্মান করবে, তওয়াফ করবে, কাবাতুল্লাহর দিকে ফিরে নামাজ আদায় করবে, হজ ও উমরাহ করবে ততদিন পর্যন্ত সারা দুনিয়া টিকে থাকবে। দুনিয়াবাসী রহমত ও বরকত পেতে থাকবে। দুনিয়ায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে। এ সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হচ্ছে, ‘আল্লাহতায়ালা সম্মানিত গৃহ কাবাকে মানুষের স্থিতিশীলতার কারণ করেছেন’ উক্ত আয়াতের ব্যাখ্যা হজরত আতা (র.) এইভাবে করেছেন যে, কাবাঘর সারা বিশ্বের স্তম্ভস্বরূপ। যতদিন এর দিকে মুখ করে মানুষ নামাজ পড়বে ও হজ করবে ততদিন দুনিয়াটা টিকে থাকবে।

        পৃথিবীর যেকোন পবিত্র স্থানে নামাজ আদায় করা যায়। কিন্তু মসজিদের কেন প্রয়োজন এবং এর পেছনে ব্যয়িত সময়, শ্রম ও অর্থ বৃথা নয় কি? মসজিদে কেন নামাজ আদায় করতে হবে? আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেন: আল্লাহ তা‘আলার (ঘর) মসজিদ আবাদ তারাই করবে, যারা আল্লাহ তা‘আলা ও পরকালের উপর ঈমান আনে, নামায কায়েম করে, যাকাত আদায় করে এবং আল্লাহ তা‘আলা ছাড়া কাউকেই ভয় করে না। তাদের ব্যাপারে আশা করা যায়, এরা হেদায়াত প্রাপ্ত বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত হবে। (সূরায়ে তাওবা আয়াত নং ১৮)

        ইসলাম জামাআতবদ্ধ জীবন পছন্দ করে; অপছন্দ করে বিচ্ছিন্নতাকে। কারণ, শান্তি ও শ£খলা রয়েছে জামাআতে। আর নামায একটি বিশাল ইবাদত। নামায পড়তেও হয় সমাজের সকল শ্রেণীর সভ্যকে। তাই সমষ্টিগতভাবে এই ইবাদতের জন্যও একটি সুশৃঙ্খল নিয়ম-নীতির প্রয়োজন ছিল। বিধিবদ্ধ হল জামাআত।

        পাঁচ ওয়াক্ত নামায ফরয হয় ইসরা’ ও মি’রাজের রাত্রে। ঠিক তার পরের দিন যোহরের সময় জিবরীল (আঃ) প্রিয় নবী (সাঃ)-কে নিয়ে জামাআত সহকারে প্রথম নামায পড়েন। অনুরুপভাবে মুসলিমরাও মহানবী (সাঃ)-এর পশ্চাতে দাঁড়িয়ে তাঁর অনুসরণ করেন। আর জিবরীলের ইমামতির পর মহানবী (সাঃ) মক্কা মুকার্রামায় কোন কোন সাহাবীকে নিয়ে কখনো কখনো জামাআত সহকারে নামায আদায় করেছেন। কিন্তু মদ্বীনায় হিজরত করার পর জামাআত একটি বাঞ্জিত নিয়ম ও ইসলামী প্রতীকরুপে গুরুত্ব পেল। আর সকল নামাযীকে জামাআতবদ্ধ ও জমায়েত করার জন্য বিধিবদ্ধ হল আযান।

        ইসলামী শরীয়তের একটি মাহাত্ম এই যে, তার বিভিন্ন ইবাদতে জামাআত ও ইজতিমা বিধিবদ্ধ রয়েছে। যা আসলে এক একটি সম্মেলন। যে সম্মেলনে মুসলিম নিয়মিতভাবে জমায়েত হয়। তাতে তারা এক অপরের অবস্থা জানতে পারে। একে অন্যকে উপদেশ দিতে পারে। কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সলা-পরামর্শ করতে পারে। উপস্থিত সমস্যfর সঠিক সমাধান অনুসন্ধানের উদ্দেশ্যে পরস্পর সহ্‌যোগিতা করতে পারে। এক সাথে বসে পরস্পর মত-বিনিময় করতে পারে। জামাআতে উপস্থিত হয়ে অজ্ঞ ব্যক্তি ইসলামী জ্ঞান লাভ করতে পারে। দরিদ্র সাহায্য পেতে পারে। ঐক্যের মহামিলন দেখে মুসলিমের হৃদয় নরম হয়ে থাকে। প্রকাশ পায় ইসলামী শান-শওকত, সমতা, সহানুভূতি ও সহমর্মিতা।

        জামাআতে ভেঙ্গে চুরমার হয় বর্ণ-বৈষম্যের সকল প্রাচীর। একাকার হয় সকল জাত-পাত। আমীর-গরীব, আতরাফ-আশরাফ, বাদশা-ফকীরের কোন ভেদাভেদ নেই এখানে। ইসলামী ভ্রাতৃত্ববোধের মহান আদর্শর অভিব্যক্তি ঘটে এই জামাআতে।

        সময়ানুবর্তিতা, নিয়মানুবর্তিতা, সুশৃঙ্খলতা এই জামাআতের মহান বৈশিষ্ট্য । সভ্য জাতির আদর্শ শিক্ষা লাভ হয় এই পুন: পুন: ইজতিমায়। জামাআতে উপস্থিত হয়ে একে অপরের দেখাদেখি আল্লাহর ইবাদতের জন্য প্রতিযোগিতামূলক মন-মানসিকতা সৃষ্টি হয় মুসলিমের।

        জামাআতের এই মহা মিলনক্ষেত্রে ইসলামী সম্প্রীতির যে সুন্দর ও সুষ্ঠ পরিবেশ পরিলক্ষিত হয়, তাতে সামাজিক জীবনের চলার পথে নিজেকে একাকী ও অসহায় বোধ হয় না। মনে জাগে খুশী, প্রাণে জাগে উৎফুল্লুতা, ইবাদতে আসে মনোযোগ, উৎসাহ্‌, উদ্দীপনা ও স্ফূর্তি।

        বড় বড় গম্বুজ, সুউচ্চ মিনার, দামী দামী টাইলস্, মার্বেল পাথর বসানো সময়, শ্রম ও অর্থের বৃথা অপচয় নয় কি?

        ভাই মানুষ সৌর্দযকে পছন্দ করে, তাই সকলেই চায় মসজিদের সৌর্দয বৃদ্ধিপাক। আর এজন্য অর্থ ব্যয় করে। আল্লাহর পথে অর্থ ব্যয় করা মুসলামদের কর্তব্য এবং সাওয়াবের কাজ। আর এ কাজের পিছনে অর্থ ব্যয় অপচয় নয়। কেননা আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেন: আল্লাহ তা‘আলার (ঘর) মসজিদ আবাদ তারাই করবে, যারা আল্লাহ তা‘আলা ও পরকালের উপর ঈমান আনে, নামায কায়েম করে, যাকাত আদায় করে এবং আল্লাহ তা‘আলা ছাড়া কাউকেই ভয় করে না। তাদের ব্যাপারে আশা করা যায়, এরা হেদায়াত প্রাপ্ত বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত হবে। (সূরায়ে তাওবা আয়াত নং ১৮)।

        তবে একথা বলবো, অতিরিক্ত কোন কিছুই ভাল নয়, সেটা যে কাজেই হোক (মসজিদ. নির্মান, মাদ্রাসা নির্মান বা অন্য কিছু।) আর হ্যা ভাই, কিয়ামতের আলামতের মধ্য একটা আলামত হচ্ছে, শেষ জামানায় মানুষ মসজিদ নিয়ে গর্ব করবে। অর্থাৎ কোন মসজিদ কত সুন্দর এটা নিয়ে গর্ব করবে।

        আশা করি, দলিল সহ উত্তর পেয়েছেন।

        একজন মুসলমান হিসেবে শুধু এটুকু বলবো, আল্লাহর খুশির জন্য যে কোন ধরণের অর্থ ব্যয় করা অপচয় নয়। সেটা মসজিদ নির্মাণের জন্য হোক, কাউকে সাহায্য করে হোক। আল্লাহর খুশির জন্য যে কোন কাজ করা একজন মুমিন মুসলমানের শেষ ও একমাত্র ইচ্ছা (যে আমি যা করবো আল্লাহর খুশির জন্যই করবো)। আর এতেই আমাদের তৃপ্তি। আল্লাহর ইবাদত করা ছাড়া অন্য কারো ইবাদত করা শিরক এবং সেই সকল কাজের জন্য শুধু অর্থ নয়, সময়, শ্রম, অর্থ, পুজার স্থানে যাওয়া বা সামান্য সাহায্য করাও গুনাহের কাজ। কেননা এগুলো ধীরে ধীরে আমাদের ঈমানকে ধ্বংস করে দেয়।

        Reply
      2. 1.1.2

        abdbarik

        আল্লাহ নিরাকার আপনি কি করে জানলেন? আল্লাহ নিরাকার এমন কথার ভিত্তি নাই। বরং আল্লাহর আকার এই চর্ম চোখ দিয়ে দেখা সমম্ভ নয়।

        Reply
      3. 1.1.3

        saiful

        ইবাদত এমন একটি কাজ যা একাগ্রতার সাথে করতে হয় যে কোন কাজের একটি নির্দিষ্ট জায়গা প্রয়োজন হয় তাই আল্লাহ ইবাদত করতে মসজিদ হল একটি নির্দিষ্ট ঘড়। ঘোটা পৃথিবী আল্লাহর তাই আপনি দেখবেন মুসলমান নামাজের সময় হলে যে কোন জায়গায় ণামাজ পড়ে যদি সময় পায় তাহলে মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়া উত্তম। আপনি অফিসে একটি শারীরিক ও মানসিক কাজ করবেন যদি আপনাকে একটি দুর্গন্দ যুক্ত, ভাঙা,রুমে দেওয়া হয় তাহলে আপনি সেই কাজ গুলো মনোযোগ দিয়ে করতে পাড়বেন? কাজে মনোযোগটার জন্য আপনি চাইবেন সুন্দর পরিবেশ তাই ইবাদতের জায়গা বা পরিবেশ সুন্দর করা অপচয় নয়। সুউচ্চ মিনার দেওয়া হয় বিশেষ করে আজান দেওয়ার জন্য। আপনি যদি হিন্দু হয়ে থাকেন তাহলে বলি, মূর্তি পূজা হিন্দু ধর্মে নিষিদ্ধ।

        Reply
      4. 1.1.4

        মোস্তাফা কামাল

        হ্যাঁ ভাই মূর্তি পূজা করা সময় শ্রম অর্থ সবগুলাই বৃথা। কারণ যারা আমার হাতের তৈরি তারা তো আমারই গোলাম, আমি কেন তাদের গোলাম হব।উপাসনা হবে একমাত্র স্রষ্টার জন্য।স্রষ্টার নামে স্রষ্টার উপাসনার ভাগ আপনি মূর্তি কে দিবন কেন? যে মূর্তি আপনার কোন ক্ষতি কিংবা উপকার করতে পারে না। শুধু তাই নয় যে মূর্তি নিজেকে রক্ষা করার ক্ষমতা নাই সে পরকালে আপনাকে বিপদ থেকে কিভাবে রক্ষা করবে.
        আর মুসলমানরা কোন ঘরের উপাসনা করেনা। নির্বিঘ্নে নিরাপদে নিরিবিলি মালিকের উপাসনা করার জন্য ঘর. মালিকের উপাসনা করে.
        মসজিদের গম্বুজ মিনার এগুলো উপাসনার কোন মূল বিষয় নয় শুধু ওই ঘরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে যেখানে সে ইবাদত করবে. এজন্য ইসলামে বাঁশের তৈরি ভাঙ্গাচুরা জীর্ণ-শীর্ণ মসজিদের যে সম্মান বায়তুল মোকাররমের একই সম্মান। উঁচু বিশাল ইমারতের আলাদা কোন সম্মান নাই যেহেতু উভয় জায়গাটুকু স্রষ্টার উপাসনার জায়গা তাই উভয়ের জায়গার মর্যাদা এক.
        এখন বলতে পারেন পুরো পৃথিবীর তো আল্লাহর.তাহলে একটু জায়গা একটি ঘর কেন আল্লাহর ঘর হবে.
        আপনার কথা ঠিক আছে. পুরো পৃথিবী আল্লাহর এবং রাসূলের হাদিস বুখারির হাদিসে রাসূল বলেছেন সারা পৃথিবীর ভূমি আমাদের মসজিদ করা হয়েছে সুতরাং পথে-ঘাটে-মাঠে যে যেখানে নামাজ পড়ে নামাজ আদায় হবে.
        যেহেতু সব জায়গায় সব সময় পবিত্র থাকে না কোন কোন জায়গা বিভিন্ন প্রাণীর পেশাব পায়খানায় অপবিত্র হতে পারে সব জায়গাকে সর্বদা পরিষ্কার করে সংরক্ষণ সম্ভব নয়. তাই সর্বদা যে জায়গাটুকুতে ইবাদত করা হবে ওই জায়গাটুকু ওই ঘর টুকু পুতপবিত্র পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য মসজিদ হিসেবে ঘোষণা করা যাকে বলা হয় আল্লাহর ঘর।আল্লাহর ঘর মানে এই নয় যে আল্লাহ এখানে বসবাস করেন বরং আল্লাহকে স্মরণ করার ঘর, আল্লাহকে উপাসনার ঘর। তাই তার নাম আল্লাহর ঘর.
        আল্লাহ সব জায়গায় সর্বদা অবস্থান করেন এ বিশ্বাস ইসলামের বিশ্বাস নয়. ইসলামের বিশ্বাস হলো আল্লাহ আসমানে আর আরবে আজীমে আছেন এটা কুরআনের কথা. আর যারা বলে আল্লাহ সব জায়গায় আছেন তার মানে হল সব জায়গা আল্লাহর চোখের সামনে আছে।

        Reply

মন্তব্য করুন

© ২০১১-২০ ইসলামিক অনলাইন মিডিয়া