রামাযান ও ছিয়াম

নফল ছিয়াম : পরকালীন মুক্তির পাথেয় – (১)

ইসলামী শরী‘আতে যেকোন নফল ইবাদত তাক্বওয়ার স্তর নির্ধারণ করে। যার নফল ইবাদত যত বেশী, তার তাক্বওয়ার স্তর তত উন্নত। নফল ইবাদতের মধ্যে নফল ছিয়াম অন্যতম। সারা বছরের বিভিন্ন সময়ে নফল ছিয়াম রাখার সুযোগ রয়েছে। এটি বিভিন্ন সময়ের সাথে সম্পৃক্ত হওয়ার কারণে একেকটির ফযীলতও একেক ধরনের। রকমারী ফযীলতের ডালি ভরা নফল ছিয়ামের আধিপত্যও তাই অনেকাংশে বেশী। আলোচ্য প্রবন্ধে ছিয়ামের ফযীলত, বিভিন্ন প্রকারের নফল ছিয়াম প্রভৃতি প্রসঙ্গে নাতিদীর্ঘ আলোচনা করা হ’ল।

ছিয়ামের ফযীলত :

ছিয়াম আল্লাহ প্রদত্ত এক বিশেষ ইবাদত। যার প্রতিদান আল্লাহ নিজ হাতে প্রদান করবেন বলে অঙ্গীকার করেছেন। আর দ্বিতীয় কোন ইবাদত নেই যার ব্যাপারে অনুরূপ বলা হয়েছে। হাদীছে কুদসীতে আল্লাহ বলেন, يَتْرُكُ طَعَامَهُ وَشَرَابَهُ وَشَهْوَتَهُ مِنْ أَجْلِى اَلصِّيَامُ لِىْ وَأَنَا أَجْزِىْ بِهِ ‘সে আমার জন্য পানাহার ও কামাচার পরিত্যাগ করে। ছিয়াম আমার জন্য, আমিই উহার প্রতিদান দিব’। ক্বিয়ামতের দিন ছায়েমদেরকে ‘রাইয়্যান’ নামক বিশেষ গেট দিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে। তাদের প্রবেশের পরই গেট বন্ধ করে দেয়া হবে। যেন এ গেট দিয়ে আর কেউ প্রবেশ করতে না পারে।
অন্য একটি হাদীছে এসেছে, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর উদ্দেশ্যে একটি ছিয়াম পালন করবে, আল্লাহ তার চেহারাকে জাহান্নামের আগুন হ’তে ৭০ বছরের পথ দূরে রাখবেন’। অন্য বর্ণনায় ১০০ বছরের পথ দূরে রাখবেন বলা হয়েছে। অপর হাদীছের বর্ণনা মতে জাহান্নাম ও তার মাঝে এমন একটি গর্ত খনন করবেন যার ব্যবধান হবে আসমান ও যমীনের ব্যবধানের ন্যায়। উল্লেখিত হাদীছগুলোতে ছিয়ামের গুরুত্ব সহজেই ফুটে ওঠেছে। আমাদের কর্তব্য হবে যথাসম্ভব নফল ছিয়াম পালনের মাধ্যমে উক্ত মর্যাদার ধারক হওয়া। নিম্নে বিভিন্ন ধরনের নফল ছিয়ামের আলোচনা পেশ করা হ’ল।

১. শা‘বান মাসের ছিয়াম :

রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) রামাযানের ফরয ছিয়ামের পর শা‘বান মাসেই এক টানা নফল ছিয়াম পালন করতেন। এ মাসের চেয়ে আর কোন মাসেই এত অধিক নফল ছিয়াম রাখতেন না। রামাযানের প্রস্ত্ততি স্বরূপ তিনি প্রায় পুরো শা‘বান মাসই ছিয়াম রাখতেন। আয়েশা (রাঃ) বলেন,

كَانَ رَسُوْلُ اللهِ صلى للهُ عَلَيهِ وَسَلَّمَ يَصُوْمُ حَتَّى نَقُوْلَ لاَيُفْطِرُ وَيُفْطِرُ حَتَّى نَقُوْلَ لاَ يَصُوْمُ فَمَا رَأَيْتُ رَسُوْلَ اللهِ صَلَى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اِسْتَكْمَلَ صِيَامَ شَهْرٍ إِلاَّ رَمَضَانَ وَمَا رَأَيْتُهُ أَكْثَرَ صِيَامًا مِنْهُ فِىْ شَعْبَانَ-

‘রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ছিয়াম পালন করতে থাকতেন, এমনকি আমরা বলাবলি করতাম তিনি আর ছিয়াম ছাড়বেন না। আবার এমনভাবে ছেড়ে দিতেন, আমরা মনে করতাম তিনি আর ছিয়াম রাখবেন না। আমি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে রামাযান মাস ব্যতীত কোন মাসে পুরো মাস ছিয়াম রাখতে দেখিনি। আর শা‘বান মাসের চেয়ে কোন মাসে অধিক ছিয়াম রাখতে দেখিনি’।

আয়েশা (রাঃ) বলেন, لَمْ يَكُنِ النَّبِىُّ صلى الله عليه وسَلم يَصُوْمُ شَهْرًا أَكْثَرَ مِنْ شَعْبَانَ فَإِنَّهُ كَانَ يَصُوْمُ شَعْبَانَ كُلَّهُ وَكَانَ يَقُوْلُ خُذُوْا مِنَ الْعَمَلِ مَا تُطِيْقُوْنَ فَإِنَّ اللهَ لاَيَمَلُّ حَتَّى تَمَلُّوْا- ‘রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) শা‘বান মাসের চেয়ে অধিক ছিয়াম কোন মাসে পালন করতেন না। তিনি পুরো শা‘বান মাসই ছিয়াম পালন করতেন এবং বলতেন, তোমাদের যতটুকু সামর্থ্য আছে ততটুকু আমল কর। কারণ তোমরা পরিশ্রান্ত না হয়ে পড়া পর্যন্ত আল্লাহ তা‘আলা ছওয়াব বন্ধ করেন না’।

আরও দেখুন:  রোজার মাহাত্ম, তাৎপর্য ও বিধি-বিধান

عن أُسامة بن زيد قال : قُلْتُ: يَا رَسُوْلَ اللهِ! لَمْ أُرَكَ تَصُوْمُ شَهْرًا مِنَ الشُّهُوْرِ مَاتَصُوْمُ مِنْ شَعْبَانَ!! قَال: ذَالِكَ شَهْرٌ يَغْفُلُ النَّاسُ عَنْهُ بَيْنَ رَجَبَ وَرَمَضَانَ، وَهُوَ شَهْرٌ تُرْفَعُ فِيْهِ الْأَعْمَالُ إِلَى رَبِّ العَالَمِيْنَ، فَأُحِبُّ أَنْ يَرْفَعَ عَمَلِىْ وَأَنَا صَائِمٌ-

উসামা বিন যায়েদ (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (ছাঃ)! শা‘বান মাসের ন্যায় অন্য কোন মাসে আপনাকে এরূপ ছিয়াম রাখতে দেখিনি যে? তিনি বলেন, এটি রজব ও রামাযানের মধ্যবর্তী এমন একটি মাস, যে মাসের ব্যাপারে মানুষ উদাসীন থাকে। এ মাসে জগত সমূহের প্রতিপালকের নিকট আমলনামা উপস্থাপন করা হয়। আর আমি পসন্দ করি যে, ছিয়ামরত অবস্থায় আমার আমলনামা উপস্থাপন করা হোক’।

উম্মু সালামা (রাঃ) বলেন, مَارَأَيْتُ النَّبِىَّ صلى الله عليه وسلم يَصُوْمُ شَهْرَيْنِ مُتَتَابِعَيْنِ إِلاَّ شَعْبَانَ وَرَمَضَانَ ‘নবী করীম (ছাঃ)-কে শা‘বান ও রামাযান ব্যতীত একাধারে দুই মাস ছিয়াম পালন করতে দেখিনি’।

আয়েশা (রাঃ) বলেন, مَارَأَيْتُ النَّبِىَّ صلى الله عليه وسلم فِىْ شَهْرٍ أَكْثَرَ صِيَامًا مِنْهُ فِىْ شَعْبَانَ كَانَ يَصُوْمُهُ إِلاَّ قَلِيْلاً بَلْ كَانَ يَصُوْمُهُ كُلَّهُ ‘শা‘বান মাসের মত আর কোন মাসে এত অধিক নফল ছিয়াম রাখতে আমি রাসূল (ছাঃ)-কে দেখিনি। এ মাসের কিছু ব্যতীত বরং পুরো মাসটাই তিনি ছিয়াম রাখতেন’।১০
আরবীতে একটি প্রবাদ আছে, للأكثر حكم الكل ‘অধিকাংশের উপর পুরো বিষয়ের হুকুম বর্তায়’। আরবী প্রবাদ অনুযায়ী মাসের অধিকাংশ সময় ছিয়াম রাখা মানে পুরো মাস ছিয়াম রাখা। ইবনুল মুবারক এই হাদীছ সম্পর্কে বলেন,

هو جائز فى كلام العرب، إذا صام أكثر الشهر أن يقال: صام الشهر كله، ويقال: قام فلان ليلة اجمع، ولعله تَعَشَّى واشتغل ببعض أمره-

‘এটি আরবদের কথাবার্তায় জায়েয। যেমন কেউ মাসের অধিকাংশ সময় ছিয়াম রাখলে তারা বলে, সে সারা মাস ছিয়াম রেখেছে। কেউ রাতের আহার ও অন্যান্য প্রয়োজনে কিছু সময় রাত্রি অতিবাহিত করলে তারা বলে, অমুক সারা রাত জেগেছিল’।১১

এ কথার প্রমাণ মেলে আয়েশা (রাঃ) বর্ণিত অন্য একটি হাদীছে। তিনি বলেন,

لاَ أَعْلَمُ النَّبِىَّ صلى الله عليه وسلم قَرَأَ الْقُرْآنَ كُلَّهُ فِى لَيْلَةٍ، وَلاَ قَامَ لَيْلَةً حَتَّى الصَّبَاحِ، وَلاَ صَامَ شَهْرًا قَطُّ كَامِلاً غَيْرَ رَمَضَانَ.

‘আমি এমনটি জানি না যে, আল্লাহর নবী (ছাঃ) এক রাতে পুরো কুরআন পড়েছেন, সকাল পর্যন্ত রাত্রি জাগরণ করেছেন, রামাযান ব্যতীত কখনোই পূর্ণ একমাস ছিয়াম পালন করেছেন’।১২

শা‘বান মাসের কয়েকদিন ব্যতীত ছিয়াম পালন রাসূল (ছাঃ)-এর জন্য খাছ। উম্মতের জন্য তিনি প্রথম অর্ধাংশ পছন্দ করেছেন। তিনি বলেন, إِذَا كَانَ النِّصْفُ مِنْ شَعْبَانَ فَلاَصَوْمَ حَتَّى يَجِئَ رَمَضَانُ. ‘শা‘বান মাসের অর্ধেক অতিবাহিত হওয়ার পর থেকে রামাযান না আসা পর্যন্ত আর কোন ছিয়াম নেই’।১৩ তবে কেউ ছিয়াম রাখতে অভ্যস্ত হ’লে সে রাখতে পারে।

আরও দেখুন:  মাহে রমযানকে যেভাবে স্বাগত জানাবেন

রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘হে অমুকের পিতা! (রাবীর সন্দেহ) তুমি কি এবার শা‘বানের শেষ দিকের ছিয়াম রাখনি? তিনি বললেন, না। তিনি বললেন, যখন রামাযানের ছিয়াম শেষ করবে তখন দুই দিন ছিয়াম রাখবে’।১৪ সম্ভবতঃ উক্ত ব্যক্তি নিয়মিতভাবে এই দু’টি ছিয়াম পালন করতেন অথবা এগুলো তার মানতের ছিয়াম ছিল- এজন্য রাসূল (ছাঃ) এরূপ বলেছিলেন।

২. শাওয়াল মাসের ছিয়াম :

রাসূল (ছাঃ) বলেন, مَنْ صَامَ رَمَضَانَ ثُمَّ أَتْبَعَهُ سِتًّا مِنْ شَوَّالٍ كَانَ كَصِيَامِ الدَّهْرِ   ‘যে রামাযানের ছিয়াম রেখেছে এবং পরে শাওয়ালের ছয়টি ছিয়াম রেখেছে, সে যেন সারা বছর ছিয়াম রেখেছে’।১৫ হাসান বছরী (রাঃ) বলেন, ‘যখন শাওয়ালের ছয়টি ছিয়ামের কথা তাঁর নিকট উল্লেখ করা হয়, তখন তিনি বলেন, আল্লাহর কসম! এই মাসের ছয়টি ছিয়াম রাখলে আল্লাহ পুরো বছর ছিয়াম রাখার ন্যায় খুশি হবেন’।১৬ রামাযান পরবর্তী এই ছয়টি ছিয়াম হাদীছের ভাষ্য অনুযায়ী বিশেষ গুরুত্বের দাবীদার।

৩. যিলহজ্জ মাস ও আরাফার দিনের ছিয়াম :

নফল ছিয়ামের মধ্যে যিলহজ্জ মাসের প্রথম দশক ও আরাফার দিনের ছিয়ামের মর্যাদা সবচেয়ে বেশী। যার ফযীলতের মধ্যে রয়েছে পূর্ণ দুই বছরের পাপ মোচনের ঘোষণা। ইবনু আববাস (রাঃ) হ’তে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন,

مَا مِنْ أَيَّامٍ الْعَمَلُ الصَّالِحُ فِيْهَا أَحَبُّ إِلَى اللهِ مِنْ هَذِهِ الْأَيَّامِ يَعْنِىْ  الْعَشْرَ قَالُوْا يَارَسُوْلَ اللهِ وَلاَ الْجِهَادُ فِىْ سَبِيْلِ اللهِ قالَ وَلاَ الْجِهَادُ فِىْ سَبِيْلِ اللهِ إِلاَّ رَجُلٌ خَرَجَ بِنَفْسِهِ وَمَالِهِ فَلَمْ يَرْجِعْ مِنْ ذَالِكَ بِشَيْءٍ-

‘আল্লাহর নিকট যিলহজ্জ মাসের দশ দিনের নেক আমলের চেয়ে অধিক পসন্দনীয় নেক আমল আর নেই। ছাহাবীগণ বলেন, হে আল্লাহর রাসূল (ছাঃ)! আল্লাহর রাস্তায় জিহাদও নয়? তিনি বললেন, না, আল্লাহর রাস্তায় জিহাদও নয়। তবে যে ব্যক্তি তার জান, মাল নিয়ে বের হয়ে ফিরে আসেনি (তার সৎকাজ এর চেয়েও বেশী মর্যাদাপূর্ণ)’।১৭

আরাফার দিনের ছিয়াম প্রসঙ্গে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, صِيَامُ يَوْمِ عَرَفَةَ إِنِّىْ اَحْتَسِبُ عَلَى اللهِ أَنْ يُكَفِّرَ السَّنَةَ اللَّتِىْ قَبْلَهُ وَالسَّنَةَ اللَّتِىْ بَعْدَهُ. ‘আরাফার দিনের ছিয়াম সম্পর্কে আমি আল্লাহর নিকট আশা করি যে, তিনি এর মাধ্যমে পূর্ববর্তী এক বছর ও পরবর্তী এক বছরের গুনাহ সমূহ ক্ষমা করে দিবেন’।১৮

বৈপরিত্যের সমন্বয় সাধন :

আয়েশা (রাঃ) বলেন, مَا رَأَيْتُ رَسُوْلَ الله صلى الله عليه وسلم صَامَ العَشْرَ قَطُّ. ‘আমি রাসূল (ছাঃ)-কে যিলহজ্জ মাসের দশদিনের ছিয়াম রাখতে দেখিনি’।১৯ পূর্বে বর্ণিত হাদীছে যিলহজ্জের প্রথম দশকের আমলকে সর্বশ্রেষ্ঠ আমল বলা হয়েছে অথচ এই হাদীছে সম্পূর্ণ অন্য কথা বলা হয়েছে। এর সমাধান দিতে গিয়ে মিরক্বাতের ভাষ্যকার মোল্লা আলী ক্বারী বলেন, أَنه صلى الله عليه وسلم يصوم وهى لا تعلم …. وأيضا عدم صيامه لاينافى كونها سنة لأنها كما تثبت بالفعل تثبت بالقول. ‘রাসূল (ছাঃ) ছিয়াম রেখেছেন কিন্তু তিনি (রাসূল (ছাঃ)-এর সফর কিংবা অন্য স্ত্রীর ঘরে অবস্থান করার কারণে) তা জানতে পারেননি। আবার এটাও হ’তে পারে যে, (রাসূল (ছাঃ) ছিয়াম রাখেননি) তাঁর ছিয়াম না রাখা যেমন তাঁর কর্মের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়, তেমনি তাঁর কথার মাধ্যমেও কার্যকর হয়।২০ এছাড়া ইলমুল হাদীছের প্রসিদ্ধ মূলনীতি হল- إذا تعارض النفى والإثبات فالإثبات أولى. ‘যখন ‘হ্যাঁ বাচক’ ও ‘না বাচক’ হাদীছের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়, তখন ‘হ্যাঁ বাচক’ হাদীছ অগ্রগণ্য হয়। হাদীছ দু’টিই ছহীহ হওয়া সত্ত্বেও হাদীছের মূলনীতি অনুসারে ‘হ্যাঁ বাচক’ হাদীছ অর্থাৎ আমল করার হাদীছটি প্রাধান্য পাবে।

আরও দেখুন:  মাহে রামাযানের পূর্ব প্রস্ত্ততি

উম্মুল ফাযল বিনত হারিছ (রাবী আববাস (রাঃ)-এর স্ত্রী) বলেন, কিছু সংখ্যক লোক আরাফার দিনে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর ছিয়াম প্রসঙ্গে তার নিকট সংশয় প্রকাশ করে। তাদের কেউ বলল, তিনি ছিয়াম পালন করেছেন, কেউ বলল, তিনি করেননি। এসময় উম্মুল ফাযল এক পেয়ালা দুধ তাঁর নিকট পাঠিয়ে দিলে তিনি তা পান করেন। এমতাবস্থায় তিনি উটের পিঠে (আরাফার মাঠে) অবস্থান করছিলেন।২১

আব্দুল্লাহ ইবনু ওমর (রাঃ)-কে আরাফার ছিয়াম প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করা হ’লে তিনি বলেন, আমি রাসূল (ছাঃ), আবূবাকর, ওমর, ও উছমান (রাঃ)-এর সাথে হজ্জ করেছি, তারা সেদিন ছিয়াম রাখেননি। আমিও রাখিনি, কাউকে রাখতেও বলিনি।২২

বাকি অংশ পড়ুন: নফল ছিয়াম : পরকালীন মুক্তির পাথেয় – (২)

– শরীফা বিনতে আব্দুল মতীন


. বঙ্গানুবাদ বুখারী (ঢাকা : তাওহীদ পাবলিকেশন্স, ফেব্রুয়ারী ২০০৭), হা/১৮৯৪, ২/৩২৮ পৃঃ

. বঙ্গানুবাদ বুখারী, হা/১৮৯৬, ২/৩২৯ পৃঃ

. মুত্তাফাক্ব আলাইহ, বঙ্গানুবাদ মিশকাত হা/১৯৫৫, ৪/২৫৩

. সিলসিলা ছহীহাহ হা/২২৬৭, ২৫৬৫

. সিলসিলা ছহীহা হা/২২৬৮/৬

. বঙ্গানুবাদ বুখারী, ২/৩৬৩, হা/১৯৬৯; তাহক্বীক্ব নাসাঈ হা/২৩৫১; বঙ্গানুবাদ মিশকাত হা/১৯৩৮

. বঙ্গানুবাদ বুখারী ২/৩৬৩ পৃঃ, হা/১৯৭০

. তাহক্বীক্ব সুনানুন নাসাঈ, হা/২৩৫৭, সনদ হাসান

. তাহক্বীক তিরমিযী হা/৬৩৬, সনদ ছহীহ

১০. তাহক্বীক্ব তিরমিযী হা/৬৩৭, সনদ হাসান ছহীহ

১১. তাহক্বীক্ব তিরমিযী, ১৮৩ পৃঃ

১২. সুনানুল নাসাঈ, হা/২৩৪৮,সনদ ছহীহ

১৩. তাহক্বীক্ব ইবনু মাজাহ, হা/১৬৫১, সনদ ছহীহ; তাহক্বীক্ব তিরমিযী হা/৭৩৮

১৪. মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/১৯৪০, ৪/২৪৮

১৫. মুসলিম, মিশকাত হা/১৯৪৯; তাহক্বীক্ব তিরমিযী হা/৭৫৯, তাহক্বীক্ব ইবনু মাজাহ হা/১৭১৫

১৬. তাহক্বীক্ব ‘তিরমিযী হা/৭৫৯, সনদ ছহীহ মাকতু

১৭. তাহক্বীক্ব ইবনু মাজাহ, হা/১৭২৭; তাহক্বীক্ব তিরমিযী হা/৭৫৭, সনদ ছহীহ

১৮. মুসলিম, মিশকাত হা/১৯৪৬; তাহক্বীক্ব তিরমিযী হা/৭৪৯, সনদ ছহীহ; তাহক্বীক্ব ইবনু মাজাহ হা/১৭৩০

১৯. মুসলিম, মিশকাত হা/১৯৪৫; তাহক্বীক্ব ইবনু মাজাহ হা/১৭৩০, সনদ ছহীহ

২০. মোল্লা আলী ক্বীরী, মিরকাতুল মাফাতীহ (বৈরুত: দারুল ফিকর, ২০০২ ইং) ৪/১৪১৩ পৃঃ

২১. বুখারী হা/১৯৮৮

২২. তাহক্বীক্ব তিরযিমী, হা/৭৫১, সনদ ছহীহ

এ সম্পর্কিত আরও পোস্ট

মন্তব্য করুন

Back to top button