আরো দেখুন...

One Comment

  1. 1

    নাঈম

    আসসালামু আলাইকুম ,
    আপনার লেখাটা পড়ে মন্তব্য করতে ইচ্ছে করল। তাই লিখছি..

    আমার জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে যা দেখেছি, আমরা মানুষরা আসলেই খুব আজব প্রকৃতির।

    যিনি আমাদের জন্যে এই বিশ্বজগৎ সৃষ্টি করলেন,আমাদের সে রব;আমাদের আল্লাহ শুধু আমাদের একটু আনুগত্যে চান।যার বিনিময়ে তিনি আমাদেরকে দুনিয়াতে উত্তম জীবিকা আর পরকালে সর্বোচ্চ সফলতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
    কিন্তু দুনিয়া আমাদেরকে এমনভাবে মোহাচ্ছন্ন করেছে যে আমরা আল্লাহকে ভুলে গিয়ে সারাটা জীবন দুনিয়া নিয়ে পড়ে থাকি।
    কে কত সম্পদের পাহাড় গড়তে পারবে; কে সমাজে কত হাই স্ট্যাটাস ওয়ালা হতে পারবে আমরা সেটা নিয়ে যেন একটা প্রাণপণ লড়াইয়ে নামি।সন্তান ফজরের নামাজ না পড়লে আমরা ততটা কষ্ট পাইনা যতটা পাই সন্তান এসএসসি বা এইচএসসিতে A+ মিস করলে। বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স না পেলে যেন সব শেষ। সমাজে মুখ দেখাবে কি করে??!
    কিন্তু সন্তান কুরআন পড়তে পারে কি না পারে তাতে আমাদের কিচ্ছু যায় আসেনা। মেয়ে পর্দা করে কি না করে তাতে আমাদের কিচ্ছু যায় আসেনা।
    এই প্রসেসটার মধ্যদিয়ে আমরা কি করি জানেন??? সন্তানগুলোকে একেকটা টাকা তৈরির মেশিনে পরিনত করে যাই।
    নিজেরাতো সারাজীবন আল্লাহর নাফরমানি করিই,সাথে সন্তানগুলোকেও কিভাবে আল্লাহর নাফরমানি করা যায় তা শিখিয়ে যাই।

    আল্লাহকে বাদ দিয়ে আমরা আমাদের অসুস্থ বিনোদনের মধ্যে শান্তি খুঁজি। আল্লাহর স্মরণেই যে অন্তর প্রশান্ত হয় সেটা আমরা ভুলে যাই।

    কিন্তু একটা সময় আমাদের বোধোদয় হয়। ততদিনে চুল দাঁড়ি পাকিয়ে কবরে যাওয়ার দিন গুনতে থাকি।তখন আল্লাহকে মনে পড়ে আমাদের।তাইতো মসজিদগুলোতে প্রথম কাতারে আমরা দাঁড়িপাকা দাদুদেরকেই দেখতে পাই বেশি। কিন্তু জীবনের ঐ সময়টাতে মনের মধ্যে বাসা বাঁধে ডিপ্রেশন।তখন মনে হয়,সারাটা জীবন কি করলাম???

    আমার প্রশ্ন, এই বোধোদয়টা যৌবনে হলে কি হতো?? যৌবনটা আল্লাহর জন্যে ব্যয় করলে কি হতো?? জীবনের শেষ দিনগুলো কি আমাদের হতাশায় কাটাতে হতো??
    সন্তানগুলোকে আল্লাহর পরিচয় দিলে কি হতো??
    জানি প্রশ্নগুলোর উত্তর একদিন সব্বাই পাবেন। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে যাবে………

    Reply

মন্তব্য করুন

অনুগ্রহপূর্বক ইসলামিক অনলাইন মিডিয়া‘র মন্তব্যের নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন। আপনার ই-মেইল ঠিকানা গোপন থাকবে। নামই-মেইল আবশ্যক।

© ২০১১-১৮ ইসলামিক অনলাইন মিডিয়া